অর্থনীতি
ড. মো. আইনুল ইসলাম
প্রকাশ : ০৮ জুলাই ২০২৫ ১৭:৩৬ পিএম
ড. মো. আইনুল ইসলাম
বিগত কয়েক বছরে উচ্চ মূল্যস্ফীতি, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে চাপ, বিনিময় হারের অস্থিরতা, বেসরকারি বিনিয়োগে ভাটা এবং রাজনৈতিক অনিশ্চয়তা মিলে একটি জটিল সংকটের জন্ম দিয়েছে, যার কেন্দ্রে রয়েছে সাধারণ মানুষের ক্রয়ক্ষমতার ক্রমাবনতি এবং সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের ধীরগতি। এই পরিস্থিতির গভীরে প্রবেশ করলে দেখা যাবে, ভোক্তার আয়ের তুলনায় জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি একটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যার জন্ম দিয়েছে, যা অর্থনীতির অন্যান্য ক্ষেত্রকেও মারাত্মকভাবে প্রভাবিত করছে। অর্থনৈতিক সূচক ও তাত্ত্বিক কাঠামোর বিশ্লেষণ বলছে, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক মন্দার একাধিক লক্ষণ প্রদর্শন করছে। কারিগরি দৃষ্টিকোণ থেকে বাংলাদেশ এখনও একটি ‘বৃদ্ধিমূলক মন্দা’ পর্যায়ে রয়েছে, অর্থাৎ পূর্ণমাত্রার সংকোচনে না হলেও তা খুব কাছাকাছিই আছে। প্রকৃত জিডিপি প্রবৃদ্ধি হ্রাস পেয়ে বিশ্বব্যাংকের মতে ৩.৩ শতাংশ বা সরকারি হিসাব অনুযায়ী ৩.৯৭ শতাংশে নেমে এসেছে, যা সংকটপূর্ব ৬-৭ শতাংশ গড় প্রবৃদ্ধির তুলনায় অনেক কম এবং একটি উচ্চ জনসংখ্যার অর্থনীতির জন্য প্রায় স্থবিরতার পর্যায়ে। পরপর দুই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হ্রাস (২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ যথাক্রমে ৪.২ ও ৩.৩ শতাংশ) পাওয়া ‘বৃদ্ধি মন্দা’র সংজ্ঞার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ, যেখানে প্রবৃদ্ধি অর্থনৈতিক সক্ষমতার তুলনায় অনেক নিচে অবস্থান করে এবং এর ফলে মাথাপিছু আয় স্থবির বা নিম্নমুখী হয়ে পড়ে।
২০২৫ জুন মাসের ২৫ তারিখের তথ্য-পরিসংখ্যান বলছে, বাংলাদেশে এখন ভোক্তা ব্যয় সংকোচন চলছে, যার মূল চলক দীর্ঘস্থায়ী উচ্চ মুদ্রাস্ফীতিÑ এটাই অর্থনৈতিক সংকটের কেন্দ্রবিন্দু। ২০২৫ সালের মে মাসেও সার্বিক মূল্যস্ফীতি ৯.০৫ শতাংশে অবস্থান করছে, যেখানে খাদ্য মূল্যস্ফীতি আরও উদ্বেগজনক ৯.৫৮ শতাংশ। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের এই লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি সরাসরি ভোক্তাদের ক্রয়ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে। গবেষণা প্রতিষ্ঠান পলিসি এক্সচেঞ্জের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, তিন বছর ধরে উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে, সঞ্চয় ভেঙে খরচ করতে বাধ্য হচ্ছে অনেকে। এর ফলে অভ্যন্তরীণ ভোগ চাহিদা মারাত্মকভাবে দুর্বল হয়ে পড়েছে। ভোক্তারা এখন বাধ্য হয়েই ব্যয় সংকোচনের পথ বেছে নিচ্ছেনÑ প্রয়োজনীয় পণ্যেও তারা কম দামি ব্র্যান্ড, ছোট প্যাকেট বা নিম্নমানের বিকল্প বেছে নিচ্ছেন। ক্রেতারা বড় প্যাকেটের বদলে ছোট প্যাকেট, দাম আগের মতো কিন্তু পরিমাণ কম এবং একটি কিনলে একটি ফ্রি কেনার প্রবণতা বেশি দেখাচ্ছেন, যা অর্থনৈতিক কষ্টের স্পষ্ট ইঙ্গিত। ভোক্তা ব্যয় সংকোচনের এই প্রবণতা অর্থনীতির প্রায় সব খাতেই ধস নামিয়ে এনেছে। খুচরা বাণিজ্যে গত কয়েক বছরের তুলনায় ভয়াবহ মন্দা চলছে, যা রাজধানীর প্রধান বাজারগুলোয় ক্রেতাসাধারণের উল্লেখযোগ্য হারে কম উপস্থিতিতে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে। বিশেষ করে পোশাক, গৃহস্থালি সামগ্রী, ইলেকট্রনিকস এবং ফাস্ট মুভিং কনজিউমার গুডস (এফএমসিজি) খাতে বিক্রি মারাত্মকভাবে কমে গেছে। ঈদের মতো বড় উৎসবেও বাজারে কাঙ্ক্ষিত জোয়ার দেখা যায়নি। রোজার ঈদে পোশাক বিক্রি গত বছরের তুলনায় প্রায় ৩০ হাজার কোটি টাকা কম ছিল। কোরবানির পশুর বাজারেও ধস ছিল, বছর তুলনায় পশু বিক্রি প্রায় ১৫ লাখ কম। ফলে খামারিদের ব্যাপক লোকসান হয়েছে। নির্মাণ খাতও এখন গভীর সংকটে।
ভোক্তাদের কাহিল এই অবস্থার শুরু মূলত ২০২২ সাল থেকে। সেই থেকে প্রায় সাড়ে তিন বছর ধরে বাংলাদেশের ভোক্তারা এক অস্বাভাবিক অর্থনৈতিক চাপের মধ্যে রয়েছে। এই পুরো সময় ধরে ভোক্তার মজুরি বৃদ্ধির হারের চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার বেশি মাত্রায় বেড়েছে, যা তাদের ক্রয়ক্ষমতাকে ক্রমাগত ক্ষয় করেছে। এমনকি নতুন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকেও এই ধারাবাহিকতার মধ্য দিয়ে যেতে হচ্ছে। বর্তমান সরকারের প্রথম দুই মাস, অর্থাৎ ২০২৪ সালের আগস্ট ও সেপ্টেম্বরেও আয়ের চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে টানা দুই বছর আট মাস ধরে মজুরির চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার বেশি থাকায় একদিকে ভোক্তাকে ঋণগ্রস্ত হতে হয়েছে, অন্যদিকে জীবনযাত্রার মানের সঙ্গে আপস করে খরচ কাটছাঁট করতে হয়েছে। খাদ্য, চিকিৎসা, শিক্ষা ও বিনোদন খাতে ভোক্তার খরচ কমে যাওয়ায় একদিকে যেমন ভোগ কমেছে, তেমনি এর প্রভাবে অর্থনীতিতে মন্দা আরও জেঁকে বসেছে, যা এখন নতুন সরকারের জন্য এক বড় চ্যালেঞ্জ। অর্থনৈতিক মন্দার এই প্রবণতা মূলত ২০১৮ সাল থেকেই প্রকট হতে থাকে। ২০২০ সালে করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণ শুরু হলে মন্দার প্রভাব আরও দৃশ্যমান হয়। ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে বৈশ্বিক মন্দা শুরু হলে অর্থনীতির বিভিন্ন সূচক আক্রান্ত হতে থাকে। প্রথমেই ডলার সংকটে বাড়তে থাকে দাম, যার প্রভাবে আসে রিজার্ভে সংকট। অর্থনৈতিক সংকটের প্রভাব তখনই ভোক্তার ওপর প্রকটভাবে পড়তে শুরু করে, যখন ভোক্তার আয়ের চেয়ে খরচ বেড়ে যায় বা ভোক্তার মজুরি বাড়ার চেয়ে মূল্যস্ফীতির হার বেশি বৃদ্ধি পায়। তখন ভোক্তা যা আয় করে, জীবিকা নির্বাহ করতে খরচ হয় আরও বেশি। ভোক্তা তখন আচমকা হোঁচট খায়। প্রথমে খরচ কমায়। এতেও সংসার খরচ সামাল দেওয়া না গেলে তখন আগের জমানো সঞ্চয়ে হাত দেয়। আয়ের চেয়ে খরচ বেশি অব্যাহত গতিতে চলতে থাকলে সঞ্চয় শেষ করে ঋণগ্রস্ত হওয়া শুরু করে। মন্দা আরও দীর্ঘায়িত হলে মানুষের খাদ্যগ্রহণ কমে যায়, পুষ্টির অভাব দেখা দেয়। পারচেজিং ম্যানেজার্স ইনডেক্স (পিএমআই) সূচক ৮.৮ পয়েন্ট কমে ৫২.৯ হয়েছে, যা গত অক্টোবরের পর সর্বনিম্ন। মার্চে এই সূচক ছিল ৬১.৯। অবশ্য গত মে মাসে দেশের অর্থনীতির বেশ কিছু খাতে গতি ফিরেছে, বিশেষ করে কৃষি উৎপাদন ও সেবা খাতে গতিশীলতা বেড়েছে। তবে নির্মাণ খাত স্থবির অবস্থায়ই রয়েছে। এছাড়া মে মাসে নতুন ব্যবসা সূচক এবং কর্মসংস্থান সূচক আবারও সংকোচনে ফিরে গেছে, যা ভবিষ্যতে অর্থনীতির গতিকে সীমিত করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। খেলাপি ঋণ বৃদ্ধির কারণে ব্যাংকগুলোর ঋণ বিতরণ সক্ষমতা কমে যাচ্ছে, যার ফলে বিনিয়োগ, উৎপাদন ও কর্মসংস্থানে নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। বিশেষ করে ছোট ও মাঝারি উদ্যোক্তারা ঋণের অভাবে সংকটে পড়ছেন। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে সরকার ব্যাংক খাত থেকে ১.০৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ নিতে চায়, যা তারল্য সংকটকে আরও বাড়াবে। এতে বেসরকারি খাতের জন্য ঋণের সুযোগ সংকুচিত হবে এবং সুদহার চড়াই থাকবে বলে আশঙ্কা অর্থনীতিবিদদের। তিন বছর ধরে অভ্যন্তরীণ চাহিদা অনেক দুর্বল, যার মূল কারণ দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ মূল্যস্ফীতি। ফলে মানুষের ক্রয়ক্ষমতা হ্রাস পেয়েছে, তারা সঞ্চয় ভেঙে খরচ করছে। রেমিট্যান্স প্রবাহেও বছরখানেক স্থবিরতা ছিল, যার ফলে রেমিট্যান্সনির্ভর ভোগ ব্যয় কমে যায়। সব মিলিয়ে দেশের অভ্যন্তরীণ ভোক্তা চাহিদা এখন দুর্বল। এই বাস্তবতায় নতুন বিনিয়োগ হচ্ছে না বললেই চলে। পদে পদে নানা জটিলতাÑ দুর্বল নীতিনির্ধারণ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও ধীরগতির বিচারব্যবস্থা এবং স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য অর্থনৈতিক পরিবেশের প্রচণ্ড অভাব। ফলে ২০২৩ সালে এফডিআই ছিল মাত্র ১.৩৯ বিলিয়ন ডলার, যা বছর বছর ক্রমাগত আরও কমেছে। সব মিলিয়ে স্বাধীনতার ৫৪ বছর পরেও এফডিআইর পরিমাণ জিডিপির মাত্র ২ শতাংশের কাছাকাছি।
বাংলাদেশ যে অর্থনৈতিক মন্দার প্রবল ঝুঁকিতে আছে, তা নানা উদ্যোগ সত্ত্বেও ব্যাংকিং খাতের গভীর সংকটেও স্পষ্ট। খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লাখ ২০ হাজার কোটি টাকা, যা মোট বিতরণকৃত ঋণের প্রায় ২৪.১৩ শতাংশ, যা সামনে আরও বাড়বে। খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের কড়াকড়ি নীতির কারণে ব্যাংকগুলোর তারল্য সংকট তীব্র হয়েছে, যা নতুন ঋণ প্রবাহে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের ওপর। বিশেষ করে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা প্রকট ঋণসংকটে ভুগছেন। বাংলাদেশে প্রায় ৭.৯ মিলিয়ন এসএসই প্রতিষ্ঠান জাতীয় অর্থনীতিতে ২৫ শতাংশ অবদান রাখে এবং ৪০ শতাংশ কর্মসংস্থান সৃষ্টি করে। অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ খাতটি প্রায় ২.৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অর্থায়ন ঘাটতির সম্মুখীন, যার মাত্র ১০ শতাংশ ব্যাংকিং খাত থেকে পূরণ হচ্ছে। এই ঋণসংকট সামগ্রিক অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির পথে বড় অন্তরায়। ২০২৫ সালের জুন মাসে বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ দুই বছর পর আবারও ৩০ বিলিয়ন ডলার অতিক্রম করার খবর কিছুটা স্বস্তি দিলেও, এই বৃদ্ধির প্রধান চালিকাশক্তি ছিল আইএমএফ, বিশ্বব্যাংক, এডিবি এবং জাইকা থেকে প্রাপ্ত ঋণের কিস্তি। আইএমএফ-এর ৪.৭ বিলিয়ন ডলারের ঋণ প্যাকেজের চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তি এবং অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগীর কাছ থেকে প্রাপ্ত ঋণই রিজার্ভের এই ঊর্ধ্বগতির মূল কারণ। রেমিট্যান্স প্রবাহ কিছুটা স্থিতিশীল থাকলেও, টাকার অবমূল্যায়ন (গত দুই বছরে ডলারের বিপরীতে প্রায় ৪০ শতাংশ) এবং আমদানি ব্যয় মেটানোই রিজার্ভের ওপর চাপ কমাতে মুখ্য ভূমিকা রাখেনি। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারাও স্বীকার করেছেন যে, এই রিজার্ভ বৃদ্ধি হঠাৎ অস্থিরতা সামাল দিতে সহায়ক হলেও, অর্থনীতির মৌলিক দুর্বলতা বিশেষ করে রপ্তানি আয় বাড়ানো এবং টেকসই এফডিআই আকর্ষণে এখনও বড় চ্যালেঞ্জ রয়ে গেছে।
বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলায় নীতিনির্ধারক পর্যায়ে একটি স্পষ্ট দ্বন্দ্ব লক্ষণীয়। একদিকে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নীতি সুদহার বাড়িয়েছে, অন্যদিকে সরকার আগামী অর্থবছরে ব্যাংকিং খাত থেকে ১.০৪ লাখ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে। এই দ্বন্দ্বে মনে হচ্ছে, নিয়ত সৎ হলেও নীতিনির্ধারকদের মধ্যে কোনো এক অনিশ্চয়তাবোধ কাজ করছে, যা তাদের ঐক্যবদ্ধ অবস্থান তৈরিতে বাধা তৈরি করছে। এই প্রবণতা দীর্ঘ হলে নিশ্চিতভাবেই ব্যাংকিং খাতের তারল্য সংকট আরও তীব্র হবে, সুদহার উচ্চ থাকবে এবং বেসরকারি খাতের জন্য ঋণপ্রাপ্তি আরও দুরূহ হয়ে উঠবে। অর্থাৎ মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির মধ্যে সমন্বয়ের অভাব প্রকট। এই সংকট থেকে উত্তরণের জন্য কেবল স্বল্পমেয়াদি ঋণনির্ভরতা নয়, গভীর কাঠামোগত সংস্কারও অপরিহার্য। এজন্য দুর্নীতি দমন ও সুশাসন নিশ্চিতকরণ, আইনের শাসন ও বিচার বিভাগের স্বচ্ছতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ পরিবেশের উন্নয়ন, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, একটি স্থিতিশীল ও পূর্বানুমানযোগ্য অর্থনৈতিক নীতি কাঠামো বাস্তবায়ন এবং সর্বোপরি রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে হবে। শিল্পনীতিতে রাষ্ট্রের ভূমিকা ও দায়বদ্ধতার স্বচ্ছ সীমারেখা নির্ধারণ করে একটি আধুনিক, বিনিয়োগবান্ধব এবং প্রতিযোগিতামূলক শিল্প পরিবেশ গড়ে তোলা জরুরি।