সম্পাদকীয়
সম্পাদকীয়
প্রকাশ : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ ১০:০৩ এএম
প্লাস্টিক শিল্পের কাঁচামাল পলিথিন। গ্রিক শব্দ ‘পলি’-এর অর্থ বহু বা অনেক। অর্থাৎ অনেকগুলো ইথিলিন এক বিশেষ পদ্ধতিতে একত্রিত হওয়ার যৌগই ‘পলিইথিলিন’। পলিইথিলিন ও তা থেকে তৈরি প্লাস্টিকপণ্যে হুমকির মুখে বিশ্ব। অপচনশীল এই যৌগের ভারে নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য। মাটি হারাচ্ছে তার উর্বরতা শক্তি। জার্মান রসায়নবিদ হান্স ফন পেখমান যে দুর্ঘটনাবশত পলিইথিলিন বা পলিথিন আবিষ্কার করেছিলেন, শতবর্ষ পেরিয়ে সেই পলিথিন এখন দুর্ভোগের প্রতিনাম হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়েই পলিথিন এখন উদ্বেগের কারণ। ১৮৯৮ সালে আবিষ্কারের পর থেকেই এই যৌগ হয়ে উঠেছে বিপদের বার্তাবাহী। আবিষ্কারের প্রথম দিন থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্ব প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন টন প্লাস্টিকের বর্জ্য উৎপাদন করেছে। এ তথ্য উইকিপিডিয়ার। এই বিপুল বর্জের মাঝে পুনর্ব্যবহার হয়েছে মাত্র ৯ শতাংশের। পলিথিনের এই বিপুল ক্ষতির ভার কমাতে শুরু থেকেই পরিবেশবাদীরা সোচ্চার। সরকারি পর্যায়ে যেমন পলিথিন নিষিদ্ধের কথা জোরেসোরে উচ্চারিত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ পর্যায়েও বেড়েছে সচেতনতা। কিন্তু তারপরও পলিথিনের ব্যবহার কমেইনি, বরং উত্তরোত্তর বাড়ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর সোচ্চার হয় পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের বিষয়ে। গত বছরের অক্টোবরে রাজধানীসহ দেশে সুপারশপগুলোতে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় পলিথিন ব্যাগের। ঘোষণা দেওয়া হয়, নভেম্বর থেকে বাজারে সব ধরনের পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ হবে। কিন্তু নিষিদ্ধের পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও অবস্থা এখনও তথৈবচ। ‘হাতে হাতে নিষিদ্ধ পলিথিন’ শিরোনামে ১ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিও যেন তারই সাক্ষ্যবহ।
কারণ ইতোমধ্যে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধও হয়েছে। নিষিদ্ধের পর সরকার একদিকে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করছে, অন্যদিকে নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানও পরিচালিত করছে। আমাদের প্রশ্ন, তারপরও নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন কীভাবে বাজারে থাকে? পলিথিন ব্যাগ তৈরির কারখানাগুলো কীভাবে এখনও সচল থাকে? কীভাবে পলিথিন ব্যাগ তৈরির কাঁচামাল এখনও আমদানি হয়? কেন নির্দেশনা জারির পর দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এর ব্যবহার বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়?
আইন করে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করায় বিশ্বে আমরাই প্রথম দেশ। ২০০২ সালে দেশে পলিব্যাগ নিষিদ্ধ করে আইন প্রণীত হয়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ক্ষতি বিবেচনায় পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, ব্যবহার, বিপণন ও বাজারজাতকরণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। কিন্তু আইন হলেও নিষিদ্ধ পলিথিন তার জৌলুস হারায়নি। বরং পলিথিনের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন চলছে দেদারছে। নিষিদ্ধ ঘোষিতের পরও পলিথিনের দৌরাত্ম্য কমেনি। কেন কমেনি? কারণ আমরা কাগজে-কলমে নিষিদ্ধ ঘোষণায় যতটা আন্তরিক, সেই আইন বাস্তবায়নে ততটা আন্তরিকতা দেখাইনি। ফলে ঘাটতি থেকেছে নজরদারিতে। আর এতেই পলিথিন তার শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি দেখাতে পারছে।
আমরা জানি প্লাস্টিক তথা পলিব্যাগ পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর। অথচ আমরা ব্যক্তিপর্যায়ে এর ব্যবহার কমাতে উদ্যোগী হইনি। ভরসা করে রয়েছি শুধু সরকারের ওপর। ভাবছি, সরকার নিষিদ্ধ করেছে, সরকারই এর বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু বাস্তবে জনসাধারণের সচেতনতা ও উদ্যোগ ছাড়া পলিথিনের ব্যবহার কমানো প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করি। পলিথিনের নিষিদ্ধের ক্ষেত্রে সরকারকে শুধু আইন প্রণয়ন করেই ক্ষান্ত দিলে হবে না, এজন্য প্রথমে প্রয়োজন পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ করা। কারখানাগুলোর শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে তাদের কর্মসংস্থানের পথ বন্ধ না হয়। পলিথিন তৈরির কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করতে হবে। যারা আইনের বাইরে গিয়ে পলিথিন তৈরির কাঁচামাল আমদানি করবে, তাদের আমদানির লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি প্রচলিত আইনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কেউ পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন করলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে বাড়াতে হবে ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতা। একসময় প্রতিটি মানুষই বাজার করার জন্য কাপড় বা চটের ব্যাগ ব্যবহার করত। কিন্তু পলিথিন সহজলভ্য হওয়ায় মানুষ তার অভ্যাসের পরিবর্তন করেছে। ফলে পলিথিনের ব্যাগ সেই স্থান দখল করেছে। ব্যক্তিপর্যায়ে পলিথিনের কুফল নিয়ে সচেতনতা তৈরি হলে কমে আসবে পলিথিনের ব্যবহার।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আজ শুধু বাজারের ব্যাগ হিসেবেই নয়, শুকনো খাবারের প্যাকেট হিসেবেও অপচনশীল প্লাস্টিকের মোড়কের ব্যবহার বেড়েছে। অপচনশীল এই প্লাস্টিকের প্যাকেট ও পলিব্যাগের কারণে পরিবেশ আজ মারাত্মক দূষণের শিকার। হারিয়ে যেতে বসেছে আমাদের জীববৈচিত্র্যও। প্লাস্টিক বর্জ্যে পুকুর, নদ-নদী, খাল-বিল, হাওরের পরিবেশ মারাত্মক দূষণের মুখে। যা একদিকে স্বাদুপানির দূষণে ভূমিকা রাখছে, আবার ধ্বংস করছে পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যও। পলিথিন খাল-বিল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়ে যত ছড়িয়ে পড়বে ততই ক্ষতি বাড়বে। মৎস্যসম্পদেরও ক্ষতি ডেকে আনবে। ঘাটতি দেখা দেবে প্রাকৃতিক খাবারেও।
শুধু কাগুজে আইন করে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না। এজন্য আমরা আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য বলি। সেই সঙ্গে পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ছাড়া অন্য সকল প্লাস্টিক যা কোনোভাবে নষ্ট করা যায় না, তা বাজারজাত করা থামতেও বলি। আমরা মনে করি, জনসচেতনতা তৈরির চেয়ে প্লাস্টিক উৎপাদন বন্ধের কাজটিই তুলনামূলক সহজ। প্লাস্টিক শিল্পের কাঁচামাল পলিথিন। গ্রিক শব্দ ‘পলি’-এর অর্থ বহু বা অনেক। অর্থাৎ অনেকগুলো ইথিলিন এক বিশেষ পদ্ধতিতে একত্রিত হওয়ার যৌগই ‘পলিইথিলিন’। পলিইথিলিন ও তা থেকে তৈরি প্লাস্টিকপণ্যে হুমকির মুখে বিশ্ব। অপচনশীল এই যৌগের ভারে নষ্ট হচ্ছে প্রাকৃতিক পরিবেশ। হারিয়ে যাচ্ছে জীববৈচিত্র্য। মাটি হারাচ্ছে তার উর্বরতা শক্তি। জার্মান রসায়নবিদ হান্স ফন পেখমান যে দুর্ঘটনাবশত পলিইথিলিন বা পলিথিন আবিষ্কার করেছিলেন, শতবর্ষ পেরিয়ে সেই পলিথিন এখন দুর্ভোগের প্রতিনাম হয়ে উঠেছে। বিশ্বজুড়েই পলিথিন এখন উদ্বেগের কারণ। ১৮৯৮ সালে আবিষ্কারের পর থেকেই এই যৌগ হয়ে উঠেছে বিপদের বার্তাবাহী। আবিষ্কারের প্রথম দিন থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত বিশ্ব প্রায় ৬.৩ বিলিয়ন টন প্লাস্টিকের বর্জ্য উৎপাদন করেছে। এ তথ্য উইকিপিডিয়ার। এই বিপুল বর্জের মাঝে পুনর্ব্যবহার হয়েছে মাত্র ৯ শতাংশের। পলিথিনের এই বিপুল ক্ষতির ভার কমাতে শুরু থেকেই পরিবেশবাদীরা সোচ্চার। সরকারি পর্যায়ে যেমন পলিথিন নিষিদ্ধের কথা জোরেসোরে উচ্চারিত হচ্ছে, তেমনি সাধারণ পর্যায়েও বেড়েছে সচেতনতা। কিন্তু তারপরও পলিথিনের ব্যবহার কমেইনি, বরং উত্তরোত্তর বাড়ছে।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ক্ষমতাগ্রহণের পর সোচ্চার হয় পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধের বিষয়ে। গত বছরের অক্টোবরে রাজধানীসহ দেশে সুপারশপগুলোতে ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয় পলিথিন ব্যাগের। ঘোষণা দেওয়া হয়, নভেম্বর থেকে বাজারে সব ধরনের পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ হবে। কিন্তু নিষিদ্ধের পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলেও অবস্থা এখনও তথৈবচ। ‘হাতে হাতে নিষিদ্ধ পলিথিন’ শিরোনামে ১ ফেব্রুয়ারি প্রতিদিনের বাংলাদেশে প্রকাশিত প্রতিবেদনটিও যেন তারই সাক্ষ্যবহ।
কারণ ইতোমধ্যে পলিথিনের ব্যবহার নিষিদ্ধও হয়েছে। নিষিদ্ধের পর সরকার একদিকে জনসচেতনতা সৃষ্টির জন্য কাজ করছে, অন্যদিকে নির্দেশনা অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে অভিযানও পরিচালিত করছে। আমাদের প্রশ্ন, তারপরও নিষিদ্ধ ঘোষিত পলিথিন কীভাবে বাজারে থাকে? পলিথিন ব্যাগ তৈরির কারখানাগুলো কীভাবে এখনও সচল থাকে? কীভাবে পলিথিন ব্যাগ তৈরির কাঁচামাল এখনও আমদানি হয়? কেন নির্দেশনা জারির পর দুই মাস পেরিয়ে গেলেও এর ব্যবহার বন্ধে কার্যকর উদ্যোগ দৃশ্যমান নয়?
আইন করে পলিথিন ব্যাগ নিষিদ্ধ করায় বিশ্বে আমরাই প্রথম দেশ। ২০০২ সালে দেশে পলিব্যাগ নিষিদ্ধ করে আইন প্রণীত হয়। পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্য ক্ষতি বিবেচনায় পলিথিন শপিং ব্যাগের উৎপাদন, ব্যবহার, বিপণন ও বাজারজাতকরণের ওপরও নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। কিন্তু আইন হলেও নিষিদ্ধ পলিথিন তার জৌলুস হারায়নি। বরং পলিথিনের উৎপাদন, আমদানি, বাজারজাতকরণ, বিক্রয়, বিক্রয়ের জন্য প্রদর্শন চলছে দেদারছে। নিষিদ্ধ ঘোষিতের পরও পলিথিনের দৌরাত্ম্য কমেনি। কেন কমেনি? কারণ আমরা কাগজে-কলমে নিষিদ্ধ ঘোষণায় যতটা আন্তরিক, সেই আইন বাস্তবায়নে ততটা আন্তরিকতা দেখাইনি। ফলে ঘাটতি থেকেছে নজরদারিতে। আর এতেই পলিথিন তার শনৈঃ শনৈঃ উন্নতি দেখাতে পারছে।
আমরা জানি প্লাস্টিক তথা পলিব্যাগ পরিবেশের জন্য কতটা ক্ষতিকর। অথচ আমরা ব্যক্তিপর্যায়ে এর ব্যবহার কমাতে উদ্যোগী হইনি। ভরসা করে রয়েছি শুধু সরকারের ওপর। ভাবছি, সরকার নিষিদ্ধ করেছে, সরকারই এর বাস্তবায়ন করবে। কিন্তু বাস্তবে জনসাধারণের সচেতনতা ও উদ্যোগ ছাড়া পলিথিনের ব্যবহার কমানো প্রায় অসম্ভব বলেই মনে করি। পলিথিনের নিষিদ্ধের ক্ষেত্রে সরকারকে শুধু আইন প্রণয়ন করেই ক্ষান্ত দিলে হবে না, এজন্য প্রথমে প্রয়োজন পলিথিনের উৎপাদন বন্ধ করা। কারখানাগুলোর শ্রমিকদের বিকল্প কাজের ব্যবস্থা করতে হবে। যাতে তাদের কর্মসংস্থানের পথ বন্ধ না হয়। পলিথিন তৈরির কাঁচামাল আমদানি বন্ধ করতে হবে। যারা আইনের বাইরে গিয়ে পলিথিন তৈরির কাঁচামাল আমদানি করবে, তাদের আমদানির লাইসেন্স বাতিলের পাশাপাশি প্রচলিত আইনে শাস্তি নিশ্চিত করতে হবে। আইনের ব্যত্যয় ঘটিয়ে কেউ পলিথিন ব্যাগ উৎপাদন করলে তাকেও শাস্তির আওতায় আনতে হবে। সেই সঙ্গে বাড়াতে হবে ব্যক্তিপর্যায়ে সচেতনতা। একসময় প্রতিটি মানুষই বাজার করার জন্য কাপড় বা চটের ব্যাগ ব্যবহার করত। কিন্তু পলিথিন সহজলভ্য হওয়ায় মানুষ তার অভ্যাসের পরিবর্তন করেছে। ফলে পলিথিনের ব্যাগ সেই স্থান দখল করেছে। ব্যক্তিপর্যায়ে পলিথিনের কুফল নিয়ে সচেতনতা তৈরি হলে কমে আসবে পলিথিনের ব্যবহার।
আমাদের দৈনন্দিন জীবনে আজ শুধু বাজারের ব্যাগ হিসেবেই নয়, শুকনো খাবারের প্যাকেট হিসেবেও অপচনশীল প্লাস্টিকের মোড়কের ব্যবহার বেড়েছে। অপচনশীল এই প্লাস্টিকের প্যাকেট ও পলিব্যাগের কারণে পরিবেশ আজ মারাত্মক দূষণের শিকার। হারিয়ে যেতে বসেছে আমাদের জীববৈচিত্র্যও। প্লাস্টিক বর্জ্যে পুকুর, নদ-নদী, খাল-বিল, হাওরের পরিবেশ মারাত্মক দূষণের মুখে। যা একদিকে স্বাদুপানির দূষণে ভূমিকা রাখছে, আবার ধ্বংস করছে পরিবেশ এবং জীববৈচিত্র্যও। পলিথিন খাল-বিল, নদ-নদী, হাওর-বাঁওড়ে যত ছড়িয়ে পড়বে ততই ক্ষতি বাড়বে। মৎস্যসম্পদেরও ক্ষতি ডেকে আনবে। ঘাটতি দেখা দেবে প্রাকৃতিক খাবারেও।
শুধু কাগুজে আইন করে প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধ করা যাবে না। এজন্য আমরা আইনের যথাযথ প্রয়োগের জন্য বলি। সেই সঙ্গে পুনর্ব্যবহারযোগ্য প্লাস্টিক ছাড়া অন্য সকল প্লাস্টিক যা কোনোভাবে নষ্ট করা যায় না, তা বাজারজাত করা থামতেও বলি। আমরা মনে করি, জনসচেতনতা তৈরির চেয়ে প্লাস্টিক উৎপাদন বন্ধের কাজটিই তুলনামূলক সহজ।