× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

গুপ্তে উপ্ত সংঘাতের বীজ

মহিউদ্দিন খান মোহন

প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৫১ পিএম

মহিউদ্দিন খান মোহন; সহকারী সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

মহিউদ্দিন খান মোহন; সহকারী সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

রাজনীতিতে কখনও কখনও একটি ছোট্ট শব্দ পারমাণবিক বোমার মতো ধ্বংসাত্মক রূপ নিতে পারে। তেমনি একটি শব্দ অতিসম্প্রতি আমাদের রাজনৈতিক পরিভাষায় যুক্ত হয়েছে। শব্দটি হলো ‘গুপ্ত’। এক দল আরেক দলকে গুপ্ত পরিচয়ে সুপ্ত থেকে সুযোগ বুঝে স্বমূর্তিতে আবির্ভূত হওয়ার অভিযোগে অভিযুক্ত করছে। আর তা নিয়ে ঘটছে তুলকালাম। বলা যায়, গুপ্তের মধ্যে উপ্ত হয়েছে সংঘাতের বীজ, যা এখন মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। শব্দটি এতদিন দুই পক্ষের বাগ্‌যুদ্ধের গোলা হিসেবে ব্যবহৃত হলেও শেষ অবধি তা মল্লযুদ্ধের উপাদানে পরিণত হয়েছে। ঘটনার সূত্রপাত চট্টগ্রাম সিটি কলেজে। সেখানে একটি দেয়াল লিখনে ‘ছাত্র’ মুছে ‘গুপ্ত’ লেখায় ইসলামী ছাত্রশিবির ও জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কর্মীদের মধ্যে সংর্ষের ঘটনা ঘটে গত ২১ এপ্রিল। পত্রিকায় প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, সংঘর্ষে উভয় পক্ষ দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ও মাথায় হেলমেট পরে অংশ নিয়েছে। ২২ এপ্রিল প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর খবরে উল্লেখ করা হয়েছে, কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনে জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের স্মরণে আঁকা গ্রাফিতিতে ‘ছাত্ররাজনীতি’ ও ‘ছাত্রলীগমুক্ত ক্যাম্পাস’ লেখা ছিল। কলেজ শাখা ছাত্রদলের একদল কর্মী সেখানে ‘ছাত্র’ শব্দটি মুছে তদস্থলে ‘গুপ্ত’ লিখে দেয়। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয় এবং একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। সংঘর্ষের জেরে কলেজটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে কর্তৃপক্ষ। অপর একটি দৈনিক ‘গুপ্ত নিয়ে রাজনীতি উত্তপ্ত’ শিরোনামে পরিবেশিত প্রতিবেদনে লিখেছে, ‘চট্টগ্রাম সিটি কলেজে ছাত্রশিবির-ছাত্রদলের সংঘর্ষের পর দেশের পুরো শিক্ষাঙ্গনে এর বিরূপ প্রভাব পড়তে শুরু করেছে। বিভিন্ন স্থানে ছাত্র সংগঠন দুটির নেতাকর্মীরা এখন মারমুখী অব্স্থানে রয়েছে। উত্তেজনা বিরাজ করছে জহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়, নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও। এদিকে রাজনীতির চিরাচরিত প্রথা অনুযায়ী চট্টগ্রাম সংঘর্ষের জন্য ছাত্রশিবির ও ছাত্রদল পরস্পরকে দায়ী করে বিবৃতি দিয়েছে।

এদিকে চট্টগ্রাম ঘটনার রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই ঢাকায় ঘটেছে নতুন ঘটনা। গত ২৩ এপ্রিল সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় হামলা ও মারধরের শিকার হয়েছেন ডাকসু নেতা যুবাইর বিন নেছারী (এ বি জুবায়ের) ও মুসাদ্দিক আলী ইবনে মোহাম্মদ। ইসলামী ছাত্রশিবির এ হামলার জন্য জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলকে দায়ী করেছে। অন্যদিকে একই দিন পাবনার ঈশ্বরদী সরকারি কলেজ এলাকায় ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। 

জানা গেছে, গত ২৩ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে একটি কুরুচিপূর্ণ ভূয়া ফটোকার্ড শিবির নেতা আবদুল্লাহ আল মাহমুদের আইডি থেকে ছড়িয়ে পড়ে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি সে ফটোকার্ডের স্ক্রিনশট ভাইরাল হওয়ার পর দেশব্যাপী বিএনপি নেতাকর্মী-সমর্থকদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সঞ্চার হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদল কর্মীরা মাহমুদের শাস্তির দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করে। তবে শিবির নেতা আবদুল্লাহ আল মাহমুদ তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, ওই ভুয়া ফটোকার্ডটির স্ক্রিনশট তার নামে কে বা কারা ছড়িয়ে দিয়েছে। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ওইদিন সন্ধ্যায় তিনি শাহবাগ থানায় যান এ ব্যাপারে জিডি করতে। তিনি যখন থানার ভেতরে জিডি লিখছিলেন, তখন ছাত্রদল কর্মীরা সেখানে গিয়ে এ বি জুবায়ের ও মুসাদ্দিক আলীর ওপর চড়াও হয়। তারা দুজনকে প্রহার করে আহত করে। পরে ছাত্রদলের কয়েকজন নেতা সেখানে গিয়ে শিবির নেতাদের উদ্ধার করে আনে। 

বলার অপেক্ষা রাখে না, ঘটনাগুলো স্বস্তিকর নয়। দেশের শীর্ষস্থানীয় ছাত্র সংগঠনের তিনটির একটি ছাত্রলীগ এখন নিষিদ্ধ, নিষ্ক্রিয়। বাকি দুটির একটি জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, অপরটি ইসলামী ছাত্রশিবির। একসময় এ দুটি ছাত্র সংগঠন দেশের শিক্ষাঙ্গনগুলোতে একে অপরের সহমর্মী হিসেবেই বিবেচিত ছিল। যদিও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে মাঝেমধ্যে তারাও সংঘর্ষে লিপ্ত হয়েছে। ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামী এক জোটের অন্তর্ভুক্ত হলে তাদের ছাত্র ফ্রন্টও বন্ধুত্বের বন্ধনে আবদ্ধ হয়। মনে পড়ে চারদলীয় জোট সরকারের সময় একটি অনুষ্ঠানে আজকের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরকে ‘এক বৃন্তে দুটি ফুল’ হিসেবে আখ্যায়িত করেছিলেন। তা ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকারবিরোধী আন্দোলনে দীর্ঘদিন এ দুটি ছাত্র সংগঠন কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে অবস্থান করেছে। এমনকি ২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের সময়ও ছাত্রদল-ছাত্রশিবিরকে রাজপথে যুগপৎ কর্মসূচি পালন করতে দেখা গেছে। শেখ হাসিনার পতন আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ছাত্রদল ও ছাত্রশিবিরের মধ্যে গড়ে ওঠা সখ্য জনমনে স্বস্তি এনে দিয়েছিল। আর বোধহয় শিক্ষাঙ্গনে সংঘাত-সংঘর্ষের ঘটনা ঘটবে নাÑ এমন একটি আশাবাদ সৃষ্টি হয়েছিল। সে সঙ্গে রাজনীতিতে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশ স্থায়িত্ব পাবে, এমনটিই আশা করেছিল দেশবাসী। কিন্তু ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে সে সৌহার্দ্য-সহিষ্ণুতা ক্রমেই হারিয়ে যেতে থাকে।

প্রতিদ্বন্দ্বিতা পরিণত হতে থাকে শত্রুতায়। জামায়াত বিএনপিকে জাতির সামনে ‘চাঁদাবাজ দল’ হিসেবে প্রতিপন্ন করতে নানারকম প্রচারণা শুরু করে। আর একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের সময় জামায়াতে ইসলামীর ভূমিকাকে সামনে এনে তাদের ঘায়েল করার চেষ্টা করতে থাকে বিএনপি। এরই মধ্যে বিএনপির পক্ষ থেকে আওয়ামী লীগের শাসনামলে শিবির কর্মীদের ছাত্রলীগের ভেতরে লুকিয়ে থাকার অভিযোগ উত্থাপন করা হয়। বলা হয়, তারা লীগের ভেতর ‘গুপ্ত’ অবস্থায় থেকে এখন বেরিয়ে এসেছে। একটি জনসভায় বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান এই ‘গুপ্ত’ শব্দটি ব্যবহার করার পরে বিএনপি নেতাকর্মীদের মুখে তা নিত্যদিনের বুলিতে পরিণত হয়। মূলত তখন থেকেই বিএনপি নেতাকর্মীরা জামায়াত-শিবিরকে ‘গুপ্ত’ বলে কটাক্ষ করে আসছে, যা এখন সংঘাত-সংঘর্ষ পর্যন্ত গড়িয়েছে। সে সময় আমি একটি নিবন্ধ লিখেছিলাম ‘গুপ্ত যখন মুক্ত বিতর্কে’ শিরোনামে। নিবন্ধটি ৮ ফেব্রুয়ারি একটি জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত হয়েছে। তাতে আমি মন্তব্য করছিলাম, ‘রাজনীতিতে আত্মগোপন বা গুপ্ত অবস্থান গ্রহণ নতুন কোনো ঘটনা নয়। কৌশলগত কারণেই অনেক সময় রাজনীতিকদের গোপন অবস্থান গ্রহণ করতে হয়। প্রতিকূল পরিস্থিতিতে অনেক সময় দেশত্যাগ করে বিদেশেও আশ্রয় নিতে হয়।’ এ প্রসঙ্গে আমি ব্রিটিশ শাসন থেকে ভারতবর্ষকে স্বাধীন করার লক্ষ্যে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর স্বদেশ ত্যাগ করে জার্মানিতে গিয়ে ফ্যাসিস্ট হিটলারের সহযোগিতা গ্রহণের কথাও উল্লেখ করেছিলাম। 

আমি আরও লিখেছিলাম ‘কৌশলগত আত্মগোপন বা ভিন্ন কোনো রাজনৈতিক দলে আশ্রয় নেওয়ার অনেক দৃষ্টান্ত রয়েছে আমাদের দেশের রাজনীতিতে। পাকিস্তান আমলে আমাদের দেশে কমিউনিস্ট রাজনীতি নিষিদ্ধ ছিল। সে সময় কমিউনিজমে বিশ্বাসীরা মওলানা ভাসানীর দল ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ)-এর মধ্যে অবস্থান করে তাদের মতাদর্শের প্রচার ও গোপন সাংগঠনিক তৎপরতা চালাতেন। তাদের মধ্যে মোহাম্মদ তোয়াহা, আবদুল হক, আবদুল মতিন, আলাউদ্দিন ছিলেন অন্যতম।’ উল্লেখ্য, তাদের অনেকেই পরবর্তী সময়ে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আহ্বানে সাড়া দিয়ে প্রকাশ্য রাজনীতিতে ফিরে এসেছিলেন এবং সংসদীয় গণতান্ত্রিক রাজনীতিতে অবদান রেখেছেন। এমনকি বিএনপির সাবেক মহাসচিব আবদুল মান্নান ভূঁইয়া, ওয়ার্কার্স পাটির নেতা রাশেদ খান মেনন, হায়দার আকবর খান রনো, তার ছোট ভাই হায়দার আনোয়ার খান জুনো প্রমুখ নেতাও ন্যাপের ভেতরে থাকা কমিউনিস্ট গ্রুপের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। এই যে তারা ন্যাপের ছায়াতলে অবস্থান করে গোপন রাজনৈতিক তৎপরতা চালিয়েছেন, সেজন্য পরবর্তী সময়ে কেউ তাদেরকে ‘গুপ্ত’ বলে কটাক্ষ করেনি। 

রাজনীতি একটি নাজুক শিল্প। একটি শব্দ বা বাক্য যেকোনো সময় ভয়ানক পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে পারে। শিবিরকে গুপ্ত বলে কটাক্ষ করা যেমন বিএনপি বা ছাত্রদলের উচিত নয়, তেমনি রাজনীতির বাইরে থাকা তারেক-কন্যা জাইমাকে নিয়ে নোংরামিও বরদাশত করার মতো নয়। জাইমা রহমানকে রাজনীতির এ নোংরামির শিকার হতে দেখে আমি অত্যন্ত বেদনার্ত। চোখের সামনে শিশু থেকে তরুণীতে পরিণত হতে দেখা মেয়েটিকে নিয়ে এ অসভ্যতাকে রাজনৈতিক নয়, আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে দেখা উচিত বলে আমি মনে করি। রাজনৈতিক বিরুদ্ধবাদিতা বা বৈরিতার কারণে কোনো দোষ না করা সত্ত্বেও একজন রাজনীতিকের পরিবারের সদস্যরা অশ্লীল আক্রমণের শিকার হবেন, তা মেনে নেওয়া যায় না। বোঝা যাচ্ছে, পিতা তারেক রহমানের সঙ্গে বিভিন্ন প্রোগ্রামে জাইমার উপস্থিতি একটি গোষ্ঠীর গাত্রদাহ সৃষ্টি করে থাকবে। তাই তারা মেয়েটির দিকে অশালীন আক্রমণের ধৃষ্টতা দেখিয়েছে। তবে তাদের মনে রাখা উচিত, উপমহাদেশের প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ ভারতের প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী শ্রীমতি ইন্দিরা গান্ধী তার পিতা ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জহরলাল নেহরুর ছায়াসঙ্গী হয়ে রাজনীতি ও রাষ্ট্র পরিচালনার দীক্ষা নিয়েছিলেন। পাকিস্তানের প্রথম নারী প্রধানমন্ত্রী বেনজির ভুট্টোও তার পিতা জুলফিকার আলীর স্নেহছায়ায় থেকে রাজনীতি ও সরকার পরিচালনার প্রথম পাঠ নিয়েছিলেন। রাজনীতিতে পরিবারতন্ত্রের পক্ষে আমি নই। তবে একজন রাজনীতিকের পরিবারের কেউ যোগ্যতা অর্জন করে যদি পরবর্তীকালে নেতৃত্বে উঠে আসেন গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থায় তাতে কারও কিছু বলা বা বাধা দেওয়ার সুযোগ নেই। 

আওয়ামী লীগ তথা শেখ হাসিনার পতনের পর দেশবাসী আশা করেছিল, দেশে একটি সৌহার্দ্যপূর্ণ রাজনৈতিক পরিবেশ সৃষ্টি হবে। দেশবাসীর প্রত্যাশার সে বেলুন ইতোমধ্যে চুপসে যেতে শুরু করেছে। রাজনৈতিক দলগুলো যদি পরস্পরের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ও সহিষ্ণু না হয়, তাহলে সে বেলুন ফুটো হয়ে ভূলুণ্ঠিত হওয়ার আশঙ্কা অমূলক নয়।


মহিউদ্দিন খান মোহন

সহকারী সম্পাদক, প্রতিদিনের বাংলাদেশ

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা