প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ০৩ নভেম্বর ২০২২ ১৭:৪২ পিএম
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ফাইল ছবি
বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে কীভাবে গণতন্ত্রের প্রবর্তক হয়েছেন সেটি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
বৃহস্পতিবার (৩ নভেম্বর) জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ আয়োজিত স্মরণ সভায় সভাপতির বক্তব্যের তিনি এমন প্রশ্ন তোলেন।
জিয়াউর রহমানের শাসন আমল আদালত অবৈধ ঘোষণা করেছে জানিয়ে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী বলেন, ‘অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে গঠন করা দলতো (বিএনপি), তাহলে অবৈধ। মিলিটারি ডিকটেটর একাধারে সেনাপ্রধান থেকে নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করা জিয়াউর রহমান কীভাবে গণতন্ত্রের প্রবর্তক হয়। আমাদের দেশের কিছু জ্ঞানীগুণি বুদ্ধিজীবী কীভাবে বলে জিয়াউর রহমান গণগন্ত্রের প্রবর্তক?’
পঁচাত্তরের ১৫ আগস্ট ও ৩ নভেম্বরের হত্যাকাণ্ডের জন্য জিয়াউর রহমান দায়ী ছিল জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, আদর্শ ও বিজয়কে নস্যাৎ করার জন্যই এই হত্যাকাণ্ড ঘটানো হয়। ৭৫-এর ১৫ আগস্টের হত্যাকাণ্ডের পর এটাকে একটা পরিবারের হত্যাকাণ্ড বোঝানোর চেষ্টা করে। কিন্তু ৩ নভেম্বর জেল হত্যাকাণ্ডের পর সবাই বুঝতে পারে, এটা সম্পূর্ণ রাজনৈতিক এবং আদর্শিক হত্যাকাণ্ড। সেটাই মানুষ উপলব্ধি করে।’
স্মরণ সভায় সূচনা বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ ছাড়া অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম, ইঞ্জিনিয়ার মোশারফ হোসেন, মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া, কেন্দ্রীয় কর্যনির্বাহী সদস্য পারভিন জামান কল্পনা, জাতীয় চার নেতার অন্যতম সৈয়দ নজরুল ইসলামের কন্যা সৈয়দা জাকিয়া নূর লিপি, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগ দক্ষিণের সভাপতি আবু হানিফ মন্নাফি, ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামী লীগের সভাপতি বজলুর রহমান প্রমুখ।
সভা পরিচালনা করেন আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ড. আবদুস সোবহান গোলাপ ও উপপ্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আমিনুল ইসলাম আমিন।
সভার শুরুতে মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদ, পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের সকল শহীদ, ৩ নভেম্বরের শহীদ, ২১ আগস্টের শহীদ ও গণতান্ত্রিক আন্দোলনে জীবন দেওয়া শহীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে এক মিনিট নিরবতা পালন করা হয়।