অর্থ মন্ত্রণালয়ের লোগো। ছবি: বাসস
জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় আসন্ন ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটে সিগারেটসহ সকল তামাকপণ্যের কার্যকর কর ও মূল্য বৃদ্ধির সুপারিশ করে অর্থমন্ত্রী বরাবর আধা সরকারি পত্র (ডিও লেটার) দিয়েছেন ২৬ জন সংসদ সদস্য। সংশ্লিষ্ট দপ্তর থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আরও পড়ুন: নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের তুলনায় তামাকপণ্য অনেক সস্তা: ধর্মসচিব |
অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সঙ্গে রবিবার সাক্ষাৎ করে ২৬ জন সংসদ সদস্যের স্বাক্ষরিত ডিও লেটার হস্তান্তর করেন সংসদ সদস্য মোসা. ফরিদা ইয়াসমিন, সানসিলা জেবরিন, ফেরদৌসী আহমেদ, আরিফা সুলতানা এবং নেওয়াজ হালিমা আরলী।
ডিও লেটারে সংসদ সদস্যরা সিগারেটের ক্ষেত্রে নিম্ন ও মধ্যম স্তর একীভূত করে প্রতি ১০ শলাকার মূল্য ১০০ টাকা, উচ্চ স্তরের মূল্য ১৪০ টাকা এবং প্রিমিয়াম স্তরের মূল্য ২০০ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করেন। পাশাপাশি প্রতি ১০ শলাকার প্যাকেটে ৪ টাকা সুনির্দিষ্ট কর আরোপের প্রস্তাব করা হয়। এছাড়া ফিল্টারবিহীন ২৫ শলাকার বিড়ির খুচরা মূল্য ৩০ টাকা নির্ধারণ, প্রতি ১০ গ্রাম জর্দার খুচরা মূল্য ৬০ টাকা এবং প্রতি ১০ গ্রাম গুলের খুচরা মূল্য ৩৫ টাকা নির্ধারণের সুপারিশ করা হয়।
ডিও লেটারে আরও বলা হয়, প্রস্তাবিত সুপারিশসমূহ বাস্তবায়িত হলে আশা করা যায়, কেবল সিগারেট খাত থেকেই প্রায় ৮৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হবে। একই সঙ্গে প্রায় ৫ লক্ষ প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ধূমপান থেকে বিরত থাকতে উৎসাহিত হবে এবং প্রায় ৩ লক্ষ ৭২ হাজার তরুণ ধূমপান শুরু করতে নিরুৎসাহিত হবে। অর্থাৎ একদিকে রাজস্ব আয় বৃদ্ধি পাবে অন্যদিকে স্বাস্থ্য সুরক্ষার ব্যবস্থা হবে। এটি সুস্পষ্টভাবে সরকার ও জনগণ উভয়ের জন্যই লাভজনক।