× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

পুঁজিবাজার

বর্তমান পরিস্থিতি ও সংস্কারের রূপরেখা

ড. মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন

প্রকাশ : ২৬ অক্টোবর ২০২৫ ১০:১০ এএম

বর্তমান পরিস্থিতি ও সংস্কারের রূপরেখা

যেকোনো দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সূচক বা ইনডিকেটর হচ্ছে একটি দেশের পুঁজিবাজার বা ক্যাপিটাল মার্কেট। এই বাজার দীর্ঘমেয়াদে মূলধন সংগ্রহ থেকে শুরু করে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। তাই অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ প্রবণতা বিশ্লেষণে পুঁজিবাজারকে অর্থনীতির ব্যারোমিটার এবং প্রাণশক্তি বলা হয়। প্রাণশক্তি হিসেবে পুঁজিবাজার অর্থনীতিকে সচল রাখে আর অর্থনৈতিক ব্যারোমিটারের মাধ্যমে দেশের আর্থিক অবস্থা কতটা ভালো বা খারাপ, তা বোঝা যায়। একটি কার্যকর ও স্বচ্ছ পুঁজিবাজার দেশের শিল্পায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন ও সামাজিক অগ্রগতির অন্যতম নিয়ামক হতে পারে। তবে বাস্তবতা হচ্ছেÑ বাংলাদেশের বাজার কাঠামো নানা সমস্যায় জর্জরিত।

 বর্তমানে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়ে। যেখানে বাজারটি দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির চালিকাশক্তি হতে পারত, সেখানে এটি ভুগছে কাঠামোগত দুর্বলতা, স্বচ্ছ শাসনব্যবস্থার ঘাটতি ও বিনিয়োগকারীদের আস্থাহীনতায়। সাম্প্রতিক সময়ে বাজারে অস্থিরতা ও ক্রমাগত নিম্নমুখী প্রবণতা, রাজনৈতিক পটপরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জগুলো বিনিয়োগকারীদের বহুল কাঙ্ক্ষিত বাজার সংস্কারের প্রয়োজনীয়তাকে আরও জোরালোভাবে তুলে ধরেছে। 

বর্তমানে বাংলাদেশে পুঁজিবাজারের পারফরম্যান্স ও বিনিয়োগকারীদের আস্থা তলানিতে অবস্থান করছে। ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক ডিএসইএক্স এখন ৫০০০ পয়েন্টের কাছাকাছি ওঠানামা করছে। বিগত বছরগুলোর তুলনায় লেনদেনের মাত্রা ও বাজার মূলধন উভয়ই কমেছে। যেখানে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গড় দৈনিক লেনদেন ২০২৩ সালের আগের বছরের তুলনায় প্রায় ৪০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে। বাজার মূলধন ও জিডিপির অনুপাত কমে দাঁড়িয়েছে ১৭.৫৯ শতাংশে, যা অর্থনীতির তুলনায় পুঁজিবাজারের সংকুচিত অবস্থানকে নির্দেশ করে। নানা কারণে বাংলাদেশের পুঁজিবাজার এক গভীর সংকটকাল অতিক্রম করছে। বাজারে সুশাসনের ঘাটতি, আস্থার সংকট, প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কম অংশগ্রহণ এবং ব্যাংকিং খাতের দুর্বলতা বাজারের স্থিতিশীলতা ব্যাহত করছে। 

তাছাড়া অনিয়ন্ত্রিত ঋণপ্রবাহ, খেলাপি ঋণের লাগামহীন বৃদ্ধি এবং আর্থিক খাতে স্বচ্ছতার অভাব বিনিয়োগকারীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা সৃষ্টি করেছে। একই সঙ্গে মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সংকট, সুদের হার বৃদ্ধি এবং মুদ্রার মান পতনের মতো মাক্রোইকোনমিক অস্থিতিশীলতা বিনিয়োগ ঝুঁকি বহুগুণে বাড়িয়ে তুলেছে। রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ও নীতিগত অসামঞ্জস্য পুঁজিবাজারের প্রতি বিনিয়োগকারীদের আস্থা দুর্বল করেছে। তদুপরি করপোরেট বন্ড, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড, সুকুক এবং পরিবেশবান্ধব বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ সূচক প্রবর্তনের ঘাটতি বাজারে পণ্যবৈচিত্র্যের সীমাবদ্ধতা তৈরি করেছে। আধুনিক প্রযুক্তির বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), রোবো অ্যাডভাইজর এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির পর্যাপ্ত ব্যবহার না থাকায় বাজারের দক্ষতা এবং স্বচ্ছতা ব্যাহত হচ্ছে। পাশাপাশি বিদেশে অর্থ পাচার, মেধা পাচার এবং অনিয়ন্ত্রিত মাফিয়া ব্যবসা (যেমন জুয়া, ক্যাসিনো) ও অনিয়ন্ত্রিত রিয়েল এস্টেট ব্যবসা দেশের বৈধ অর্থনীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে, যার ছায়া পুঁজিবাজারেও পড়ছে।

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের উন্নয়নের জন্য স্বল্পমেয়াদি এবং দীর্ঘমেয়াদি সমাধান কার্যকরভাবে গ্রহণ করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একাধারে নীতি, কাঠামো ও আচরণগত সংস্কারে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন। যেমনÑ স্বল্পমেয়াদি (১-২ বছরের মধ্যে) সমাধানগুলোতে প্রথমে বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার জন্য নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর মধ্যে স্বচ্ছতা ও দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি তালিকাভুক্ত কোম্পানির নিরীক্ষা ও তথ্য প্রকাশের বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য বিনিয়োগ শিক্ষা কর্মসূচি চালু এবং একটি দ্রুত অভিযোগ নিষ্পত্তির ব্যবস্থা গড়ে তোলা দরকার। পণ্যের বৈচিত্র্য আনার জন্য, বিশেষ করে করপোরেট বন্ড এবং এসএমই প্লাটফর্ম উন্নয়নের মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পগুলোকে উৎসাহিত করতে হবে। পাশাপাশি বাজার অবকাঠামো আধুনিকীকরণ, সাইবার নিরাপত্তা শক্তিশালীকরণ এবং সঠিক আর্থিক তথ্য প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। পুঁজিবাজারে শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠার জন্য নীতিমালা সংস্কারের পাশাপাশি সহজীকৃত প্রক্রিয়া তৈরি করতে হবে।

দীর্ঘমেয়াদি (৩-১০ বছরের মধ্যে) সমাধান হিসেবে আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুসারে বিএসইসি ও পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা পুনর্গঠন করতে হবে। এ সময়ে পুঁজিবাজারের গভীরতা বৃদ্ধি এবং পণ্যের বৈচিত্র্য আনতে করপোরেট বন্ড, রিয়েল এস্টেট ইনভেস্টমেন্ট ট্রাস্ট, এক্সচেঞ্জ ট্রেডেড ফান্ড, সুকুক ও গ্রিন বন্ডের মতো আধুনিক আর্থিক পণ্য চালু করতে হবে। পাশাপাশি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ভিত্তিক রোবো অ্যাডভাইজর এবং ব্লকচেইন প্রযুক্তির মাধ্যমে লেনদেন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত ও স্বয়ংক্রিয় করতে হবে। দীর্ঘমেয়াদে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের উৎসাহিত করতে মিউচুয়াল ফান্ড, পেনশন ফান্ড ও ইনস্যুরেন্স কোম্পানিগুলোর অংশগ্রহণ বাড়ানোর জন্য কর সুবিধা এবং অন্যান্য প্রণোদনা প্রদান করতে হবে। এ ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে মুদ্রাস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ এবং ব্যাংকিং খাতের শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে হবে। এসব পরিকল্পনা বাস্তবায়নের মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আঞ্চলিকভাবে শক্তিশালী এবং বৈশ্বিক পরিসরে প্রতিযোগিতামূলক হিসেবে প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব হবে। এভাবে স্বল্পমেয়াদি ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার মাধ্যমে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের কাঠামো, পণ্য এবং অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা নিশ্চিত করা সম্ভব; যা দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির একটি শক্তিশালী ভিত্তি তৈরি করবে। 

বাংলাদেশের পুঁজিবাজার সংস্কারে আচরণগত দিকটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পুঁজিবাজারের দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন শুধু নীতিমালা ও কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে সম্ভব নয়, বরং বিনিয়োগকারীদের আচরণ, মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তন করাও একটি অপরিহার্য অংশ । এই পরিবর্তনকে নিশ্চিত করার জন্য বিভিন্ন স্তরে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। 

প্রথমত. বিনিয়োগকারীদের মনোভাব পরিবর্তন একটি বড় চ্যালেঞ্জ হতে পারে। বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক বিনিয়োগকারী তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে যুক্তিবাদী ও দীর্ঘমেয়াদি দৃষ্টিভঙ্গি থেকে বেশি অস্থিরতা ও একদিনের বা স্বল্পমেয়াদি মুনাফায় বেশি আগ্রহী। এই আচরণকে পরিবর্তন করতে আর্থিক শিক্ষার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। সবার মধ্যে বিনিয়োগ সংক্রান্ত সঠিক জ্ঞান প্রচার করা এবং দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের সুবিধাগুলো সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করা অত্যন্ত জরুরি। ফিন্যান্সিয়াল লিটারেসি ও ফিন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনের মতো বিষয়গুলোকে পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীরা শুধুমাত্র শর্টটার্ম লাভের প্রতি আকৃষ্ট না হয়ে পুঁজিবাজারে দীর্ঘমেয়াদি অংশগ্রহণের দিকে মনোনিবেশ করবে। 

দ্বিতীয়ত. নিয়ন্ত্রক সংস্থার আচরণগত দৃষ্টিভঙ্গি পরিবর্তনও জরুরি। বর্তমান পরিস্থিতিতে বিএসইসি এবং অন্যান্য নিয়ন্ত্রক সংস্থার মধ্যে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা কিছুটা কম এবং অনেক ক্ষেত্রে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ধীর। বাজারের শৃঙ্খলা এবং স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠা করার জন্য, নিয়ন্ত্রক সংস্থাগুলোর একটি উন্নত, যুগোপযোগী এবং কার্যকর আচরণিক কাঠামো গঠন করা উচিত। যেখানে বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষিত হবে এবং তাদের সিদ্ধান্তে স্বচ্ছতা আসবে। নিয়ন্ত্রকদের জন্য কাস্টমার সেন্ট্রিক মনোভাব ধারণ করে বাজারে অংশগ্রহণকারীদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

তৃতীয়ত. প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের আচরণে পরিবর্তন আনাও গুরুত্বপূর্ণ। প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীরা যেহেতু পুঁজিবাজারে বড় অংশগ্রহণকারী, সেহেতু তাদের বিনিয়োগের মানসিকতা ও কৌশলগুলো বাজারে এক ধরনের নেতৃত্ব দেয়। তাদের মধ্যে অনেক সময় বাজারের গতিপথকে প্রভাবিত করার প্রবণতা থাকে, যার কারণে বাজারে অস্থিরতা সৃষ্টি হয়। তাদের মাঝে সততা, স্বচ্ছতা এবং দীর্ঘমেয়াদি মূল্যবোধ তৈরি করা হলে পুঁজিবাজারে প্রাতিষ্ঠানিক বিশ্বাস ও আস্থা বৃদ্ধি পাবে।

এ ছাড়া বাজারে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি সুষ্ঠু ও পেশাদার আচরণ তৈরি করা জরুরি। অনেক সময় দেখা যায় যে, কিছু বিনিয়োগকারী বাজারে গুজব, অপরিণামদর্শী ব্যবসায়িক কৌশল এবং জুয়া প্রবণতার মতো আচরণ করে থাকেন। এ ধরনের আচরণকে বন্ধ করতে নিয়মিত পুঁজিবাজার সচেতনতা প্রচার এবং কঠোর শাস্তির বিধান রাখতে হবে। পুঁজিবাজারের অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে একটি সুষ্ঠু এবং সংগতিপূর্ণ আচরণ নিশ্চিত করতে প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি। যাহোক সার্বিকভাবে আচরণগত দিক থেকে সংস্কারের জন্য একটি মৌলিক পরিবর্তন প্রয়োজন যেখানে বিনিয়োগকারীরা শুধু মুনাফার জন্য নয়, বরং বাজারের সুস্থতা ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য কাজ করবেন। এই পরিবর্তনগুলো আনা গেলে পুঁজিবাজারের আস্থা বাড়বে এবং এটি দীর্ঘমেয়াদে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির অন্যতম শক্তিশালী হাতিয়ার হিসেবে গড়ে উঠবে। 

বাংলাদেশের পুঁজিবাজারের সংস্কার একটি বহুমাত্রিক এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া; যা শুধু কাঠামোগত পরিবর্তন নয়, বরং বিনিয়োগকারীদের আচরণ, নিয়ন্ত্রক সংস্থার কার্যক্রম এবং বাজারের প্রাতিষ্ঠানিক পরিবেশের ওপর ভিত্তি করে গঠন করতে হবে। স্বল্পমেয়াদি পদক্ষেপের মাধ্যমে দ্রুত বাজারে আস্থা ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অনুসরণ করে আধুনিক পণ্যের বিকাশ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আচরণগত দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন নিশ্চিত করা প্রয়োজন। নিয়ন্ত্রক সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং বাজারের অংশগ্রহণকারীদের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সঠিক নীতিমালা ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে বাংলাদেশের পুঁজিবাজারকে আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতামূলক করে তুলতে হবে। এই প্রক্রিয়ার সফল বাস্তবায়ন বাংলাদেশের অর্থনীতির টেকসই প্রবৃদ্ধির জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি স্থাপন করবে এবং পুঁজিবাজারকে একটি স্থিতিশীল, নিরাপদ ও লাভজনক বিনিয়োগ মাধ্যম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করবে।


ড. মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন

শিক্ষাবিদ ও পরিচালক, ইউএসটিসি রিসার্চ সেল

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা