প্রব প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২ ঘণ্টা আগে
সচিবালয়ে রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার। ছবি: পাকিস্তান হাইকমিশনার
সরকারি স্কুলগুলোতে বিতরণের জন্য এক হাজার ফুটবল উপহার দিয়েছে পাকিস্তান হাইকমিশন।
সচিবালয়ে রবিবার শিক্ষামন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলনের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে পাকিস্তানের হাইকমিশনার ইমরান হায়দার এই উপহারের বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানান। পাকিস্তানের হাই কমিশনের এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বৈঠকে হাইকমিশনার ইমরান হায়দার পাকিস্তান-বাংলাদেশ নলেজ করিডোরের বর্তমান অগ্রগতি সম্পর্কে শিক্ষামন্ত্রীকে অবহিত করেন। এছাড়া তারা দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা খাতের বিভিন্ন দিক, বিশেষ করে যুব উন্নয়ন, কারিগরি ও বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ, ডিজিটাল লার্নিং, শারীরিক শিক্ষা এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের স্বীকৃতির বিষয়ে পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
হাইকমিশনার পাকিস্তানের শিয়ালকোটের বিখ্যাত ফরওয়ার্ড স্পোর্টসের তৈরি একটি ফুটবল শিক্ষামন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করেন।
বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, এই সিরিজের এক হাজারটি ফুটবল ইতিমধ্যে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। যা দেশের বিভিন্ন সরকারি স্কুলে বিতরণ করা হবে। হাইকমিশনার আশা প্রকাশ করেন, এই উচ্চমানের ফুটবলগুলো বাংলাদেশের তরুণদের শারীরিক শিক্ষা ও ফিটনেস বজায় রাখতে এবং খেলাধুলার প্রতি তাদের প্রবল উদ্দীপনাকে আরও উৎসাহিত করবে।
আলোচনাকালে ইমরান হায়দার উল্লেখ করেন যে, পাকিস্তানের শিয়ালকোট বিশ্বজুড়ে ফুটবল তৈরির অন্যতম প্রধান কেন্দ্র হিসেবে স্বীকৃত।
তিনি জানান, ২০১৪ সালের ফিফা বিশ্বকাপের ব্রাজুকা, ২০১৮ সালের টেলস্টার, ২০২২ সালের আল-রিহলা এবং ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের অফিশিয়াল ম্যাচের ফুটবল ট্রিওন্ডা এই শিয়ালকোটেই তৈরি হয়েছে।
শিক্ষামন্ত্রী ড. এ. এন. এম. এহসানুল হক মিলন পাকিস্তান হাইকমিশনের এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। তিনি দুই দেশের মধ্যে শিক্ষা ও ক্রীড়া ক্ষেত্রে বিদ্যমান সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার আহ্বান জানান।