প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ৩ ঘণ্টা আগে
প্রতীকী ছবি/প্রতিদিনের বাংলাদেশ
চলতি বছরের প্রথম পাঁচ মাসে (জানুয়ারি-মে) দেশে ১ হাজার ৩৫ জন নারী ও মেয়ে শিশু নির্যাতনের শিকার হয়েছে। এর মধ্যে ২৫০ জন ধর্ষণ, ৬৫ জন সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, ১৮ জনকে ধর্ষণের পর হত্যা এবং ৫৩ জন ধর্ষণচেষ্টার শিকার হয়েছেন।
ঢাকার সেগুনবাগিচায় শনিবার মহিলা পরিষদের আনোয়ারা বেগম-মুনিরা খান মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশুর প্রতি সহিংসতার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াও’ শীর্ষক নাগরিক সংলাপে এসব তথ্য তুলে ধরা হয়।
সংলাপে সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা রাশেদা কে চৌধুরী নারী ও শিশু নির্যাতন প্রতিরোধে স্থানীয় পর্যায়ের ধর্মীয় নেতাদের সম্পৃক্ত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন, প্রতিটি নারী ও শিশু নির্যাতনের বিচার নিশ্চিত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি কঠোরভাবে অনুসরণ করা প্রয়োজন। সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে ধর্মীয় নেতাদের কার্যকর ভূমিকা রাখতে উৎসাহিত ও পুরস্কৃত করা যেতে পারে।
অনুষ্ঠানে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, দেশে আইনের অভাব নেই, সমস্যা আইনের প্রয়োগ ও সামাজিক মানসিকতায়। নারী ও শিশু অধিকার সুরক্ষায় সরকার, আইন প্রয়োগকারী সংস্থা এবং জনগণকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
সংলাপে বক্তারা নারী ও শিশুদের জন্য নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিতে আইনি কাঠামোর সঠিক বাস্তবায়ন এবং অপরাধীদের দ্রুত বিচারের দাবি জানান।