বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন এবং খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের ঘোষণা করা হবে আজ। ছবি: বিবিসি বাংলা
বিদ্যুতের পাইকারি, সঞ্চালন এবং খুচরা মূল্যহার পুনর্নির্ধারণের ঘোষণা করা হবে আজ বুধবার। রাজধানীর রমনার ইনস্টিটিউশন অব ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইইবি)-এর শহীদ প্রকৌশলী ভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে বেলা ৩টায় এ মূল্য ঘোষণা করবে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। গতকাল মঙ্গলবার এক বার্তায় এ তথ্য জানান বিইআরসি।
বিইআরসি জানায়, বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি) বিদ্যুতের পাইকারি (বাল্ক) ও খুচরা মূল্যহার, পাওয়ার গ্রিড বাংলাদেশ পিএলসি (পিজিবিপিএলসি) বিদ্যুতের সঞ্চালন মূল্যহার, বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি), ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), ঢাকা ইলেকট্রিক সাপ্লাই কোম্পানি লিমিটেড (ডেসকো), ওয়েস্ট জোন পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ওজোপাডিকো) এবং নর্দান ইলেকট্রিসিটি সাপ্লাই পিএলসি (নেসকো) বিদ্যুতের খুচরা মূল্যহার পরিবর্তনের জন্য কমিশনে প্রস্তাব দাখিল করে।
প্রস্তাবের ওপর গত ২০ ও ২১ মে গণশুনানি অনুষ্ঠিত হয়। ওই প্রস্তাবে বিতরণ কোম্পানিগুলো প্রতি ইউনিটে ৮৫ পয়সা থেকে সর্বোচ্চ ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত দাম বাড়ানোর আবেদন করে। এর মধ্যে পিডিবি প্রতি ইউনিট ৮৫ পয়সা, আরইবি ১ টাকা ৭৭ পয়সা, ডিপিডিসি ১ টাকা ৫৪ পয়সা, ডেসকো ১ টাকা ৯৮ পয়সা, ওজোপাডিকো ১ টাকা ৩৯ পয়সা এবং নেসকো ২ টাকা ৫ পয়সা পর্যন্ত মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব দেয়। তবে বিইআরসির কারিগরি কমিটি সুপারিশ করেছে, বিতরণ কোম্পানিগুলোর বিদ্যুতের দাম গড়ে প্রতি ইউনিট ১ টাকা ২৫ পয়সা বাড়ানো যেতে পারে।
এর আগে গণশুনানিতে অংশীজনরা বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর আপত্তি করে বলেন, চার্জ, সিস্টেম লস, প্রকল্প ব্যয় ও অদক্ষতার বোঝা ভোক্তার ওপর চাপানো যাবে না। তারা দাম বাড়ানোর বদলে কমানোর পথ খোঁজার কথা বলেন।
সর্বশেষ ২০২৪ সালের ফেব্রুয়ারিতে পাইকারি বিদ্যুতের দাম পুনর্নির্ধারণ করা হয়, তখন প্রতি ইউনিটে গড় দাম ৬ টাকা ৭০ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৭ টাকা ৪ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।