প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ১১ জুন ২০২৬ ১৭:৪৯ পিএম
আপডেট : ১১ জুন ২০২৬ ১৭:৫১ পিএম
ইলেকট্রিক গাড়ী। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি (ইভি) উৎপাদন শিল্পে বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে বড় ধরনের শুল্ক-কর ছাড়ের প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। ইলেকট্রিক কারের পাশাপাশি ই-বাইক, ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক এবং চার্জিং অবকাঠামো উন্নয়নেও বিশেষ কর-সুবিধা দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই সুবিধা আগামী ২০৩১ সালের ৩০ জুন পর্যন্ত বহাল থাকবে।
জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট উপস্থাপনকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এই ঘোষণা দেন।
বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী বলেন, জীবাশ্ম জ্বালানিনির্ভর পরিবহনের বিকল্প হিসেবে দেশে পরিবেশবান্ধব ইলেকট্রিক গাড়ি উৎপাদন এবং এর যন্ত্রাংশ স্থানীয়ভাবে তৈরির লক্ষ্যে নতুন করে শুল্ক-কর রেয়াতি সুবিধা দেওয়া হবে।
বাজেট প্রস্তাব অনুযায়ী, যেসব প্রতিষ্ঠান চার চাকা ও তিন চাকার বিদ্যুৎচালিত যানবাহনের বডি তৈরি, ওয়েল্ডিং, পেইন্টিং ও অ্যাসেম্বলিংয়ের মাধ্যমে স্থানীয় পর্যায়ে উচ্চ মূল্য সংযোজন করবে, তারা উপকরণ ও যন্ত্রাংশ আমদানির ক্ষেত্রে ৩ শতাংশ আমদানি শুল্ক ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর থেকে অব্যাহতি পাবে।
অন্যদিকে যেসব প্রতিষ্ঠান পার্টস সংযোজন ও পেইন্টিংয়ের মাধ্যমে তুলনামূলক কম মূল্য সংযোজন করবে, তাদের জন্য ১৫ শতাংশ আমদানি শুল্ক বহাল রেখে অন্যান্য সব শুল্ক-কর মওকুফের প্রস্তাব করা হয়েছে।
স্থানীয়ভাবে ইলেকট্রিক বাস ও ট্রাক উৎপাদনকারী শিল্পের জন্যও বিশেষ সুবিধা রাখা হয়েছে। এসব শিল্পের উপকরণ ও কাঁচামাল আমদানির ক্ষেত্রে ৫ শতাংশ অগ্রিম ভ্যাট ছাড়া অন্য সব ধরনের শুল্ক-কর অব্যাহতির প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।
এ ছাড়া দেশীয় ই-বাইক উৎপাদন ও সংযোজন শিল্পে বিনিয়োগ বাড়াতে স্থানীয়ভাবে যন্ত্রাংশ উৎপাদনকারী ভেন্ডর প্রতিষ্ঠানগুলোকেও উপকরণ আমদানিতে রেয়াতি সুবিধা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।
পরিবেশবান্ধব পরিবহন ব্যবস্থার সম্প্রসারণে ইলেকট্রিক বাস, ট্রাক ও চার্জিং স্টেশন আমদানির ক্ষেত্রে উৎসে করের হার ৫ শতাংশ থেকে সম্পূর্ণ প্রত্যাহারেরও প্রস্তাব দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।