ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ
মো. ইলিয়াস হোসেন
প্রকাশ : ০৭ এপ্রিল ২০২৬ ১৩:২২ পিএম
বিশ্ব রাজনীতির সাম্প্রতিক উত্তেজনাপূর্ণ বাস্তবতায় মধ্যপ্রাচ্য আবারও আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও সামরিক শক্তির সংঘর্ষের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে। বিশেষ করে, ইরান এবং ইসরায়েলের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাত এবং সেই সংঘাতে সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রের সম্পৃক্ততা আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে নতুন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। গত কয়েক সপ্তাহে সংঘাতের তীব্রতা, ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা এবং সম্ভাব্য সামরিক ক্ষয়ক্ষতির খবর বিশ্বব্যাপী আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে। এই পরিস্থিতি কেবল একটি আঞ্চলিক যুদ্ধের প্রশ্ন নয়; বরং এটি বিশ্বশক্তির ভারসাম্য, আন্তর্জাতিক জোট-ব্যবস্থা এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভবিষ্যৎ বৈশ্বিক নেতৃত্বের প্রশ্নের সঙ্গেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।
মধ্যপ্রাচ্য দীর্ঘদিন ধরেই ভূ-রাজনৈতিক প্রতিযোগিতার কেন্দ্র। এখানে ধর্মীয়, রাজনৈতিক এবং কৌশলগত স্বার্থ একে অপরের সঙ্গে জটিলভাবে জড়িত। এই অঞ্চলে ইসরায়েলকে যুক্তরাষ্ট্রের অন্যতম ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে বিবেচনা করা হয়। অপরদিকে ইরান দীর্ঘদিন ধরেই পশ্চিমা জোটের বাইরে একটি আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে নিজস্ব প্রভাব বিস্তার করে আসছে। গত কয়েক দশকে ইসরায়েল বিভিন্ন অজুহাতে ইরানের ওপর বিমান হামলা চালিয়েছে। গত বছর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোটবদ্ধ হয়ে ইরানের পারমাণবিক স্থাপনার ওপর বোমা হামলা চালিয়ে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করেছে।
এ হামলার
জবাবে ইরান ইসরায়েলের ওপর দূরপাল্লার মিসাইল এবং ড্রোন দিয়ে পাল্টা হামলা চালিয়ে প্রতিরোধ
করার চেষ্টা করেছে। এতে দুই পক্ষেরই ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ওই যুদ্ধ ১২ দিনের মতো
স্থায়ী হলেও ইরানের দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সক্ষমতায় বিশ্ববাসী কিছুটা চমকিত
হয়েছে। এটা প্রমাণিত হয়েছে, গত এক দশকে ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবং ড্রোন সক্ষমতা
উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে, যা দিয়ে দূরবর্তী লক্ষ্যবস্তুতেও আঘাত হানা সম্ভব।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬-এ ইসরায়েল ও আমেরিকা অতর্কিতে যৌথ বিমান হামলা করে ইরানের শীর্ষ নেতা খামেনিসহ বেশ কয়েকজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মকর্তাকে হত্যা করে। যার পরিপ্রেক্ষিতে ইরান পাল্টা আক্রমণ হিসেবে আমেরিকার মধ্যপ্রাচ্য কেন্দ্রিক সামরিক ঘাঁটিসহ ইসরায়েলের বিভিন্ন শহরে মিসাইল এবং ড্রোন হামলা পরিচালনা করে। যা এখনও চলমান রয়েছে।
ইসরায়েল এবং যুক্তরাষ্ট্রের সরাসরি সামরিক অংশগ্রহণ করার ফলে বর্তমানে এই যুদ্ধের পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে , যা কেবল শুধু মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নয়; বরং এটি একটি বৃহত্তর আন্তর্জাতিক সামরিক উত্তেজনায় রূপ নিয়েছে। অপরদিকে ইরানের জন্য অস্তিত্বের লড়াই হিসেবে ইসরায়েলের ওপর ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাত্রা বৃদ্ধি করায় তা আঞ্চলিক নিরাপত্তা কাঠামোকে ব্যাপকভাবে প্রভাবিত করছে। ইতোমধ্যে ১৬ দিন অতিবাহিত হয়েছে, ইরানের মিসাইলের আঘাতে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার সকল সামরিক ঘাঁটিসহ ইসরায়েলের তেল আবিব, হাইফা এবং অন্যান্য শহর বর্তমানে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে।
যেকোনো আধুনিক
যুদ্ধে প্রযুক্তি, গোয়েন্দা তথ্য এবং আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইসরায়েলের
রয়েছে উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা যেমন আয়রন ডোম, ডেভিড’স স্লিং
এবং এরো সিস্টেম। তবে ইরান ব্যাপক সংখ্যক দূরপাল্লার
ক্ষেপণাস্ত্র এবং ড্রোন
একসঙ্গে নিক্ষেপ
করার ফলে ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেকটাই
অকার্যকর হয়ে পড়েছে। একই সঙ্গে উপসাগরীয় অঞ্চলে অবস্থিত আমেরিকার নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং আঞ্চলিক সামরিক অবকাঠামোগুলোও
লক্ষ্যবস্তুতে
পরিণত হয়েছে।
একই সঙ্গে ইরানি
বিপ্লবী গার্ড কর্তৃক হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়ায় বিশ্ব অর্থনীতিতে পড়ছে ব্যাপক
চাপ। এমতাবস্থায়, যুক্তরাষ্ট্র একটি কঠিন সংকটময় পরিস্থিতি অতিক্রম করছে।
মধ্যপ্রাচ্যে
যুক্তরাষ্ট্রের নীতির একটি মৌলিক দ্বন্দ্ব রয়েছে। একদিকে ইসরায়েলের নিরাপত্তা নিশ্চিত
করা যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের কৌশলগত প্রতিশ্রুতি। অন্যদিকে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ থেকে
নিজেকে দূরে রাখার রাজনৈতিক চাপও যুক্তরাষ্ট্রের ভেতরে ক্রমেই বাড়ছে। বিশেষ করে,
দীর্ঘ আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের অভিজ্ঞতার পর মার্কিন জনগণের একটি বড় অংশ বিদেশি
সামরিক সংঘাতে জড়িয়ে পড়ার বিষয়ে সতর্ক। এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র
সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ায় তা দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি ও অর্থনীতিতেও বড় প্রভাব
ফেলছে। এমতাবস্থায়, ইরান এবং ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাত
যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তাহলে বিশ্ব কূটনীতিতে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন ঘটতে পারে।
প্রথমত, অনেক
দেশ যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা কাঠামো নিয়ে নতুন করে ভাবতে শুরু করতে পারে।
দ্বিতীয়ত, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিতে পারে, যা ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। মধ্যপ্রাচ্য বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ তেল উৎপাদনকারী অঞ্চল হওয়ায় এই সংঘাত বিশ্ব অর্থনীতিতে সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। তৃতীয়ত, কিছু দেশ কৌশলগতভাবে নিরপেক্ষ অবস্থান গ্রহণ করতে পারে, যা যুক্তরাষ্ট্রের বৈশ্বিক প্রভাবের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করবে।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের
পর আন্তর্জাতিক ব্যবস্থায় যুক্তরাষ্ট্র এমন এক শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, যার
প্রভাব বিশ্ব রাজনীতির প্রায় প্রতিটি স্তরে বিস্তৃত ছিল। অর্থনীতি, সামরিক শক্তি, প্রযুক্তি
এবং কূটনৈতিক প্রভাবÑ সব ক্ষেত্রেই আমেরিকা ছিল নেতৃত্বের কেন্দ্রে। কিন্তু গত দুই
দশকে বিশ্বব্যবস্থায় উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন ঘটেছে। চীনের দ্রুত অর্থনৈতিক উত্থান, রাশিয়ার
ভূ-রাজনৈতিক সক্রিয়তা এবং ইউরোপীয় শক্তিগুলোর কৌশলগত স্বাতন্ত্র্যবোধÑ সব মিলিয়ে বিশ্ব
ধীরে ধীরে একমেরু কাঠামো থেকে বহুমেরু শক্তি ব্যবস্থার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এই পরিবর্তনের
প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প প্রশাসনের ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ নীতি এক ধরনের প্রতিক্রিয়াশীল
রাজনৈতিক দর্শন হিসেবে দেখা দিয়েছে। এর মূল লক্ষ্য হলো যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তি
পুনরুদ্ধার, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমেরিকার প্রাধান্য পুনঃপ্রতিষ্ঠা এবং বৈশ্বিক রাজনীতিতে
মার্কিন নেতৃত্বকে আরও দৃঢ় করা। কিন্তু এই নীতি বাস্তবায়নের যে পদ্ধতি অনুসরণ করা হচ্ছে,
তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্ক ও উত্তেজনার জন্ম দিচ্ছে।
ট্রাম্প প্রশাসনের
অন্যতম প্রধান কৌশল হলো অর্থনৈতিক জাতীয়তাবাদ। বিদেশি পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করে
দেশীয় শিল্পকে সুরক্ষা দেওয়া এবং আমদানি নির্ভরতা কমানোÑ এই নীতির প্রধান লক্ষ্য। এর
ফলে বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য সম্পর্ক নতুন করে আলোচনায় এসেছে। বিশেষ করে ইউরোপীয় ইউনিয়ন,
চীন এবং উত্তর আমেরিকার বাণিজ্য অংশীদারদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক সম্পর্ক
নতুন উত্তেজনার মুখে পড়েছে।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ
দিক হলো, যুক্তরাষ্ট্রের ঐতিহ্যগত মিত্রদের সঙ্গে সম্পর্কের টানাপড়েন। কানাডা, যুক্তরাজ্য
এবং অস্ট্রেলিয়ার মতো দীর্ঘদিনের মিত্র দেশগুলোও অনেক ক্ষেত্রে ট্রাম্প প্রশাসনের অর্থনৈতিক
নীতির সমালোচনা করেছে। এই দেশগুলো ঐতিহাসিকভাবে পশ্চিমা জোটের অংশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের
সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে। কিন্তু সাম্প্রতিক বাণিজ্য নীতি এবং কূটনৈতিক অবস্থানের
কারণে সেই সম্পর্কের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে বলে অনেক বিশ্লেষক মনে করেন।
মধ্যপ্রাচ্য নীতিতে
ট্রাম্প প্রশাসনের অন্যতম বিতর্কিত সিদ্ধান্ত ইরানের সঙ্গে সরাসরি যুদ্ধে জড়িয়ে পড়া।
এই অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের মিত্র ইসরায়েল এবং আঞ্চলিক প্রতিদ্বন্দ্বী ইরানের
মধ্যকার উত্তেজনা আন্তর্জাতিক রাজনীতিকে বারবার অস্থির করে তুলেছে। যুক্তরাষ্ট্রের
কঠোর অবস্থান এবং বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞা নীতির ফলে এই উত্তেজনা আরও তীব্র হয়েছে। এই সমস্ত
ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে স্পষ্ট হয় যে, বিশ্ব রাজনীতি বর্তমানে এক গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের
মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। একসময় যুক্তরাষ্ট্র এককভাবে বিশ্ব রাজনীতিতে আধিপত্য বিস্তার করলেও
এখন নতুন শক্তির কেন্দ্র হিসেবে উঠে আসছে চীন, রাশিয়া এবং ইউরোপীয় ইউনিয়ন, এমনকি, সামনে
হয়তো আসতে পারে কমনওয়েলথ দেশসমূহের নতুন জোট। ফলে আন্তর্জাতিক শক্তির ভারসাম্য যে ধীরে
ধীরে পরিবর্তিত হচ্ছে তা কিছুটা স্পষ্ট।
তবে এটাও সত্য
যে, যুক্তরাষ্ট্র এখনও বিশ্ব রাজনীতির সবচেয়ে শক্তিশালী রাষ্ট্রগুলোর একটি। তার অর্থনৈতিক
শক্তি, প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব এবং সামরিক সক্ষমতা এখনও অপ্রতিদ্বন্দ্বী। কিন্তু ভবিষ্যতের
বিশ্ব রাজনীতিতে এই নেতৃত্ব বজায় রাখতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে কেবল শক্তি প্রদর্শনের ওপর
নির্ভর না করে কূটনৈতিক কৌশলের ওপর গুরুত্ব দিতে হবে।
এটা বাস্তবতা যে, আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে কোনো রাষ্ট্রের শক্তি শুধু সামরিক ক্ষমতার ওপর নির্ভর করে না, বরং তার কূটনৈতিক গ্রহণযোগ্যতা এবং জোট-ব্যবস্থার ওপরও নির্ভর করে। তবে মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে জড়িয়ে পড়েছে, তাতে অনেক দেশই এই অবস্থানকে সমর্থন করছে না। ফলে একটি কূটনৈতিক দূরত্ব তৈরি হচ্ছে। এই পরিস্থিতিকে অনেক বিশ্লেষক ‘স্ট্র্যাটেজিক আইসোলেশন’ বা কৌশলগত বিচ্ছিন্নতার ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করছেন। বিশেষ করে, বৈশ্বিক দক্ষিণের অনেক দেশ বর্তমানে পরাশক্তির প্রতিযোগিতায় নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখতে আগ্রহী। ফলে তারা কোনো বড় সংঘাতে সরাসরি পক্ষ নিতে অনিচ্ছুক।
মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনা শুধু একটি আঞ্চলিক সংঘাত নয়; বরং এটি বৈশ্বিক শক্তির ভবিষ্যৎ বিন্যাসের সঙ্গে সম্পর্কিত। ইতিহাস দেখিয়েছে, বড় শক্তিগুলোর জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ শুধু যুদ্ধ জেতা নয়Ñ বরং যুদ্ধের রাজনৈতিক পরিণতি সামাল দেওয়া। এই বাস্তবতায় ইরান-ইসরায়েল সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকা আগামী কয়েক বছর বিশ্ব রাজনীতির অন্যতম নির্ধারক বিষয় হয়ে উঠতে পারে। অতএব, যুক্তরাষ্ট্রের সামনে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন হলোÑ কীভাবে তার কৌশলগত স্বার্থ রক্ষা করে বৈশ্বিক নেতৃত্ব বজায় রাখা যায় এবং একই সঙ্গে এই সংঘাত থেকে কীভাবে নিরাপদ প্রস্থান করা যায়, সে বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা। অন্যথায় বর্তমান সংঘাত আন্তর্জাতিক ব্যবস্থাকে যেমন আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে, তেমনি যুক্তরাষ্ট্রের জন্যও হতে পারে বিপর্যয়কর।
মো. ইলিয়াস হোসেন
সাবেক সেনা কর্মকর্তা