আইনের খসড়া অনুমোদন
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১০ এপ্রিল ২০২৩ ১৭:৪৯ পিএম
আপডেট : ১০ এপ্রিল ২০২৩ ২১:৪১ পিএম
সোমবার জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠক। ছবি : ফোকাস বাংলা
কোনো ব্যক্তি সরকার নির্ধারিত পরিমাণের চেয়ে বেশি খাদ্যদ্রব্য মজুদ করলে বা মজুদসংক্রান্ত সরকারের নির্দেশনা অমান্য করলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রেখে আইনের খসড়া অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা। সোমবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনের মন্ত্রিপরিষদ কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণনে আইন ভঙ্গ করলে বা অনিয়ম করলে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড গুনতে হবে। এমন বিধান রেখে ‘খাদ্যদ্রব্য উৎপাদন, মজুদ, স্থানান্তর, পরিবহন, সরবরাহ, বিতরণ ও বিপণন (ক্ষতিকর কার্যক্রম প্রতিরোধ) আইন, ২০২৩’–এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয় মন্ত্রিসভা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন। বৈঠকের পর সচিবালয়ে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন।
তিনি বলেন, ‘এই আইনে বাজারে অনিরাপদ বা ভেজাল খাদ্যদ্রব্য সরবরাহ করলে অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান রাখা হয়েছে। এই আইন কেউ ভঙ্গ করলে তার ভ্রাম্যমাণ ও নিরাপদ খাদ্য আদালতে শাস্তি হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘খাদ্যদ্রব্যে অস্বাভাবিক কোনো কিছু মেশানো, কৃত্রিম সংকটের জন্য মজুদ করা, বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কম দেওয়া হলে সব অপরাধের জন্য এই রকম শাস্তি দেওয়া হবে। এর আগে গত বছর এপ্রিলে আইনটি মন্ত্রিসভায় উত্থাপন করলে নীতিগত অনুমোদন দেওয়া হয়।’
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘প্রস্তাবিত আইনের খসড়াটি আগের দুটি আইনের সমন্বয় করে তৈরি করা হয়েছে। আইনে ২০টি ধারা রয়েছে। কেউ যদি খাদ্যে ভেজাল করেন, তাহলে এ আইনে দুই বছরের কারাদণ্ড বা ১০ লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের কথা বলা হয়েছে।’
আইনের খসড়ার কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ সচিব আরও বলেন, ‘কেউ আইন লঙ্ঘন করে খাদ্যদ্রব্য মজুদ করলে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড প্রদানের এখতিয়ার দেওয়া হয়েছে আদালতকে। এ ছাড়া প্রস্তাবিত আইনে দানাদার খাদ্য উৎপাদন ও বিপণনে অনিয়ম করলে বিভিন্ন মেয়াদে শাস্তির বিধানের কথা বলা হয়েছে।’