প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
‘দৈনিক আমার কাগজ’ এর ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতন্ত্র, আইনের শাসন ও স্বাধীন গণমাধ্যমের বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন এক সেমনিারের বক্তারা।
তাদের মতে, আইনের শাসন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিতের মাধ্যমে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সম্ভব, আর টেকসই সুশাসনের জন্য গণতন্ত্র অপরিহার্য।
‘দৈনিক আমার কাগজ’ এর ২৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত ‘সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণমাধ্যমের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলা হয়।
প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলের পদ্মা হলরুমে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব মো. সরওয়ার আলম, যুব ও ক্রীড়া সচিব মো. মাহবুব-উল-আলম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আনোয়ার হোসেন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. আব্দুর রহমান তরফদার, এন্টি টেরোরিজম ইউনিটের প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি রেজাউল করিম, সাবেক স্বাস্থ্য সচিব সাইদুর রহমান, সিনিয়র সাংবাদিক শওকত মাহমুদ, বাসসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান সম্পাদক কামাল উদ্দিন সবুজ, সাংবাদিক এম এ আজিজ, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, গণযোগাযোগ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবদুল জলিল, বিএফইউজের সাংগঠনিক সম্পাদক এরফানুল হক নাহিদ, বিএসআরএফের সাবেক সভাপতি ফসিহউদ্দিন মাহতাব এবং ফেনী রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি শাহাদাত হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কবি, লেখক ও কলামিস্ট এবং পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক কাজী জিয়া উদ্দিন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও স্বাগত বক্তব্য দেন দৈনিক আমার কাগজ-এর সম্পাদক ফজলুল হক ভূঁইয়া রানা। সঞ্চালনা করেন পুলিশের সাবেক উপ-মহাপরিদর্শক রখফার সুলতানা খানম ও পত্রিকার বার্তা সম্পাদক তোফায়েল হোসেন।
মূল প্রবন্ধে বলা হয়, সুশাসন ও স্বাধীন সাংবাদিকতা একে অপরের পরিপূরক। তথ্যপ্রবাহের স্বাধীনতা ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা নিশ্চিত হলে রাষ্ট্রে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং টেকসই উন্নয়ন প্রতিষ্ঠা সহজ হয়। গণমাধ্যম কেবল সংবাদ পরিবেশনই করে না, বরং রাষ্ট্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, বিশ্লেষণ এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে সতর্কবার্তা প্রদান করে সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
প্রবন্ধে আরও বলা হয়, সুশাসন কোনো একক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব নয়; প্রশাসন, বিচারব্যবস্থা, রাজনৈতিক নেতৃত্ব, নাগরিক সমাজ এবং গণমাধ্যমের সমন্বিত প্রচেষ্টার মাধ্যমেই এটি নিশ্চিত করা সম্ভব। একই সঙ্গে অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বক্তারা বলেন, স্বাধীন, দায়িত্বশীল ও অনুসন্ধানী গণমাধ্যম রাষ্ট্রের প্রতিপক্ষ নয়; বরং রাষ্ট্রকে আরও শক্তিশালী, স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক করে তুলতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে।