বিশ্লেষণ
ড. মো. আইনুল ইসলাম, অধ্যাপক, অর্থনীতি বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়
প্রকাশ : ১২ নভেম্বর ২০২৫ ১২:৪০ পিএম
কোনো দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা, মুদ্রানীতি পরিচালনা এবং আর্থিক খাতের শৃঙ্খলা রক্ষায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তবে এই ভূমিকা কার্যকরভাবে পালনের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকের একটি অপরিহার্য শর্ত হলো স্বাধীনতা। রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক কেন্দ্রীয় ব্যাংক একটি দেশের অর্থনৈতিক ভিত্তিকে সুদৃঢ় করে এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি করে। বর্তমান বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের স্বাধীনতা ও আর্থিক স্থিতিশীলতা একে অপরের পরিপূরক।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা, যা মূলত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ এবং অস্বচ্ছতার কারণে গভীর হয়েছে। এই ভঙ্গুরতার মূলে রয়েছে উচ্চ খেলাপি ঋণের হার এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের পরাধীনতাসৃষ্ট দুর্বল পরিচালনা ব্যবস্থা। বাংলাদেশে ২০০৯ সালে খেলাপি ঋণ ছিল ২২ হাজার কোটি টাকা। ২০২৪ সালের জুনে মোট খেলাপি ঋণের পরিমাণ দাঁড়ায় দুই লাখ এগারো হাজার কোটি টাকা। আর ২০২৫ সালের জুন নাগাদ খেলাপি ঋণ গিয়ে ঠেকেছে ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকায়। অর্থাৎ ১ বছরে খেলাপি ঋণ বেড়েছে রেকর্ড পরিমাণে ৩ লাখ ১৯ হাজার কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংক (বিবি) হিসাবে গত কয়েক মাসে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৩০ হাজার কোটি টাকা থেকে বেড়ে ৫ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। অর্থাৎ মোট ঋণের ৩৩ শতাংশরও বেশি খেলাপি হয়ে গেছে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর দেওয়া মোট ঋণের অর্ধেকটাই খেলাপি। এসব ছাড়াও সংবাদ মাধ্যম সূত্রে যখন আমানতকারীরা জানতে পারে, রাষ্ট্রমালিকানাধীন ৬ ব্যাংকের (সোনালী, অগ্রণী, জনতা, রূপালী, বেসিক ও বিডিবিএল) খেলাপি ঋণের পরিমাণ ১.৪৯ লাখ কোটি টাকা ছাড়িয়েছে, যার ৫৭ শতাংশই (৮৫,৪৪৪ কোটি) আটকে আছে শীর্ষ ১২০ খেলাপি গ্রাহকের কাছে এবং এসব ঋণ রাজনৈতিক বিবেচনায় বিতরণ হয়েছে, যেখানে প্রভাবশালী শিল্পপতি-ব্যবসায়ীরা যোগসাজশ বা হস্তক্ষেপ করে টাকা লুটপাট করেছে; তখন আমানতকারীদের মধ্যে কেমন ক্ষোভ-হতাশা ও অনাস্থা তৈরি হয়, তা যারা সরকারে বসে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণ করে, তাদের বোঝার ন্যূনতম ক্ষমতাই নেই। এর মধ্যে আবার ২০২৫ সালে মাত্র ৮,০৭৭ কোটি টাকা আদায়ের লক্ষ্য থাকলেও, ব্যাপক ধরপাকড় মহড়া-নাটক সত্ত্বেও যখন জানুয়ারি-জুন মাস পর্যন্ত মাত্র ১২৮ কোটি (১.৫৮ শতাংশ) টাকা উদ্ধার হয়, অর্থাৎ এই হারে আদায় হলে সম্পূর্ণ অর্থ উদ্ধারে লাগবে ৩৩৩ বছর; তখন জন-আস্থা পুনরায় অর্জন হবেÑ এমন আশা করা মূর্খের রাজ্যে বাস করা। কারণ, রাজনৈতিক পৃষ্ঠপোষকতা ও বাংলাদেশ ব্যাংকের চোখের সামনেই বিতরণকৃত এসব ঋণের অর্থ পুরোটাই সাধারণ আমানতকারীদের, যা ব্যাংকিং আস্থাকে ক্ষয় তো করছেই, অর্থনীতির ভিত্তিকেও প্রচণ্ড দুর্বল করে দিয়েছে। অর্থ লোপাটকারীরা শুধু আমানতকারীদেরই বিপদে ফেলেনি, দেশে মূল্যস্ফীতি এনে, মুদ্রার অবমূল্যায়ন ঘটিয়ে জনগণের মনোবলটাই অনেকটা ধসিয়ে দিয়েছে। এই অবস্থা থেকে নিস্তার পেতে হলে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ স্বাধীনতা অপরিহার্য। তবে স্বাধীনতা অর্জনের পথে রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তির অভাব এবং আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণের ঐতিহ্যগত প্রভাব চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করবে।
বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা মূলত রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ থেকে উদ্ভূত, যা ঋণ বিতরণ, নিয়োগ এবং নীতি নির্ধারণে প্রভাব ফেলে। উদাহরণস্বরূপ, রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ঋণ অনুমোদনের ফলে খেলাপি ঋণ বেড়েছে, যা ২০২৪ সালে ৩,৭৭৯.২২ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। এ ছাড়া, দুর্বল তদারকি এবং প্রভিশনিং শর্টফল (১৯২.৬১ বিলিয়ন টাকা) খাতকে আরও ঝুঁকিপূর্ণ করেছে। আন্তর্জাতিক রেটিং এজেন্সিগুলো যেমন ফিচ এবং মুডিস এই সমস্যাগুলোকে হাইলাইট করেছে, যা ব্যাংকগুলোর লিকুইডিটি এবং লাভজনকতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে। রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোতে এই সমস্যা আরও তীব্র, যেখানে রাজনৈতিক নিয়োগ এবং লুটপাটের অভিযোগ সাধারণ। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা খাতের ভঙ্গুরতা কমাতে অত্যাবশ্যক, কারণ এটি রাজনৈতিক চাপমুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সক্ষম করবে। আইএমএফ এবং ওয়ার্ল্ড ব্যাংকের সুপারিশ অনুসারে, স্বাধীনতা মূল্য স্থিতিশীলতা, ইনফ্লেশন নিয়ন্ত্রণ এবং আর্থিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে। বর্তমানে, ব্যাংকের স্বাধীনতা সীমিত, যা সুদের হার এবং এক্সচেঞ্জ রেটে হস্তক্ষেপের কারণ হয়েছে। ফলে ইনফ্লেশন দীর্ঘস্থায়ী হয়েছে। পূর্ণ স্বাধীনতা দিলে ব্যাংক প্রভাবশালীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে পারবে, যা জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধার করবে।
বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭২ অর্ডার সংশোধনের প্রস্তাব করেছে, যাতে গভর্নর নিয়োগে সার্চ কমিটি গঠন, বোর্ডে সরকারি প্রতিনিধিত্ব কমানো এবং মনিটারি পলিসি কমিটি (এমপিসি) গঠন অন্তর্ভুক্ত। এই সংস্কারগুলো রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ কমিয়ে পেশাদারত্ব বাড়াবে। তবে সফলতা নির্ভর করবে রাজনৈতিক সমর্থনের ওপর, যা অতীতে অভাব ছিল। ভারতের রিজার্ভ ব্যাংকের মতো মডেল অনুসরণ করে বাংলাদেশও স্থিতিশীলতা অর্জন করতে পারে। সরকারে বসে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওপর ছড়ি ঘোরানো নীতিনির্ধারকদের বোঝা উচিত, সবকিছুর একটা সীমা আছে। তাদের নজরদারিতেই ব্যাংকগুলো লুটপাট হয়েছে। ফলে বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাত বর্তমানে একটি গভীর খাদের মধ্যে পড়ে গেছে, যা দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে। এই খাতের ভঙ্গুরতা শুধু অর্থনৈতিক সূচকগুলোতে প্রতিফলিত নয়, বরং জনগণের আস্থা হ্রাস এবং বিনিয়োগের হ্রাসের মাধ্যমে সামাজিক-অর্থনৈতিক প্রভাব ফেলছে। যদিও এই ভঙ্গুরতার মূলে রয়েছে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ, দুর্বল নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, উচ্চ খেলাপি ঋণ এবং অপর্যাপ্ত প্রভিশনিং। তবে দোষের পুরোটাই গিয়ে পড়ছে, আমলাশ্রেণির ওপর। পড়ারই কথা, কারণ রাজনীতিবিদদের চুরির পথ তারাই দেখিয়েছে। এখন এসব সমস্যার সমাধানে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা অপরিহার্য, কারণ এটি রাজনৈতিক প্রভাবমুক্তভাবে মুদ্রানীতি পরিচালনা, তদারকি শক্তিশালীকরণ এবং আর্থিক সুশাসন নিশ্চিত করতে সক্ষম হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণ স্বাধীনতা কেন প্রয়োজন, তা ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা বিশ্লেষণ করলে কিছুটা অনুমান করা যাবে। এই ভঙ্গুরতা একটি দীর্ঘমেয়দি প্রক্রিয়ার ফল, যা ২০১০-এর দশক থেকে তীব্র হয়েছে। ২০১২ সালের চতুর্থ ত্রৈমাসিকে ৪২৭.২৫ বিলিয়ন টাকা থেকে ২০২৪ সালের দ্বিতীয় ত্রৈমাসিকে ১,৪৫৬.৩৩ বিলিয়ন টাকায় পৌঁছেছে। এই হার রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোতে সবচেয়ে উচ্চ, যেখানে ২০২৫ সালের মার্চ মাসে এটি ৪৫.৭৯ শতাংশে দাঁড়িয়েছে। খেলাপি ঋণের এই বৃদ্ধির পেছনে রয়েছে দুর্বৃত্ত পুঁজিবাদী মানসিকতানির্ভর রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ঋণ বিতরণ, যার মাধ্যমে প্রভাবশালী ব্যক্তি বা গ্রুপগুলো ঋণ নেয় কিন্তু ফেরত দেয় না। সরকার নানা ছলে তাদের আবার ঋণ দেয়, আবার লোপাট করে। এই সমস্যা শুধু আর্থিক ক্ষতি করে না, বরং ব্যাংকগুলোর ক্যাপিটাল অ্যাডেকুয়েসি রেশিওকে দুর্বল করে, যা বাসেল-৩ মানদণ্ড অনুসারে ১২.৫ শতাংশ হওয়া উচিত কিন্তু রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোতে বেশ নেগেটিভ বা খুব কম। ভঙ্গুরতার আরেকটি কারণ হলো লিকুইডিটি সংকট এবং লাভজনকতা হ্রাস। অতিরিক্ত লিকুইডিটি ২০২১ সালের জুন মাসে ২৩২ হাজার কোটি টাকা থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ১৬২ হাজার কোটি টাকায় নেমে এসেছে। ফলে মোট লিকুইড অ্যাসেটের শেয়ার ৫২ শতাংশ থেকে ৩৭ শতাংশে হ্রাস পেয়েছে। অ্যাডভান্স-ডিপোজিট রেশিও (এডিআর) ২০১৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ০.৭৩ থেকে ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে ০.৮৯-এ উঠেছে, যা নিয়ন্ত্রক সীমা ০.৮৭-এর ওপরে। এ ছাড়া নেগেটিভ রিয়েল ডিপোজিট রেট (-৪.৭ শতাংশ) আমানতকারীদের আস্থা কমাচ্ছে। রিটার্ন অন অ্যাসেটস (আরওএ) এবং রিটার্ন অন ইকুইটি-ও (আরওই) হ্রাস পেয়েছে, যা ব্যাংকগুলোর দুর্বল ব্যবস্থাপনার জয়গান নির্দেশ করে। আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) এই ভঙ্গুরতাকে রাষ্ট্রীয় ব্যাংকগুলোর উচ্চ ঝুঁকির সঙ্গে যুক্ত করেছে, যা অর্থনৈতিক সংকটকে আরও গভীর করেছে।
এই ভঙ্গুরতার পেছনে রাজনৈতিক হস্তক্ষেপের ভূমিকা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। বাংলাদেশ ব্যাংক ১৯৭২ অর্ডার অনুসারে স্বায়ত্তশাসিত হলেও, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ফিন্যান্সিয়াল ইনস্টিটিউশনস ডিভিশনের (এফআইডি) নিয়ন্ত্রণে রয়েছে, যা দ্বৈত শাসন সৃষ্টি করেছে। এর ফলে গভর্নর এবং বোর্ড সদস্যদের নিয়োগ রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত হয়, যা নীতি নির্ধারণে হস্তক্ষেপ ঘটায়। উদাহরণস্বরূপ, সুদের হার ক্যাপ (৯ শতাংশ লেন্ডিং, ৬ শতাংশ ডিপোজিট) ডাবল-ডিজিট ইনফ্লেশন সত্ত্বেও বজায় রাখা হয়েছে, যা রাজনৈতিকভাবে প্রভাবিত ঋণগ্রহীতাদের সুবিধা দিয়েছে কিন্তু সেভারদের ক্ষতি করেছে। এ ছাড়া, ২০১৩ সালে ৯টি নতুন ব্যাংকের লাইসেন্সিং রাজনৈতিক কারণে হয়েছে, যা খেলাপি ঋণ বাড়িয়েছে। এই হস্তক্ষেপ মূল্যস্ফীতি দীর্ঘায়িত করেছে এবং এক্সচেঞ্জ রেটকে অত্যধিক মূল্যায়িত রেখেছে, যা রপ্তানি প্রতিযোগিতা হ্রাস করেছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতা এই সমস্যাগুলোর সমাধানে মূল চাবিকাঠি। স্বাধীনতা বলতে বোঝায়Ñ প্রশাসনিক, অপারেশনাল এবং ফিন্যান্সিয়াল স্বায়ত্তশাসন, যা রাজনৈতিক চাপমুক্ত সিদ্ধান্ত গ্রহণ সক্ষম করবে। আইএমএফের সুপারিশ অনুসারে, স্বাধীনতা মূল্য স্থিতিশীলতা এবং আর্থিক সুশাসন নিশ্চিত করবে, যা বর্তমানে অভাব।
সামগ্রিকভাবে, ব্যাংকিং খাতের ভঙ্গুরতা শুধু আর্থিক নয়, বরং সামাজিক-রাজনৈতিকও। এটি দারিদ্র্য বৃদ্ধি, ক্যাপিটাল ফ্লাইট এবং ইনফ্লেশনের মাধ্যমে অর্থনীতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা এই চক্র ভাঙতে পারে, কারণ এটি দীর্ঘমেয়দি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে। আইএমএফের ৫.৫ বিলিয়ন ডলার লোন প্রোগ্রামের অংশ হিসেবে এই সংস্কারগুলো জরুরি, যা খাতকে আধুনিকীকরণ করবে। তবে, স্বাধীনতা অর্জনের জন্য শুধু আইনি পরিবর্তন নয়, রাজনৈতিক ইচ্ছাশক্তি এবং সুশাসনের সংস্কৃতি প্রয়োজন। মনে রাখতে হবে, রিজার্ভের বাড়বাড়ন্ত রূপ ও ব্যাংকের হাতে টাকা ফিরে আসার প্রবণতা দেখা গেলেও সত্যিকার অর্থে ভঙ্গুরতা ক্রমাগত বাড়ছে, এবং স্বাধীনতা ছাড়া এর সমাধান কঠিন। বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে সংস্কারের সফলতার ওপর, যা শুধু খাতকে শক্তিশালী করবে না, বরং দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে ত্বরান্বিত করবে।