প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণী বৈচিত্র্য বাড়াতে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুটি কমন ইল্যান্ড ও দুটি ওয়াইল্ডিবিস্ট আনা হয়েছে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার প্রাণী বৈচিত্র্য বাড়াতে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুটি কমন ইল্যান্ড ও দুটি ওয়াইল্ডিবিস্ট আনা হয়েছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু মঙ্গলবার আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রাণীগুলোকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবমুক্ত করেন।
নতুন আনা প্রাণীগুলোর মধ্যে রয়েছে একটি পুরুষ ও একটি স্ত্রী কমন ইল্যান্ড এবং দুটি পুরুষ ওয়াইল্ডিবিস্ট। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষের আশা, প্রাণীগুলোর সংযোজনে দর্শনার্থীদের জন্য নতুন আকর্ষণ তৈরি হবে এবং প্রাণী সংগ্রহ আরও সমৃদ্ধ হবে।
অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “দেশের চিড়িয়াখানাগুলোকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে সরকার কাজ করছে। প্রাণী সংরক্ষণ, গবেষণা, শিক্ষা ও বিনোদনের সমন্বয়ে বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানাকে আধুনিক প্রতিষ্ঠানে রূপ দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। নতুন প্রাণীর সংযোজন সেই উদ্যোগেরই অংশ”।
তিনি আরও বলেন, “নতুন প্রাণীগুলোর আগমনে দর্শনার্থীরা যেমন ভিন্নধর্মী অভিজ্ঞতা লাভ করবেন, তেমনি দেশের প্রাণিবৈচিত্র্য সংরক্ষণ কার্যক্রমও আরও সমৃদ্ধ হবে”।
চিড়িয়াখানাকে আরও পরিচ্ছন্ন, আধুনিক ও দর্শনার্থীবান্ধব করে তুলতে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।
অনুষ্ঠানে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. শাহজামান খান, বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার পরিচালক ড. মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, কমন ইল্যান্ড আফ্রিকার বৃহত্তম অ্যান্টিলোপ প্রজাতিগুলোর একটি। অন্যদিকে ওয়াইল্ডিবিস্ট আফ্রিকার তৃণভূমিতে বসবাসকারী পরিচিত ও আকর্ষণীয় বন্যপ্রাণী হিসেবে পরিচিত। নতুন এ প্রাণীগুলোর সংযোজন চিড়িয়াখানার প্রাণী সংগ্রহে নতুন মাত্রা যোগ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।