× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

মব-হিংসা

বিচারহীনতায় রাজনৈতিক সংকট বাড়বে

এটিএম শামসুজ্জামান,সাংবাদিক

প্রকাশ : ১৯ আগস্ট ২০২৫ ১২:১৮ পিএম

বিচারহীনতায় রাজনৈতিক সংকট বাড়বে

বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা এখন আর শুধু দুর্নীতি, দারিদ্র্য বা শিক্ষার দুর্বলতাতেই সীমাবদ্ধনয়। এসব ছাপিয়ে ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ‘মব’। যা সামাজিক সংকটও। বিচারব্যবস্থার অবরুদ্ধতা, আইনের প্রতি অবিশ্বাস এবং রাজনৈতিক দলগুলোর স্বার্থসংশ্লিষ্ট চালচিত্র একে নিয়মিতভাবে পুষ্ট করে তুলছে। সহিংসতা, আইন হাতে তুলে নেওয়া, ব্যক্তিগত স্বার্থে শাস্তি কার্যকর করার মধ্য দিয়ে ফুটে উঠছে বিচারব্যবস্থার প্রতি সাধারণের অনাস্থা, আইন না মেনে চলার প্রবণতা। সবকিছুর পেছনে যে ভয়ানক সংস্কৃতি গড়ে উঠেছে। এর পেছনে রয়েছে রাজনৈতিক ক্ষমতার ছায়াতলে লালিত সেই বিচারহীনতার ইতিহাস। স্বাধীনতার পর থেকে বিচারহীনতা ও রাজনৈতিক স্বার্থের চক্রান্তে ‘মব’-কে ধীরে ধীরে প্রশ্রয় দেওয়া হয়েছে।

সম্প্রতি ঘটে যাওয়া গণপিটুনি ও লিঞ্চিংয়ের ঘটনা যেমনÑ ঢাবিতে মানসিক অসুস্থ তরুণ তফাজ্জল হোসেনের ভয়াবহ হত্যা (১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৪) এবং রাজশাহীতে অনেক নির্বিচারে গণপিটুনি, এসব ঘটনা কোনো সংযোজন মাত্র নয়, বরং স্পষ্ট নির্দেশ করে কীভাবে সৃষ্টি ও পরিকল্পিতভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে ‘মব’। ক্ষমতায়নের অন্তরালে সাধারণ মানুষের বিচারহীনতা, পুলিশ ও আদালতের প্রতি অবিশ্বাসÑ এই মনস্তাত্ত্বিক ঘাটতি মানুষকে ‘আত্মরক্ষায়’ জন্ম দেয়। সরকারের প্রতি বিশ্বাসের অভাবে এই অপরাধবোধহীনতা ‘বিচারহীনতার সংস্কৃতি’কে প্রতিষ্ঠা করেছে।

আইন ও সালিস কেন্দ্র (আসক)-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালে অন্তত ৮৭টি সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে ৩৯ জন নিহত, ২৬ জন স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়েছেন। এ ছাড়াও এইচআরএসএস HRSS রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০২৪-২৫ সালের প্রথম ৭ মাসে ১১৯ জন নিহত, ৭৪ জন আহত, মোট ১১৪টি মব-ঘটনা সংঘটিত হয়েছে; ২০২৪ সালে মোট ১৭৯ মৃত্যু এবং ২০১ ঘটনা ছিল, যা এই দশকের সর্বোচ্চ। মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন ও আসক-এর রিপোর্টে দেখা যায়, ২০২৪ সালে ১১৬ ঘটনা ঘটলেও ২০২৫-এর প্রথম তিন মাসে আরও ৩৩ জন নিহত ও ৯৩ জন আহত হয়েছে। দ্য ইকোমিক টাইমস-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিগত এক বছরে ৬৩৭ জন লিঞ্চিং-জনিত হত্যায় নিহত হয়েছে। 

গোপালগঞ্জ সংঘর্ষ (১৬ জুলাই ২০২৫)-এ অভিযোগ উঠেছিল প্র-হাসিনা গ্রুপ বা ছাত্র সংগঠন সরকারের বিরোধীদের ওপর হামলা চালায় এবং সংঘর্ষ ছড়িয়ে দেয়; এতে অন্তত ৫ জন নিহত এবং বৃহৎ বিপর্যয় হয়। অপারেশন ডেভিল হান্ট নামে ২০২৫ ফেব্রুয়ারি থেকে চলছে ব্যাপক গ্রেপ্তার অভিযান। এই অভিযানেও অনেকের অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রসূত ছিল, যা সামগ্রিকভাবে অবস্থার ভয়াল বাস্তবতা প্রতিফলিত করে। 

রিচার্ডগেডের-এর মতে ২০১৮-২০২৪-এর মধ্যে ডিজিটাল প্লাটফর্মগুলোর মাধ্যমে গুজব দ্বারা উদ্বুদ্ধ মব হামলার সংখ্যা বেড়ে যায়, ২০২৪ সালে সেই হার ৯৭ শাতাংশে পৌঁছে। ঢাকা ট্রিবিউন-এর বিশ্লেষণে বলা হয়, রাজনৈতিক ও সামাজিক গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে, গুট ফিলিং বিচার অগ্রাধিকার পায়; পুলিশের প্রতি ৭৯ শতাংশ মানুষ অবিশ্বাস পোষণ করে, ৯১ শতাংশ মব-পরিস্থিতিতে ‘আত্মরক্ষার’ নামে যোগ দেয়। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় সংঘর্ষ (১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫)-এ ছাত্র সংগঠনগুলো সংঘর্ষে লিপ্ত হয়; পুলিশ এবং বাহিনী রাজপথে বিঘ্ন ঘটায়; এটি যুব গ্যাং এবং রাজনৈতিক হিংসার মিশ্রণে ‘মব’ সংস্কৃতির একটি মূর্ত রূপ।

আন্তর্জাতিক, সাংবিধানিক ও জাতীয় আইনÑ যেমন, সংবিধান ৩১ ও ৩৫, প্যানাল কোট 1860,   কোড অব ক্রিমিন্যাল প্রসিডিউর ১৮৯৮, সাইবার সিকিউরিটি এক্ট- ২০২৩Ñ সবই বিদ্যমান; কিন্তু এর প্রয়োগ নেই, ফলে বিচারহীনতা লালন পায়। এসবের প্রতিবেশে, মানুষ মনে করেÑ ‘আইন নেই, তাই আমরা নিজেদের করে নেব’Ñ এটাই ‘মব’ সংস্কৃতির উৎপত্তি ও বিস্তৃতি।

মব-হত্যা, বিচারহীনতা ও সামাজিক গুজব প্রতিদিনের ঘটনার মতো হয়ে গেছে। সামাজিক মানসিকতায় এমন এক ধরনের ‘নৈতিক অচেতনতা’ জন্ম নিয়েছে যেখানে কেউ প্রতিবাদ করে না, বরং সুবিধার জন্য নিজেকে কেবল সহমত জানিয়ে রাখে। এই পরিস্থিতিতে মানুষ ‘আত্ম-প্রতিরক্ষা’ নামক মিথ্যা নিরাপত্তায় বেড়ে ওঠা মবকে বিচারক ও শাসক হিসেবে দেখে। এই ব্যাপারে মানুষের মানসিকতা বিপজ্জনক বিচারহীনতা, দুর্নীতি, অশান্তিতে তারা ‘সুখ’ মনে করে, অথচ সেটাই বিপদের সূচনা।

মবের উত্থান কোনো হঠাৎ ঘটে যাওয়া জনরোষ নয়। এটি একটি ‘রাষ্ট্রীয় নির্মাণপ্রকল্প’। শাসকগোষ্ঠীর অভ্যন্তরে ‘আইনের শাসন’ শব্দটি কেবল তখনই উচ্চারিত হয়, যখন তা নিজ স্বার্থে খাটে। রাজনীতিবিদরা বারবার বলে, ‘ওরা আমাদের কেউ নয়।’ অথচ বাস্তবে তাদের ছায়াতেই বেড়ে ওঠে এই সহিংসতা। তাদের ইন্ধনেই ‘মব’ ছদ্মবেশে রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে ওঠে প্রতিপক্ষ দমন, ভয় ছড়ানো এবং জনআস্থা ভাঙার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কেউ যখন মুখ খোলে, তখন তার ভাগ্যে জোটে ‘দল-নিরপেক্ষ মব’-এর বিচার। আর রাষ্ট্র? কেবল দাঁড়িয়ে থাকে দর্শকের ভূমিকায়। রাজনৈতিক দলগুলোর স্বার্থান্ধতা, বিচারব্যবস্থার নপুংসকতা এবং জনগণের নীরব সহমত। সব মিলেই এই দৈত্যকে পুষ্ট করছে। রাষ্ট্রযন্ত্র আর রাজনৈতিক দলগুলো এখন যেন এক যৌথ চুক্তিতে পৌঁছেছে : যত বিশৃঙ্খলা থাকবে, তত বেশি নিয়ন্ত্রণে থাকা যাবে।

২০০৮ সালের পর থেকে বাংলাদেশের মব-হিংসার ঘটনা ধারাবাহিকভাবে বেড়েছে। সরকারি তথ্য, মানবাধিকার সংস্থা ও মিডিয়া রিপোর্ট অনুযায়ী, ২০০৮-২০১২ সালের মধ্যে যেখানে মব-ঘটনার সংখ্যা সীমিত ছিল, পরবর্তী সময় ডিজিটাল মিডিয়ার বিস্তার, রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামাজিক অবহেলা এসব মিলিত হয়ে মব-ঘটনাকে বহুগুণে বৃদ্ধি দিয়েছে। অ্যামেনিস্টি ইন্টারন্যাশনাল-এর ২০১৫ সালের রিপোর্টে বলা হয়, ডিজিটাল মাধ্যমে গুজবের দ্রুত প্রসার মব-হিংসার জন্য বিশেষ ভূমিকা রেখেছে। এটি শুধু প্রযুক্তিগত পরিবর্তন নয়, বরং সামাজিক আস্থা ও নৈতিকতার সংকটকেও নির্দেশ করে।

বাংলাদেশে পুলিশের প্রতি জনমতের ৭৯% মানুষের অবিশ্বাস এবং মব-সংস্কৃতিতে ৯১% মানুষের ‘আত্মরক্ষা’ হিসেবে যুক্ত হওয়ার তথ্য বোঝায় যে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী সংস্থাগুলো জনগণের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার গতি ও স্বচ্ছতার অভাব মব-হিংসার ক্ষেত্রে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার অনুপস্থিতি নিশ্চিত করছে। ২০২৪-২৫ সালের ফাস্ট-ট্র্যাক কোর্টের কার্যক্রম থাকলেও মামলার মাত্র ১৫ শতাংশ রায় আসার তথ্য প্রমাণ করে যে, বিচারহীনতা মব-সংস্কৃতির অন্যতম পৃষ্ঠপোষক।

রাজনৈতিক দলগুলোর ‘মব’-কে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করার ঘটনা ক্রমশ প্রকট হয়েছে। নির্বাচনী সহিংসতা, বিরোধীদলীয় জনসমাবেশে হামলা, ভোট প্রভাবিত করার জন্য মব ব্যবহার ইত্যাদি বিভিন্ন প্রেক্ষাপটে দেখা গেছে রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণ ও প্রভাব বিস্তারে ‘মব’-এর অনৈতিক ব্যবহার। ঢাকা পুলিশের ২০২৫ সালের তথ্যে দেখা যায়, ১১,৩১৩ জন গ্রেপ্তার হলেও অনেক অভিযোগ রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রসূত। এটি ইঙ্গিত দেয় যে, ‘মব’-এর ব্যবহার বিচারহীনতা ও রাজনৈতিক স্বার্থের মিশ্রণে রাষ্ট্রীয় কাঠামোর অংশ হয়ে উঠেছে।

ডিজিটাল মিডিয়া যেমন তথ্যের দ্রুত সম্প্রসারণে সহায়ক, তেমনি মিথ্যা গুজব ছড়ানোর অন্যতম প্লাটফর্ম। বিশেষ করে ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ, টিকটক-এ গুজব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার ফলে মানুষ ‘চোর’, ‘দুর্বৃত্ত’ বা ‘রোগব্যাপক’ হিসেবে ভুল ব্যক্তি চিহ্নিত করে আক্রমণ চালায়। ‘বাংলাদেশ তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অধিদপ্তর’র রিপোর্ট অনুসারে ২০২৪ সালে মব-ঘটনার প্রায় ৯৭% ছিল গুজব-উদ্বুদ্ধ। সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অসচেতনতার পাশাপাশি ডিজিটাল মিডিয়ার অপ্রতুল নিয়ন্ত্রণ মব-হিংসার বিস্তারকে ত্বরান্বিত করেছে।

এ ছাড়া দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও সামাজিক বৈষম্য যুবসমাজকে সহজভাবে ‘মব’-এর অংশ হিসেবে প্রবাহিত করছে। কক্সবাজার বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫ সালের জরিপে ৭১.৫% যুবক মব-হিংসার বৃদ্ধি লক্ষ্য করছে এবং ৮০.২% ক্রমবর্ধমান অপরাধ ও অনিয়ম নিয়ে উদ্বিগ্ন। ২০২৫ সালের একটি সরকারি রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশের যুবসমাজের প্রায় ২০-২৫% বেকার। চাকরির অভাব ও দক্ষতার ঘাটতি যুবকদের জন্য সামাজিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা হিসেবে ‘মব’-এর প্রতি ঝোঁক তৈরি করে। অনেক যুবক পড়াশোনার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় বা গুণগতমানের শিক্ষা পায় না। দক্ষতা না থাকার কারণে সুষ্ঠু কর্মসংস্থানের সুযোগ পায় না। ফলে তারা সহজেই অপরাধমুখী গোষ্ঠীর শিকার হয়।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক নেতৃত্বের পক্ষ থেকে মব-ঘটনার ব্যাপারে সাধারণত ‘নীরবতা’ বা অগ্রাহ্য করার প্রবণতা লক্ষ করা যায়। এই নীরবতার কারণ ও পরিণতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজনৈতিক নেতারা জানেন যে, মব-সংস্কৃতির মাধ্যমে তারা তাদের ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে, বিরোধীদের ভয় দেখাতে পারবে। ফলে তারা এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় দৃশ্যত অগ্রাহ্যতা বা নীরবতা অবলম্বন করেন। মব-হিংসার ঘটনায় সরাসরি দায় স্বীকার করলে রাজনৈতিক সংকট বাড়বে। তাই নেতৃত্বের পক্ষ থেকে প্রায়শই এই বিষয়গুলো ‘অস্থিতিশীলতা’ বা ‘সামান্য কিছু ঘটনা’ বলে উপেক্ষা করা হয়। এ ছাড়া সরকার ও ক্ষমতাসীনরা সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার সংগঠনগুলোর সমালোচনা করে ও জোরদার কন্ট্রোলের মাধ্যমে সংবাদপত্র ও মিডিয়া ‘নীরব’ রাখতে চায়। এর ফলে সঠিক তথ্যের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং জনগণ যথাযথভাবে অবগত হয় না। আর আমরা, নাগরিকরা এই অসুস্থ সমাজব্যবস্থায় ঘুমিয়ে থাকা এক ‘চোখ বুঁজে থাকা সহবাসী’ মাত্র।

বাংলাদেশে এখন ‘মব’-এ বন্দি এক দলিলভিত্তিক দৈত্য, যাকে রাষ্ট্র ও রাজনীতি নির্মাণ করেছে, পুষ্ট করেছে এবং সাধারণ মানুষের নীরব সহমত তাকে শক্তিশালী করেছে। বিচারহীনতা, রাজনৈতিক স্বার্থপরতা, ডিজিটাল গুজব ও সামাজিক অসচেতনতা এই দৈত্যকে প্রাণ দিয়েছে। এখন দাবি করা হচ্ছে : রাজনৈতিক নেতাদের সত্যিকার দায়বোধ, বিচারব্যবস্থার কার্যকর পরিমার্জনা, প্রযুক্তির সঠিক নিয়ন্ত্রণ ও সর্বশেষে সচেতন নাগরিক সমাজের গঠন। যদি আমরা এখনই এ দানবের বিরুদ্ধে সোচ্চার না হই, তাহলে একদিন নিজেই এই দৈত্য আমাদের ওপর দাঁত বসিয়ে দেবে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা