কূটনৈতিক প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ ১৭:১৬ পিএম
আপডেট : ২৭ জানুয়ারি ২০২৪ ১৮:১৭ পিএম
ফাইল ছবি
মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করায় দেশটি লাগোয়া বাংলাদেশ সীমান্তে সীমান্তরক্ষীরা সতর্ক রয়েছেন বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ।
শনিবার (২৭ জানুয়ারি) দুপুরে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি এ তথ্য জানান। এ দিন ব্রিটিশ পার্লামেন্টের পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।
পাঁচ দিনের সফরে শনিবার বাংলাদেশে এসেছে ব্রিটিশ পার্লামেন্টের ৫ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল। যুক্তরাজ্যের সাবেক টেক অ্যান্ড ডিজিটাল ইকোনমিবিষয়ক মন্ত্রী পল স্কলি এমপির নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের সংসদীয় প্রতিনিধিদলে রয়েছেন লেবার পার্টির এমপি বীরেন্দ্র শর্মা, নিল কোয়েল ও অ্যান্ড্রু ওয়েস্টার্ন।
প্রতিনিধিদলটিতে রয়েছেন হাউস অব কমন্সের বিরোধীদলীয় হুইপ ও সিনিয়র সংসদীয় সহকারী ডমিনিক মফিট, কুইন্স কমনওয়েলথ ট্রাস্টের উপদেষ্টা জিল্লুর হোসেন ও কানেক্টের সিইও ড. ইভেলিনা বানিয়ালিভা।
সফরের প্রথম দিন শনিবার পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদের সঙ্গে সৌজন্য বৈঠক করেন প্রতিনিধিদল।
বৈঠকের পর পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, মিয়ানমার সীমান্তে দীর্ঘদিন ধরেই উত্তেজনাকর পরিস্থিতি চলছে। তবে রাখাইন পরিস্থিতে সীমান্তে আমাদের সীমান্তরক্ষীরা সতর্ক রয়েছেন। মিয়ানমারে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনে নেতিবাচক প্রভাব রাখবে।
মন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিয়ে ব্রিটিশ পার্লামেন্ট সদস্যদের সঙ্গে কথা হয়েছে। রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনই সেখানকার একমাত্র সমাধান বলে তাদের জানিয়েছি। বাংলাদেশ আর একজন রোহিঙ্গাকেও আশ্রয় দেবে না। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গাদের সেখানে ফিরে যাওয়াই একমাত্র সমাধান। তারাও আমাদের সঙ্গে এ ব্যাপারে একমত। রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের পাশে আছে। আমরা মনে করি, রোহিঙ্গাদের ফেরাতে তাদের প্রচেষ্টা ও চাপ অব্যাহত থাকবে।
অন্য এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে দক্ষিণ আফ্রিকার করা মামলায় ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের নৃশংস গণহত্যা বন্ধের রায়কে আমরা স্বাগত জানাই। এই মামলা দক্ষিণ আফ্রিকাকে আমরা আগেই সমর্থন দিয়েছি।