জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বুধবার বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর সিদ্ধান্তের কথা জানান প্রধানমন্ত্রী। ছবি: সংগৃহীত
দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থাকে আধুনিক ও নিরাপদ করতে প্রধান প্রধান রুটে ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন বা বৈদ্যুতিক ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
জাতীয় সংসদের বাজেট অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বুধবার এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রী।
কুমিল্লা-১০ আসনের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সরকার সড়ক ও রেল যোগাযোগ উন্নয়নে সরকার দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে।
মহাসড়কে পর্যায়ক্রমে এক্সপ্রেসওয়ে গ্রিড ও মাল্টিমোডাল পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি ওভারলোড নিয়ন্ত্রণে স্মার্ট মনিটরিং ও এক্সেল লোড নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা চালু করা হবে বলেও জানান তারেক রহমান।
তিনি জানান, ঢাকার যানজট কমাতে রিং রোড ও রেডিয়াল রোড নেটওয়ার্ক নির্মাণ করা হচ্ছে।
এর পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে ওভারপাস ও আন্ডারপাস নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাটুরিয়া-দৌলতদিয়া এলাকায় দ্বিতীয় পদ্মা সেতু এবং দ্বিতীয় যমুনা সেতু নির্মাণের পরিকল্পনাও প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
বাংলাদেশ রেলওয়েকে জাতীয় পরিবহন ব্যবস্থার প্রধান ভিত্তি হিসেবে গড়ে তুলতে ২০৪৫ সাল পর্যন্ত তিন ধাপে ২৪টি প্রকল্প বাস্তবায়নের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে, উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি বলেন, দেশের সব রেলপথকে পর্যায়ক্রমে ডুয়েলগেজে রূপান্তর করা হবে, যাতে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন আরও সহজ হয়।
রেলের সক্ষমতা বাড়াতে আগামী বছরগুলোতে আন্তঃনগর ও কমিউটার ট্রেনের সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করা হবে বলে জানান প্রধানমন্ত্রী।