একশনএইডের মতবিনিময় সভায় বক্তারা
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:০০ পিএম
আপডেট : ১৪ ডিসেম্বর ২০২৩ ১৭:০৫ পিএম
রাষ্ট্রীয় আইন বা নীতিমালা প্রণয়ন, সংশোধন, সংযোজন, বিয়োজন বা নতুন আইন বা নীতিমালা তৈরির ক্ষেত্রে খসড়া প্রস্ততকালে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদেরকে (সিএসও) অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। এতে করে সামাজিক চ্যালেঞ্জসমূহ মোকাবিলা করা অনেক সহজ হয়ে ওঠে। নাগরিক সমাজ সংগঠনের অ্যাডভোকেসি কার্যক্রম পরিচালনা, সচেতনতামূলক প্রচারণা একে অন্যের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের মাধ্যম তৈরি করে এবং রাষ্ট্রের উন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখে।
কুষ্টিয়া, ঢাকা, সাতক্ষীরা, বান্দরবান এবং নওগাঁ জেলায় পাঁচটি মতবিনিময় সভায় উপস্থিত নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা এসব কথা বলেন। বিভিন্ন সময় সভাগুলো অনুষ্ঠিত হয়েছে।
একশনএইড বাংলাদেশ ইউরোপীয়ান কমিশনের সহ-অর্থায়নে ‘সুশীল: সাপোর্টিং দ্যা ইউনিটি এন্ড সাসটেইনেবিলিটি অব সিভিল সোসাইটি অর্গানাইজেশনস (সিএসওস) টু আপহোল্ড হিউম্যান রাইটস, ন্যাশনাল ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড রুল অব ল ইন বাংলাদেশ’ প্রকল্পের জেলা পর্যায়ে মতবিনিময়ের আয়োজ করা হয়। এসব সেশনে মোট ১৬৯ জন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।
২০২৩ সালের শুরু থেকে ঢাকা, কুড়িগ্রাম, গাইবান্ধা, নওগাঁ, কুষ্টিয়া, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, বান্দরবানসহ মোট ৯টি জেলায় এই প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে। চলবে ২০২৬ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ে নাগরিক সমাজ সংগঠনসমূহের মধ্যে আরও দক্ষতা ও সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘সুশীল’ প্রকল্পটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
ঢাকা, নঁওগা, কুষ্টিয়া, বান্দরবন এবং সাতক্ষীরা জেলার কর্ম এলাকায় সিএসওরা নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশু অধিকার এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ, মানবাধিকার, ভূমি অধিকার, স্বাস্থ্য সেবা, শিক্ষা, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়, আদিবাসী ও প্রতিবন্ধী ব্যক্তির অধিকার সুরক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে কাজ করছে।
ঢাকার সেফটি অ্যান্ড রাইটস সোসাইটি সংস্থার এক প্রতিনিধি বলেন, নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা, শিশু অধিকার এবং লিঙ্গ বৈষম্য দূরীকরণ নিয়ে আমরা দীর্ঘদিন ধরে কাজ করে আসছি। চাহিদার সঙ্গে সরকার বিভিন্ন সময়ে নারী অধিকার প্রতিষ্ঠা ও সহিংসতা প্রতিরোধে বিভিন্ন নীতি ও আইন প্রণয়ন করে থাকে। আমাদের যদি এই সকল নীতি তৈরির প্রক্রিয়ার সাথে যুক্ত করা হয় তবে আমাদের কাজ করার অভিজ্ঞতা তুলে ধরতে পারি এবং বাস্তবিক প্রয়োগের ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতাগুলো শেয়ার করতে পারি।
এছাড়ও একশনএইড বাংলাদেশের পক্ষ থেকে রাষ্ট্রীয় আইনের খসড়া প্রস্তুতকালে নাগরিক সমাজকে অন্তর্ভুক্তিকরণের জন্য জাতীয় মানবাধিকার কমিশন, নারী ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আবেদনপত্র জমা দেওয়া হয়েছে।