ফসিহ উদ্দীন মাহতাব
প্রকাশ : ৪ ঘণ্টা আগে
আপডেট : ৩ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্ত দিয়ে রবিবার ভোরে ১১ জনকে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। ছবি: ভিডিও থেকে নেওয়া
পুশইন ইস্যুতে বাংলাদেশ ও ভারতের সীমান্তে যখন উত্তেজনা বাড়ছে, ঠিক তখনই দিল্লিতে গত বৃহস্পতিবার শেষ হয়েছে বিজিবি-বিএসএফ মহাপরিচালক পর্যায়ের চার দিনব্যাপী বৈঠক। কিন্তু স্পর্শকাতর পুশইন ইস্যুতে কোনো আশার আলো জ্বলেনি এ বৈঠকে। বরং প্রকাশ পেয়েছে দুই পক্ষের মতদ্বৈততা। বৈঠকের পর প্রচলিত যৌথ সংবাদ সম্মেলনও হয়নি, এমনকি যৌথ বিবৃতিও এসেছে পরদিন সকালে। সে বিবৃতিতেও উল্লিখিত হয়নি পুশইন বা পুশ ব্যাক প্রসঙ্গ।
বৈঠক শেষ হওয়ার পরের দিন গত শুক্রবার বাংলাদেশে দায়িত্ব নিতে এসেছেন ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। সেদিনই মৌলভীবাজারের কুলাউড়া সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে মৃত্যু ঘটেছে এক বাংলাদেশির। গতকাল শনিবার রাজশাহীর চারঘাট ও চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরে দুই সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ৩৮ জনকে পুশ ইনের চেষ্টা চালায় ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) কঠোর অবস্থানের কারণে সে চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। শুধু ‘পুশইন’ নয়, অভিন্ন নদীর পানিবণ্টন ও সীমান্তে কাঁটাতার নির্মাণ ইস্যু থেকে শুরু করে বাণিজ্য ও আঞ্চলিক রাজনীতির নানা প্রশ্ন তাই দুই দেশের সম্পর্ককে নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে এসেছে।
দিল্লির বৈঠকে বিজিবি স্পষ্টভাবে জানিয়েছে, বাংলাদেশি পরিচয়ে লোকজনকে সীমান্তে ঠেলে পাঠানোর ঘটনা (পুশইন) বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় প্রটোকল ও আন্তর্জাতিক রীতিনীতির পরিপন্থী। বাংলাদেশ এ ধরনের কর্মকাণ্ড বন্ধের আহ্বান জানিয়েছে। অন্যদিকে বিএসএফ বিদ্যমান প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিষয়গুলো সমাধানের বিষয়ে গুরুত্বারোপ করেছে বলে বিজিবির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। এমন প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে, চলমান পরিস্থিতির কি বাস্তবে কোনো পরিবর্তন ঘটবে?
পুশইন নতুন কূটনৈতিক সংকট
গত কয়েক মাসে ভারত থেকে বাংলাদেশি পরিচয়ে লোকজনকে সীমান্তে এনে ফেরত পাঠানোর অভিযোগ নতুন মাত্রা পেয়েছে। বাংলাদেশ বলছে, যাদের অনেকের নাগরিকত্বই যাচাই করা হয়নি। ফলে বিষয়টি শুধু সীমান্ত ব্যবস্থাপনার নয়, মানবাধিকার এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রশ্নও। পর্যবেক্ষকদের ধারণা, পুশইন ইস্যু দীর্ঘমেয়াদে দুই দেশের সম্পর্কে অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে। কারণ এতে নাগরিকত্ব, শরণার্থী ব্যবস্থাপনা এবং সীমান্ত আইনÑ এ তিনটি স্পর্শকাতর বিষয় জড়িয়ে আছে।
গতকাল শনিবার রাজশাহীর চারঘাটের পিরোজপুর-রাওথা সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ২৩ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। ভোর থেকে দুপুর পর্যন্ত কয়েক দফায় পদ্মা নদীর ভারতীয় অংশ থেকে দুটি নৌকায় এসব মানুষকে বাংলাদেশে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয় তারা।
চারঘাট বিকল্প বিওপির কমান্ডার সুবেদার দেলোয়ার হোসেন বলেন, ‘গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমরা আগে থেকেই সতর্ক অবস্থান নেই। বিজিবির কঠোর নজরদারির কারণে পুশইন প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে।’
অন্যদিকে শুক্রবার রাত পৌনে ১টার দিকে (শনিবার) চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের রোকনপুর সীমান্ত দিয়ে নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১৫ জনকে নৌকাযোগে বাংলাদেশে পুশ-ইনের চেষ্টা করে বিএসএফ। তবে বিজিবি সে প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে। নওগাঁর ১৬ বিজিবি সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে। পরে রাত পৌনে ৩টার দিকে বিএসএফ সদস্যরা ওই ১৫ জনকে ফিরিয়ে নিয়ে যায়।
কুষ্টিয়ায় সীমান্তে পতাকা বৈঠকেও সমাধান আসেনি
এদিকে কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে ১২ জন নারী, পুরুষ ও শিশুকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টার ঘটনায় বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। গতকাল সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাংলাদেশের বিলগাথুয়া সীমান্তের ১৫০ থ্রি এস সাব পিলার সংলগ্ন এলাকায় এই পতাকা বৈঠক হয়। বৈঠকে বিজিবি ভারতীয় নাগরিকদের বাংলাদেশের পুশইনের প্রতিবাদ জানান এবং ওই ১২ জনকে ফিরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানান। তবে বিএসএফ তাদের পুশইনের কথা অস্বীকার করে জানায়, ওই ১২ জনের নাগরিকত্ব যাচাই-বাছাই শেষে ভারতীয় নাগরিক হিসেবে শনাক্ত হলে তাদের ভারতে ফিরিয়ে নেওয়া হবে। বর্তমানে ওই ব্যক্তিরা দৌলতপুর উপজেলার নাগপুর ইউনিয়নের চর বিলগাথুয়া সীমান্তের শূন্যরেখার কাছাকাছি অবস্থান করছেন।
বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ
চুয়াডাঙ্গার দর্শনা সীমান্তে জুলফিকার নামে এক বাংলাদেশি যুবককে ধরে নিয়ে গেছে বিএসএফ। গতকাল শনিবার বেলা ৩টার দিকে দর্শনা সীমান্তের ৭৫ নম্বর মেইন পিলারের ৩ এস পিলারের কাছ থেকে তাকে ধরে নিয়ে যায় পশ্চিমবঙ্গের গেদে ক্যাম্পের বিএসএফ টহলদল। জুলফিকার সীমান্তবর্তী মাঠে ছাগলের জন্য ঘাস কাটতে গিয়েছিল। তিনি দর্শনা পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মৃত আলাউদ্দিন ওরফে কালু মৌলভির ছেলে। বিজিবি চুয়াডাঙ্গা ৬ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল নাজমুল হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
সম্পর্কের ভিত্তি শক্ত, কিন্তু আস্থার ঘাটতি বাড়ছে
স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক নানা উত্থান-পতনের মধ্য দিয়ে এগিয়েছে। বিশেষ করে গত দেড় দশকে দুই দেশের মধ্যে যোগাযোগ, বাণিজ্য, বিদ্যুৎ, নিরাপত্তা সহযোগিতা ও আঞ্চলিক সংযোগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে সীমান্ত পরিস্থিতি এবং রাজনৈতিক বাস্তবতার পরিবর্তন দুই দেশের সম্পর্কের ওপর নতুন চাপ সৃষ্টি করেছে। বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর দিল্লির নীতিনির্ধারণী মহলের অবস্থান নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা রয়েছে। একই সঙ্গে সীমান্তে হত্যা ও পুশইনের অভিযোগ সাধারণ মানুষের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা
আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা বলছেন, রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে সম্পর্ক যতই ঘনিষ্ঠ হোক, সীমান্তে প্রতিনিয়ত নেতিবাচক ঘটনা ঘটতে থাকলে জনমনে আস্থার সংকট তৈরি হওয়া স্বাভাবিক। এ বিষয়ে সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘দুই দেশের মধ্যে নাগরিকত্ব যাচাইয়ের একটি প্রতিষ্ঠিত কাঠামো রয়েছে। সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ না করে কাউকে সীমান্তে ঠেলে দেওয়া হলে তা ভুল বার্তা দেয়। এ ধরনের ঘটনা পারস্পরিক আস্থাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। ভারত যদি প্রকৃত অর্থে সমস্যার সমাধান চায়, তাহলে বিদ্যমান যৌথ যাচাই ব্যবস্থা আরও কার্যকর করতে হবে।’
তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক পর্যায়ে দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের বিষয়ে ইতিবাচক আলোচনা চললেও সীমান্তে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি অব্যাহত থাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ ও বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে। নেতাদের বক্তব্য ও বাস্তব পরিস্থিতির মধ্যে অসঙ্গতি দেখা দেওয়ায় জনমনে একটি আস্থার সংকটও তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি দিল্লিতে বিজিবি ও বিএসএফের মহাপরিচালক পর্যায়ের বৈঠকে সীমান্তে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখার বিষয়ে উভয় পক্ষ একমত হলেও মূল সমস্যাগুলোর কোনো কার্যকর সমাধান পাওয়া যায়নি। ফলে কেবল বাহিনী বা কারিগরি পর্যায়ের আলোচনায় সীমান্ত সংকট নিরসনের সম্ভাবনা সীমিত বলে মনে হচ্ছে।’ তিনি মনে করেন, সীমান্ত পরিস্থিতির স্থায়ী সমাধানের জন্য রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কার্যকর সংলাপ এবং পারস্পরিক আস্থা পুনর্গঠনই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
সাম্প্রতিক পুশইন ঘটনার বিষয়ে কূটনীতিক ও চীনের সাবেক রাষ্ট্রদূত মুন্সি ফয়েজ আহমেদ প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, ‘রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক পর্যায়ে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার বিভিন্ন উদ্যোগ ও ইতিবাচক বার্তা পাওয়া গেলেও সীমান্তে জোর করে লোকজনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা সেই প্রচেষ্টার সঙ্গে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।’
তিনি বলেন, ‘আলোচনার মাধ্যমে সমাধানযোগ্য বিষয়গুলোকে সীমান্তে জোর করে চাপিয়ে দেওয়া আন্তর্জাতিক আইন, দ্বিপক্ষীয় চুক্তি এবং প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্কের পরিপন্থী। এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। কিছু মহল রয়েছে, যারা দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা বজায় থাকলে রাজনৈতিক বা অন্য সুবিধা পায়। সীমান্তে পুশইনের মতো ঘটনা সেই উদ্দেশ্যকেই সামনে নিয়ে আসে।’
এমন প্রেক্ষাপটে তিনি অভিমত দেন, প্রথমত সীমান্তে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে হবে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সতর্কতা ও নজরদারি জোরদার করতে হবে, যাতে এ ধরনের প্রচেষ্টা সফল না হয়। দ্বিতীয়ত, কূটনৈতিক যোগাযোগ, চিঠিপত্র আদান-প্রদান এবং দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধানে প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। অপর পক্ষ থেকে যথেষ্ট উদ্যোগ না থাকলেও বাংলাদেশকে সম্পর্ক উন্নয়নের চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।
সংবেদনশীল ইস্যু সীমান্ত হত্যা
বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কের সবচেয়ে সংবেদনশীল ইস্যুগুলোর মধ্যে সীমান্ত হত্যা অন্যতম। কয়েক বছর আগে সীমান্তে প্রাণহানির সংখ্যা কিছুটা কমলেও তা পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। কুলাউড়া সীমান্তে সাম্প্রতিক মৃত্যুর ঘটনায় আবারও প্রশ্ন উঠেছে, দুই দেশের রাজনৈতিক নেতৃত্বের সদিচ্ছা কি সীমান্তরক্ষী বাহিনীর কার্যক্রমে প্রতিফলিত হচ্ছে?
ঢাকার কূটনৈতিক মহল মনে করে, ভারতের নিরাপত্তা উদ্বেগকে স্বীকৃতি দিয়েও মানবিক ও আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের প্রশ্নে আপস করার সুযোগ নেই। তাছাড়া সীমান্ত হত্যা শুধু মানবিক সংকট নয়; এটি একটি রাজনৈতিক সংকটও। কারণ প্রতিটি মৃত্যুই জনগণের মধ্যে নেতিবাচক মনোভাব তৈরি করে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের ইতিবাচক অর্জনগুলোকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।
এদিকে বাংলাদেশে ভারতের নবনিযুক্ত হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর দায়িত্ব গ্রহণ এমন সময়ে হচ্ছে, যখন সম্পর্কের ক্ষেত্রে ইতিবাচক বার্তার পাশাপাশি নানা অস্বস্তিকর প্রশ্নও সামনে এসেছে।
কূটনৈতিক সূত্রগুলোর মতে, নতুন হাইকমিশনারের অন্যতম চ্যালেঞ্জ হবে জনপর্যায়ে ভারতের ভাবমূর্তি পুনর্গঠনে ভূমিকা রাখা। ভিসা জটিলতা, সীমান্ত সমস্যা, বাণিজ্য বৈষম্য এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর প্রশ্নে তাকে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে। এটি নতুন হাইকমিশনারের সামনে কঠিন পরীক্ষা হতে পারে বলে কূটনীতিক মহলে আলোচনা চলছে।
দিল্লি বৈঠক কি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে
নয়াদিল্লির বৈঠক থেকে বিজিবি ও বিএসএফ উভয় পক্ষই সহযোগিতা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সীমান্তে গুলি চলতে থাকলে কিংবা পুশইন বন্ধ না হলে সেই প্রতিশ্রুতির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যাবে। বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক এখন এমন এক পর্যায়ে দাঁড়িয়ে, যেখানে কূটনৈতিক ভাষ্যের চেয়ে বাস্তব পদক্ষেপ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। সীমান্ত হত্যা বন্ধ, পুশইন ইস্যুর সমাধান, অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনে অগ্রগতি এবং বাণিজ্যিক ভারসাম্যÑ এসব ক্ষেত্রেই দৃশ্যমান পরিবর্তন প্রয়োজন।
(প্রতিবেদন প্রণয়নে সহায়তা করেছেন রাজশাহীর চারঘাট, চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর ও চুয়াডাঙ্গার প্রবা প্রতিবেদক)