প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৩ জুন ২০২৩ ২৩:৫৭ পিএম
আপডেট : ১৪ জুন ২০২৩ ১১:১২ এএম
ছবি : সংগৃহীত
আজ ১৪ জুন বিশ্ব রক্তদাতা দিবস। নিরাপদ রক্ত নিশ্চিতকরণ ও স্বেচ্ছা রক্তদাতাদের উৎসাহ দিতে ২০০৪ সালে প্রথম দিবসটি পালিত হয়। এবার দিবসটির প্রতিপাদ্য ‘রক্ত দান করুন, দান করুন প্লাজমা, যতবার সম্ভব গ্রহণ করুন জীবন বাঁচানোর অনন্য সুযোগ’।
আন্তর্জাতিকভাবে এ বছর দিবসটির বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠানের আয়োজক দেশ আলজেরিয়া। দেশেও নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হবে দিবসটি।
দেশে বিপুল পরিমাণ রক্তের চাহিদা রয়েছে। রক্ত চাহিদার একটা বড় অংশের গ্রহীতা থ্যালাসেমিয়া রোগীরা। হেমাটোলজি সোসাইটি অব বাংলাদেশ সূত্রে জানা যায়, দেশে থ্যালাসেমিয়া রোগীর সংখ্যা প্রায় ৮০ হাজার। থ্যালাসেমিয়ার বাহক রয়েছে ১ কোটি ৭০ লাখের বেশি মানুষ। দিন দিন এ সংখ্যা বাড়ছে। একজন থ্যালাসেমিয়া রোগীর প্রতি মাসে ১ থেকে ৩ ব্যাগ রক্তের প্রয়োজন হয়। থ্যালাসেমিয়া ছাড়াও রক্তস্বল্পতা, প্রসূতির রক্তক্ষরণ, অগ্নিদগ্ধ রোগী, বড় অপারেশন, দুর্ঘটনা ইত্যাদি কারণে রক্তের প্রয়োজন হয়। রক্তের এ চাহিদা পূরণে নতুন স্বেচ্ছা রক্তদাতার কোনো বিকল্প নেই। সাধারণত ১৮ থেকে ৬০ বছর বয়সি যেকোনো শারীরিক ও মানসিকভাবে সুস্থ সক্ষম ব্যক্তি প্রতি চার মাস পরপর রক্ত দিতে পারেন।
দেশে প্রতি বছর প্রায় ৮ থেকে ১০ লাখ ব্যাগ রক্ত ও রক্ত উপাদানের চাহিদা রয়েছে। এই বিপুল চাহিদার জোগান দিতে গড়ে উঠেছে বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান। এর একটি হচ্ছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন। বছরে লক্ষাধিক ব্যাগ রক্ত সরবরাহ করে সংগঠনটি। ২০০০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে দুই দশকের যাত্রায় কোয়ান্টাম গড়ে তুলেছে ৪ লাখ ৭৪ হাজার স্বেচ্ছা রক্তদাতার সুসংগঠিত ডোনার পুল। আর জীবন বাঁচানোর জন্য এ পর্যন্ত সরবরাহ করেছে ১৫ লক্ষাধিক ইউনিট রক্ত ও রক্ত উপাদান।
দিবসটি উপলক্ষে আজ বুধবার বিকালে রাজধানীর কাকরাইলের আইডিইবি ভবনে ২ শতাধিক স্বেচ্ছা রক্তদাতা ও ২ শতাধিক থ্যালাসেমিক রক্তগ্রহীতার মিলনমেলা এবং বিশেষ সেমিনারের আয়োজন করেছে কোয়ান্টাম ফাউন্ডেশন।