প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ ১৮:২১ পিএম
আপডেট : ১৫ জানুয়ারি ২০২৪ ১৮:৪২ পিএম
সভা শেষে বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।
সোমবার (১৫ জানুয়ারি) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে এক বৈঠক হয়েছে।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ধারাবাহিক সরকারের চতুর্থ মেয়াদের প্রথম সভায় মিলিত হন মন্ত্রিসভার সদস্যরা। সভা শেষে বিকালে সচিবালয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আজকের বৈঠকে একটিমাত্র এজেন্ডা ছিল। সেটা হচ্ছে, সামনে জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন বসবে। অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দিয়ে থাকেন। নিয়ম অনুযায়ী, সেই ভাষণ মন্ত্রিসভায় অনুমোদিত হয়। আজকে সেই অনুমোদন হয়েছে।’
বৈঠকে আলোচিত বিভিন্ন প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘বৈঠকে মুদ্রাস্ফীতি এবং দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা নেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। বিশেষ করে, আগামী রোজার মাসে দ্রব্যমূল্য ও রোজা সংশ্লিষ্টপণ্যের সরবরাহ পরিস্থিতি যেন স্বাভাবিক থাকে সেই নির্দেশনা দিয়েছেন।’
মাহবুব হোসেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রণালয়গুলোকে বলেছেন, আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে যে নির্বাচনী ইশতিহার দেওয়া হয়েছে, সেটা অনুযায়ী সব মন্ত্রণালয় যেন কর্মপরিকল্পনা হাতে নেয়। কৃষি উৎপাদন যেন কোনো অবস্থায় ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর দিতে বলেছেন। কৃষিপণ্য সংরক্ষণাগার তৈরি করার নির্দেশনা দিয়েছেন।’
তিনি আরও জানান, ‘স্মার্ট বাংলাদেশের চারটি স্তম্ভ- স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট সোসাইটি, স্মার্ট ইকোনমি ও স্মার্ট গভর্নমেন্ট নিয়ে প্রধানমন্ত্রী কথা বলেছেন। যেই মন্ত্রণালয়ের যে অংশ এসব স্তম্ভের সঙ্গে জড়িত, তাদের সেই অনুযায়ী গুরুত্ব দিয়ে কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করতে বলেছেন।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘এ ছাড়া বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প যেগুলো শেষ পর্যায়ে সেগুলো দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছেন। নতুন প্রকল্প নেওয়ার আগে সেটা কীভাবে জনগণের কল্যাণে লাগবে সেটা ভালোভাবে পরীক্ষা করতে বলেছেন। সরকারি ক্রয়ের ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবহিদিতার কথা বলেছেন। দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। সামাজিক নিরাপত্তা প্রকল্পগুলো যেন প্রকৃত মানুষরা পায় সেই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলেছেন। নারী উন্নয়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণে ও নতুন বাজার অনুসন্ধানের নির্দেশনা দিয়েছেন। রপ্তানি বাড়ানোর জন্য চামড়া ও চামড়াজাত, পাট ও পাটজাত এবং কৃষিজাত পণ্যকে অগ্রাধিকার দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। এগুলোকে প্রয়োজনে পোশাক খাতের মতো সহায়তা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছেন। আইসিটি শিক্ষাকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছেন যাতে করে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়। যুবসমাজ খেলাধুলার পরিবেশ সৃষ্টির দিকে নজর দেওয়ার কথা বলেছেন। অগ্নিসন্ত্রাস ও নাশকতাকে সমন্বিতভাবে মোকাবিলা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।’