জাতীয় ফলমেলা২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দেশে গত ৫৪ বছরে ফলের উৎপাদন ৪২ লাখ টন বেড়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ।
তিনি বলেন, ১৯৭০ সালে দেশে ১৭ লাখ টন ফল উৎপাদন হতো। কৃষি বিজ্ঞানী, কৃষক ও এখাতের সংশ্লিষ্টদের প্রচেষ্টার কারণে বর্তমানে ৫৯ লাখ টন ফল উৎপাদন হচ্ছে। দেশে গড়ে প্রতিদিন একজন মানুষ ১০০ গ্রাম করে ফল খাচ্ছে। এটি ২০০-২৫০ গ্রামে উপনীত হবে।
জাতীয় ফলমেলা২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এবারের প্রতিপাদ্য ‘করবো মোরা ফল চাষ, সংরক্ষণ করবো বারো মাস’।
কৃষি সচিব ড. রফিকুল ই মোহামেদের সভাপতিত্বে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত বিভাগের চেয়ারম্যান ড. আবুল হাসনাত মুহাম্মদ সোলায়মান উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আব্দুর রহিম, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, “আমাদের দেশে নির্দিষ্ট সময়ে প্রচুর ফল উৎপাদিত হয়। আমাদের লিচু বিশ্বের শ্রেষ্ঠতম। আমরা গতবছর পরীক্ষামূলকভাবে চীনে আম রপ্তানি করেছি। এ বছর মালয়েশিয়া, কানাডা, জার্মানসহ বিভিন্ন দেশ আম আমদানির আগ্রহ করেছে”।
সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে তিনি বলেন, “আমরা বাংলাদেশ বিমানের সঙ্গে কার্গো দেওয়ার জন্য কথা বলেছি। তা ছাড়া বিদেশি বিমানকেও ফ্রেড দিতে বলেছি”।
তিনি বলেন, “আবহাওয়া ও জলবায়ুর কারণে আমাদের ফল উৎপাদন ও পাকানো অল্প সময়ের। সেখানে দীর্ঘদিন সরবরাহ করা যায় না। এজন্য আমরা মিনি কোল্ডস্টরেজের ব্যবস্থা নিচ্ছি। এতে উৎপাদক ও ক্রেতা উভয়েই উপকৃত হবে”।
আব্দুর রহিম বলেন, “দেশে ৭২ ধরনের ফল উৎপাদিত হলেও বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। এটি আমাদের জন্য দুঃজনক”।
তিনি দেশিয় ফলের সংরক্ষণ ও ভ্যালুএড করার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন।