× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

ব্যাংকিং খাত

বাংলাদেশ ব্যাংক গভর্নরের সামনে চ্যালেঞ্জ

নিরঞ্জন রায়

প্রকাশ : ০৬ মার্চ ২০২৬ ১০:০১ এএম

নিরঞ্জন রায়, সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানিলন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরনটো, কানাডা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

নিরঞ্জন রায়, সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানিলন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরনটো, কানাডা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

সরকার বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে সরিয়ে নতুন গভর্নর হিসেবে নিয়োগ দিয়েছে মোস্তাকুর রহমানকে। উদ্যোগটি খুবই স্বাভাবিক এবং প্রত্যাশিতই ছিল। কেননা নতুন সরকার তাদের পলিসি, নীতি এবং নির্বাচনী ইশতেহার বাস্তবায়নের স্বার্থে নিজেদের পছন্দের লোকদের নিয়োগ দেবেনÑ এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু গভর্নর পরিবর্তনের প্রক্রিয়াটি ছিল অস্বাভাবিক। যেভাবে সাবেক গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং তার উপদেষ্টা একজন জ্যেষ্ঠ কেন্দ্রীয় ব্যাংকারকে যেভাবে বিদায় করা হয়েছে, সেটা মোটেই স্বাভাবিক ছিল না। এ কথা ঠিক যে সদ্য বিদায়ী গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরকে সবাই একজন যোগ্য এবং উপযুক্ত পেশাদার হিসেবেই জানতেন। আমি নিজেও সেটাই জানতাম। কিন্তু তিনি গভর্নরের দায়িত্ব নিয়ে তার যোগ্যতার স্বাক্ষর সেভাবে রাখতে পারেননি। তার আঠারো মাসের সময়কালে দেশের ব্যাংকিং খাতে এমন কিছু ঘটনা ঘটেছে, যা আগে কখনও ঘটেনি। যেমন, বেশ কয়েকটি ব্যাংক আমানতকারীদের চাহিদামাফিক অর্থ ফেরত দিতে পারেনি এবং প্রকাশ্যে অর্থ ফেরত দেওয়ার কথা অস্বীকার করে দিব্যি ব্যাংকিং কার্যক্রম চালিয়ে গেছে। ব্যাংকিং খাতের সমস্যা আগেও ছিল, কিন্তু ব্যাংক আমানতকারীদের অর্থ ফেরত দিতে পারেনি, এমন ঘটনা আগে কখনও ঘটেনি। এই ঘটনার কারণে দেশের ব্যাংকিং খাতে এক খারাপ দৃষ্টান্ত স্থাপিত হয়েছে এবং ব্যাংকিং খাতের ওপর আমানতকারীদের আস্থায় ভালো ধাক্কা লেগেছে। 

গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুরের সময়ে মাত্র এক বছরের ব্যবধানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ২ লাখ কোটি টাকা থেকে এক লাফে বৃদ্ধি পেয়ে ৬ লাখ কোটি টাকার বেশি হয়ে গেছে। বিশ্ব যখন স্বল্প সুদের হারের দিকে ঝুঁকছে, তখন তিনি সুদের হার না কমিয়ে বাড়িয়ে রেখে মুদ্রাস্ফীতি তো হ্রাস করতে পারেননি, উল্টো ব্যবসা-বাণিজ্য এবং বিনিয়োগের মারাত্মক ক্ষতি করেছেন। কঠোরভাবে আমদানি নিয়ন্ত্রণ করে আমদানির পরিমাণ কমিয়ে রেখে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেশি দেখানোর চেষ্টা করে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের চরম ক্ষতি করা হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতি করেছেন গ্রহণযোগ্য বিকল্প পদক্ষেপ না নিয়ে ঢালাওভাবে পাঁচটি ব্যাংককে একীভূত করার উদ্যোগ নিয়ে। এরকম আরও অনেক পদক্ষেপ, যা তিনি গভর্নর হিসেবে নিয়েছেন কিন্তু কোনো কাজেই আসেনি, উল্টো ক্ষতি হয়েছে। এক কথায় দেশের ব্যাংকিং খাতকে ঠিক করার নামে এক লেজেগোবরে অবস্থার সৃষ্টি করেছেন। এসব বিষয়ে সমালোচনা করে আমি নিজেও অনেক লিখেছি। হয়তো এসব ব্যর্থতার কারণেই নতুন সরকার ক্ষমতায় এসেই তাকে পরিবর্তন করার উদ্যোগ নিয়েছেন। কিন্তু তার প্রস্থানটা হওয়া উচিত ছিল সম্মানজনকভাবে। গভর্নরের ভাবমূর্তির সঙ্গে একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভাবমূর্তি জড়িত এবং বিষয়টির প্রতি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাংকিং খাতের সংশ্লিষ্ট সকলেই দৃষ্টি রাখে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নতুন গভর্নরের নিয়োগ নিয়ে বেশ আলোচনা হয়েছে। অনেকেই বলার চেষ্টা করেছেন তিনি একটি রপ্তানিমুখী তৈরি পোশাক কোম্পানির মালিক এবং এই কোম্পানির নামে খেলাপি ঋণ পুনঃতফসিল করা হয়েছে। অনেকে তার যোগ্যতা এবং সক্ষমতার বিষয়টি নিয়েও কথা বলেছেন। আবার অনেকে এমনও বলেছেন যে, তিনি এই মাপের কোনো অর্থনীতিবিদ, ব্যাংকার বা মুদ্রাবাজার বিশেষজ্ঞ নন যে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দায়িত্ব নিতে পারেন। একজন ব্যক্তির ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নামে গৃহীত ঋণখেলাপি হওয়া এবং তা পুনঃতফসিল করে নেওয়া দোষের কিছু নয়। আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে ব্যবসায়ীদের ক্ষেত্রে এটি একটি সাধারণ ঘটনা। তবে অবৈধভাবে ঋণগ্রহণ বা ঋণ কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িত থাকলে, সেটি ভিন্ন বিষয়। তবে এখন পর্যন্ত নতুন গভর্নরের ব্যাপারে আমরা সেরকম কিছু শুনিনি। দ্বিতীয়ত, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর একজন প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ বা মুদ্রাবাজার বিশেষজ্ঞ হওয়ার বিষয়টি দেশের অভ্যন্তরে যত না প্রাসঙ্গিক, তার চেয়ে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরকে আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এশিয়ান ভোলপমেন্ট ব্যাংক, ফিন্যান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্কফোর্স, ফেডারেল রিজার্ভসহ অন্যান্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, ব্যাসেল কমিটি, আইবিএস (ইন্টারন্যাশনাল ব্যাংক ফর সেটেলম্যান্ট) এবং এরকম অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান এবং সংস্থার প্রধান ও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে আলোচনা করতে হয় এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে হয়। এই ক্ষেত্রে খ্যাতিমান অর্থনীতিবিদ এবং মুদ্রাবাজার বিশেষজ্ঞ যদি গভর্নর হন, তাহলে তারা অবশ্যই একটা সুবিধাজনক অবস্থানে থাকেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের যোগ্যতা এবং সক্ষমতার বিষয়টিও একটি আপেক্ষিক ব্যাপার। অতীতে দেখা গেছে যে, অনেকেই উপযুক্ত যোগ্যতা এবং ভালো সক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও দায়িত্ব নিয়ে আর প্রত্যাশা অনুযায়ী ভূমিকা রাখতে পারেননি। যেমনÑ সদ্য বিদায়ী গভর্নর, যার যোগ্যতা এবং সক্ষমতা নিয়ে কোনো প্রশ্ন ছিল না কিন্তু পারফরম্যান্স হতাশাজনক। আবার অনেক দৃষ্টান্ত আছে যেখানে যোগ্যতা এবং সক্ষমতা কাগজে-কলমে সেভাবে না থাকলেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পেরেছেন। এখন নতুন গভর্নরকে প্রত্যাশিত ভূমিকা রেখে প্রমাণ করতে হবে যে, দেশের ব্যাংকিং খাত ও মুদ্রাবাজার সঠিকভাবে পরিচালনার জন্য কাগজে-কলমের যোগ্যতা এবং সক্ষমতা না থাকলেও চলে। 

এ কথা অনস্বীকার্য যে একটি দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নর হওয়ার যোগ্যতা কাগজে-কলমে যাই থাকুক না কেন, তাকে অবশ্যই আধুনিক ব্যাংকব্যবস্থা, মুদ্রানীতি এবং অর্থনীতি সম্পর্কে পর্যাপ্ত জ্ঞানের অধিকারী হতে হবে। শুধু তাত্ত্বিক জ্ঞান থাকলে চলবে না। প্রযুক্তি-নির্ভর ব্যাংকিং ব্যবস্থা, আধুনিক মুদ্রানীতি এবং অর্থনৈতিক তত্ত্বগুলো প্রয়োগ করার মতো দক্ষতা থাকা প্রয়োজন এবং এ ব্যাপারে যথেষ্ট পারদর্শী হতে হবে। তা ছাড়া বাংলাদেশ ব্যাংক আজ থেকে তিন দশক আগের অবস্থানে নেই, যখন দেশের অর্থনীতি ছিল খুব ছোট এবং মুদ্রাবাজারও ছিল খুবই ছোট পরিসরের। ফলে সে সময় বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যক্রম ছিল খুবই সীমিত এবং বলা চলে কিছু নিয়মিত বা রুটিন কাজের মধ্যেই বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নরের দায়িত্ব সীমাবদ্ধ ছিল। এখন অবস্থার আমূল পরিবর্তন হয়েছে। দেশের অর্থনীতির আকার অর্ধ-ট্রিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে অনেক আগেই এবং ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে পরিণত হতে চলেছে আগামী পাঁচ থেকে সাত বছরের মধ্যে, যদি যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত থাকে। ফলে এরকম একটি অর্থনীতিকে সহায়তা করার জন্য যে মাত্রার ব্যাংক ব্যবস্থা এবং মুদ্রাবাজারের প্রয়োজন, সেটা নিশ্চিত করতে গেলে গভর্নরের ভালো ভূমিকা রাখার প্রয়োজন আছে। বিশেষ করে, প্রযুক্তি-নির্ভর ব্যাংকব্যবস্থা, আধুনিক মুদ্রানীতি এবং অর্থনৈতিক টুলগুলো দক্ষতার সঙ্গে প্রয়োগ করার প্রয়োজন আছে, যেখানে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের গভর্নরের মুনশিয়ানার গুরুত্ত্ব সবচেয়ে বেশি। 

এ কথা বলার অপেক্ষা রাখে না যে, নতুন গভর্নর যখন দায়িত্ব নিয়েছেন, তখন সময় এবং পরিস্থিতি, কোনোটাই তার অনুকূলে নেই, বরং সবকিছু প্রতিকূলে। তার সামনে আছে অনেক চ্যালেঞ্জ, অগ্রাধিকারের বিষয় এবং উচ্চ প্রত্যাশা। প্রথম চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দেশের ব্যবসা এবং বিনিয়োগকে সহায়তা প্রদান এবং দেশের ব্যাংকিং খাতের সমস্যা দূর করার মতো বিপরীতমুখী কাজের মধ্যে সমন্বয় সাধন করা। এ দুটো কাজই কঠিন এবং এর একটি করতে গেলে, আরেকটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়, অথচ দুটোই করতে হবে। দ্বিতীয় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে পাহাড়সম খেলাপি ঋণ। অনেকের কাছেই খেলাপি ঋণ প্রধান সমস্যা হলেও আমি এটিকে প্রধান সমস্যা বলতে চাই না। প্রধান সমস্যা হচ্ছে ব্যাংকিং খাতের ঋণ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা এবং ঋণ পরিচালনা পদ্ধতিকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর করে নতুন খেলাপি ঋণ হওয়ার পথ বন্ধ করার উদ্যোগ। নতুনভাবে খেলাপি ঋণ হওয়ার পথ বন্ধ করেই খেলাপি ঋণ সমস্যা সমাধানে হাত দিতে হবে। তা না হলে ত্রিমুখী ট্রাফিক কোনো কাজে আসবে না। উল্লেখ্য, খেলাপি ঋণ একটি দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত সমস্যা, তাই দ্রুত সমাধানের কোনো পন্থা নেই। দীর্ঘ সময় নিয়ে বিস্তৃত পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে এই সমস্যা সমাধানের কাজে হাত দিতে হবে। এই বিষয় নিয়ে আমি অনেক লিখেছি, তাই এ ব্যাপারে নতুন করে কিছু বলার নেই। 

গভর্নরের সামনে আরও কিছু চ্যালেঞ্জ এবং অগ্রাধিকারের বিষয় আছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে; (১) মুদ্রানীতি সহজ করে সুদের হার হ্রাস করা, (২) ব্যাংকিং খাতকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে রূপান্তর, (৩) ব্যাংকে পরিচালনা পর্ষদ এবং সিনিয়র ব্যবস্থাপনার মধ্যে সুস্পষ্ট সীমারেখা নির্ধারণ করে সুশাসন নিশ্চিত করা, (৪) খেলাপি ঋণের বিষয়টি ভিন্নভাবে সমাধানের চেষ্টা করে ব্যবসায়ীদের ব্যাংকঋণের সুযোগ সহজ করে অর্থনীতিতে গতি সঞ্চারের উদ্যোগ, (৫) ব্যাংকারদের পেশাগত মান উন্নয়নের জন্য ব্যাংকগুলোকে বাধ্য করা, (৬) ডিপোজিট ইনস্যুরেন্স করপোরেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে আমানতকারীদের আস্থা ফেরানো, (৭) ব্যাংক মার্জারের উপযুক্ত বিকল্প কৌশল ব্যবহার করে দুর্বল বা খারাপ অবস্থায় থাকা ব্যাংকগুলোকে রক্ষা করা, (৮) হ্যাকিংয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ ব্যাংকের খোয়া যাওয়া অর্থ উদ্ধারের জন্য আমেরিকার আদালতে দায়ের করা মামলা গুরুত্ব দিয়ে চালিয়ে যাওয়া, (৯) দেশে একটি কার্যকর সেকেন্ডারি বন্ড মার্কেট প্রতিষ্ঠা করা, যাতে সরকারকে ব্যাংকঋণের ওপর নির্ভর করতে না হয়, এবং (১০) আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাংকিং খাতের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের উদ্যোগ নেওয়া, যাতে করে দেশের বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো করসপনডেন্ট ব্যাংকিং এবং কাউন্টারপার্টি লিমিট সুবিধা নিতে পারে। 

দেশের ব্যাংকিং খাত, মুদ্রাবাজার এবং অর্থনীতি যে পর্যায়ে আছে এবং নতুন গভর্নর যে অবস্থান থেকে এসে দায়িত্ব নিয়েছেন, তাতে সবচেয়ে ভালো হয় যদি তাকে সহায়তা করার জন্য একটি অ্যাডভাইজারি কমিটি গঠন করা যায়, যেখানে থাকবেন দুজন দক্ষ ও অভিজ্ঞ পেশাদার বাণিজ্যিক ব্যাংকার, একজন মুদ্রাবাজার বিশেষজ্ঞ, একজন আর্থিক খাতের বিশেষজ্ঞ, একজন ভালো অর্থনীতিবিদ, একজন আইটি এক্সপার্ট এবং বাণিজ্যিক আইনে পারদর্শী একজন ভালো আইনজীবী। বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর হিসেবে একজন ব্যবসায়ীর নিয়োগদান নিঃসন্দেহে সরকারের একটি ঐতিহাসিক উদ্যোগ। এখন নতুন গভর্নরের দায়িত্ব হচ্ছে সকল প্রকার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সফলভাবে দেশের ব্যাংকিং খাত এবং মুদ্রাবাজার পরিচালনা করে সেই ইতিহাস সৃষ্টি করা। 


নিরঞ্জন রায়
সার্টিফাইড অ্যান্টি-মানিলন্ডারিং স্পেশালিস্ট ও ব্যাংকার, টরনটো, কানাডা

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা