বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস
বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার ঢাকার ধানমন্ডির রাপা প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষে স্ত্রী কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায় এই পদক গ্রহণ করেন।
প্রবীণদের অধিকার সুরক্ষা ও জীবনমান উন্নয়নে দীর্ঘদিনের অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজকর্মী ও লেখক জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়কে ‘প্রবীণ সেবা পদক-২০২৫’-এ ভূষিত হয়েছেন।
বিশ্ব প্রবীণ নির্যাতন সচেতনতা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে শনিবার ঢাকার ধানমন্ডির রাপা প্লাজায় আয়োজিত অনুষ্ঠানে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের পক্ষে স্ত্রী কৃষ্ণা চট্টোপাধ্যায় এই পদক গ্রহণ করেন।
জুরি বোর্ডের প্রধান এবং কালের কণ্ঠের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফারুক মেহেদী তার হাতে পদকের স্মারক ও মানপত্র তুলে দেন।
বাংলাদেশ সরকারের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান গান্ধী আশ্রম ট্রাস্ট এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।
‘সাহসী হোন, আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বার্ধক্য বরণ করুন’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন প্রবীণ সংগঠনের শতাধিক সদস্য অংশ নেন।
ট্রাস্টের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাই দাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন প্রবীণ বিষয়ক লেখক ও সংগঠক হাসান আলী।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফারুক মেহেদী বলেন, প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও নেতৃত্ব সমাজ এবং রাষ্ট্র গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তাদের অবদানকে যথাযথ স্বীকৃতি দেওয়া সমাজের দায়িত্ব।
তিনি ‘প্রবীণ সেবা পদক’ প্রদানের উদ্যোগকে সময়োপযোগী ও প্রশংসনীয় বলে উল্লেখ করেন।
অনুষ্ঠানে জ্যোতি চট্টোপাধ্যায়ের জীবন ও কর্মের ওপর মানপত্র পাঠ করেন গত বছরের পদকপ্রাপ্ত হাসিনা মজুমদার চুমকি।
জানা যায়, ১৯৫৩ সালে সাতক্ষীরার বিষ্ণুপুর গ্রামে জন্ম নেওয়া জ্যোতি চট্টোপাধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন। তিনি এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রবীণদের অধিকার ও কল্যাণে কাজ করে আসছেন এবং এ বিষয়ে তিন শতাধিক প্রবন্ধ ও একাধিক গ্রন্থ রচনা করেছেন।
সভাপতির বক্তব্যে জীবন কানাই দাস বলেন, শারীরিক নির্যাতনের পাশাপাশি মানসিক, আর্থিক ও সামাজিক অবহেলাও প্রবীণদের প্রতি নির্যাতনের শামিল।
বক্তারা প্রবীণদের মর্যাদাপূর্ণ জীবন নিশ্চিত করতে সমাজের সব স্তরের মানুষের সক্রিয় ভূমিকার আহ্বান জানান।