× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ জাতীয় রাজনীতি সারা দেশ আন্তর্জাতিক অর্থনীতি খেলা বিনোদন মতামত চাকরি-ক্যারিয়ার শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

তীব্র বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন

প্রবা প্রতিবেদক

প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে

‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ক্রমেই দেশব্যাপী গণআন্দোলনের রূপ নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় ৫ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। কোলাজ: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ক্রমেই দেশব্যাপী গণআন্দোলনের রূপ নেয়। সেই ধারাবাহিকতায় ৫ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন। কোলাজ: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

২০২৪ সালের জুলাই স্বাধীনতা-পরবর্তী বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একটি তাৎপর্যপূর্ণ অধ্যায়।

সরকারি চাকরিতে কোটাব্যবস্থা পুনর্বহালের বিরুদ্ধে গড়ে ওঠা ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ক্রমেই দেশব্যাপী গণআন্দোলনের রূপ নেয়।

সেই ধারাবাহিকতায় ৫ জুলাই আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হয়। 

সেদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা অবস্থান কর্মসূচি, বিক্ষোভ, সমাবেশ এবং সড়ক অবরোধ পালন করেন। 

আন্দোলনের বিস্তৃতি বাড়তে থাকায় শিক্ষার্থীরা ৭ জুলাই থেকে ক্লাস ও পরীক্ষা বর্জনের ঘোষণাও দেন। 

ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়, হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরাও একযোগে কর্মসূচিতে অংশ নেন।

আন্দোলনের প্রতি সেদিন সংহতি জানায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনপিপন্থি শিক্ষকদের সংগঠন ‘সাদা দল’। 

সংগঠনের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. লুৎফর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমান খান এবং অধ্যাপক আবদুস সালাম স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২০১৮ সালের কোটা বাতিলসংক্রান্ত সরকারি পরিপত্রের অংশবিশেষ অবৈধ ঘোষণা করে হাইকোর্টের রায়ে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। 

একইসঙ্গে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে চলমান শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলনের প্রতি সমর্থন জানানো হয়।

আন্দোলনের সূত্রপাত ঘটে ৫ জুন, যখন সরকারি চাকরির ৯ম থেকে ১৩তম গ্রেডে মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলসংক্রান্ত ২০১৮ সালের সরকারি পরিপত্র অবৈধ ঘোষণা করে রায় দেন হাইকোর্ট।

ওই রায়ের পরই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রতিবাদ শুরু হয়। 

পরে ৯ জুন শিক্ষার্থীরা নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করে ৩০ জুনের মধ্যে দাবি বাস্তবায়নের আল্টিমেটাম দেন।

একই দাবিতে আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ে চট্টগ্রাম ও বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন শিক্ষাঙ্গনে।

জুলাইজুড়ে আন্দোলন ধাপে ধাপে ছাত্র-জনতার বৃহত্তর গণআন্দোলনে রূপ নেয়। 

‘চাইতে গেলাম অধিকার, হয়ে গেলাম রাজাকার’ এবং ‘লাখো শহিদের রক্তে কেনা, দেশটা কারও বাপের না’Ñ এমন স্লোগান জনমনে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

পরবর্তী ঘটনাপ্রবাহে আগস্টে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটে, যা বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসে একটি গুরুত্বপূর্ণ মোড় হিসেবে বিবেচিত হয়।

শেয়ার করুন-

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা