বিজিবি-বিএসএফ পতাকা বৈঠক ব্যর্থ
বেনাপোল (যশোর) প্রতিনিধি
প্রকাশ : ০২ জুন ২০২৬ ১৬:৪৮ পিএম
আপডেট : ০২ জুন ২০২৬ ১৭:১৯ পিএম
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন করা ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশু গত দুই দিন ধরে শূন্যরেখায় (জিরো পয়েন্ট) মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
যশোরের বেনাপোল সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন করা ১০ জন নারী, পুরুষ ও শিশু গত দুই দিন ধরে শূন্যরেখায় (জিরো পয়েন্ট) মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
এ নিয়ে মঙ্গলবার বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সমাধান ছাড়াই তা শেষ হয়েছে।
আরও পড়ুন: অবৈধ অনুপ্রবেশ ঠেকাতে বেনাপোল সীমান্তে নিরাপত্তা জোরদার |
ভুক্তভোগীদের মধ্যে নারী ও শিশু রয়েছে। খোলা আকাশের নিচে ঝোপঝাড়ের মধ্যে পর্যাপ্ত খাবার ও পানি ছাড়াই তারা অবস্থান করছেন। মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে এই চিত্র দেখা গেছে।
বিজিবি সূত্র জানায়, সোমবার ভোরে বিএসএফ সদস্যরা বেনাপোলের সাদিপুর সীমান্তের কাঁটাতারের গেট খুলে ১০-১২ জনকে বাংলাদেশে পুশইনের চেষ্টা করে। বিজিবি সদস্যরা তৎক্ষণাৎ তা প্রতিহত করেন। এরপর মঙ্গলবার রাতেও বিএসএফ পর্যায়ক্রমে কয়েকটি গেট দিয়ে তাদের বাংলাদেশে পাঠানোর চেষ্টা চালায়। বিজিবি সতর্ক থাকায় সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হয়। পুশইনের সময় বিএসএফ সীমান্তের সার্চলাইট বন্ধ করে দিয়ে অন্ধকারের মধ্যে তাদের ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করে। সর্বশেষ মঙ্গলবার ভোর সাড়ে ৩টার দিকে তাদের পুনরায় শূন্যরেখায় ঠেলে দেওয়া হয়, যেখানে তারা বর্তমানে অবস্থান করছেন।
যশোর ৪৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল গোলাম মোহাম্মদ সাইফুল আলম খান জানান, সোমবার ও মঙ্গলবার বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু তা কোনো সমাধান ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে।
বিজিবি জানায়, সোমবার ভোর রাতে সাদিপুর সীমান্তের খড়েরমাঠ এলাকা দিয়ে প্রথম পুশইনের চেষ্টা শুরু হয়। বিজিবির কঠোর তৎপরতায় সেই চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর থেকে পুরো সীমান্ত এলাকায় সর্বোচ্চ সতর্কতা (হাই অ্যালার্ট) জারি করা হয়েছে এবং অতিরিক্ত জনবল মোতায়েন করা হয়েছে।