প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৯ মে ২০২৪ ১০:০৫ এএম
আপডেট : ২০ মে ২০২৪ ০৯:০৪ এএম
ছবি : বাবর আলীর সৌজন্যে
গত ১ এপ্রিল হিমালয়ের শীতিধার চূড়া জয়ের জন্য রওনা দিয়েছিলেন বাবর আলী। চূড়াটি বিশ্বের সর্বোচ্চ শৃঙ্গ মাউন্ট এভারেস্ট পর্বত। দীর্ঘ ১১ বছর প্রতীক্ষার পর সেখানে বাংলাদেশ সময় সকাল পৌনে ৯টায় লাল-সবুজ পতাকা উড়িয়েছেন বাবর। রবিবার (১৯ মে) বাংলাদেশ সময় ৮টা ৪৫ মিনিটে তিনি এভারেস্টের বেসক্যাম্পে পৌঁছান।
পেশায় চিকিৎসক বাবর আলী ২০১৪ সাল থেকে হিমালয় রেঞ্জের ১১টি উচ্চ শৃঙ্গ জয় করেছেন।

গত ১ এপ্রিল থেকে শুরু হয় তার মাউন্ট এভারেস্ট অভিযান। ১০ এপ্রিল এভারেস্টের বেস ক্যাম্পে পৌঁছান তিনি। ২৬ এপ্রিল বেস ক্যাম্প থেকে যাত্রা শুরু করে এভারেস্ট ক্যাম্প-২ এ পৌঁছালেও, পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিতে ফিরে আসেন তিনি। তারপর এভারেস্টের চূড়ায় ওঠার মতো উপযুক্ত আবহাওয়ার জন্য দীর্ঘ অপেক্ষা করতে হয়েছে বাবর আলীকে।

শেষ পর্যন্ত যাত্রা শুরু হয় গত ১৪ মে। এদিন তিনি দ্বিতীয় ক্যাম্পে, ১৮ মে তৃতীয় ক্যাম্পে এবং ১৯ মে ভোরে ক্যাম্প ফোরে পৌঁছান।

বেসক্যাম্প টিমের বরাতে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে এ তথ্য নিশ্চিত করে অভিযানের প্রধান সমন্বয়ক ফরহান জামান জানান, এখন বাবর আছেন ক্যাম্প-৪-এ নামার পথে। ওই ডেথ জোনে যোগাযোগ সম্ভব না। তাই অভিযানের ছবি পেতে সময় লাগবে।
ফরহান জামান বলেন, ‘আমরা ভীষণ আনন্দিত। কিন্তু ভুলে গেলে চলবে না আমাদের মূল লক্ষ্য কিন্তু শুধু এভারেস্ট নয়, লোৎসেও। তাই সবাই বাবর আলীর জন্য দোয়া করবেন।’

এ লোৎসেতে ইতোপূর্বে কোনো বাংলাদেশি সামিট করেননি এবং কোনো বাংলাদেশি একই অভিযানে দুটি আট হাজারি শৃঙ্গ চড়েননি। তাই লক্ষ্য পূরণে হলে বাবার আলী করবেন এ বিপজ্জনক খেলায় বাংলাদেশের ইতিহাসের এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা।

বাবর আলী আগে চার বাংলাদেশির পা পড়েছে মাউন্ট এভারেস্টের চূড়ায়। এর মধ্যে প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে ২০১০ সালে বিশ্বের সর্বোচ্চ এ পর্বতশৃঙ্গ জয় করেন মুসা ইব্রাহীম। এক বছর পর ২০১১ সালে দ্বিতীয় এভারেস্ট বিজয়ী হিসেবে নাম লেখান এমএ মুহিত।
পরের বছর ২০১২ সালে বাংলাদেশের প্রথম নারী হিসেবে এভারেস্ট আরোহণ করেন নিশাত মজুমদার। একই বছর সপ্তাহের ব্যবধানে সেখানে পা রাখেন আরেক বাংলাদেশি নারী ওয়াসফিয়া নাজরীন।