ছবি: সংগৃহীত
আজ আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস। প্রতি বছরের মতো এবারও যথাযথ গুরুত্বের সঙ্গে সারা বিশ্বে দিবসটি পালন করা হবে। প্রতি বছর ১৮ মে আন্তর্জাতিক জাদুঘর দিবস উদযাপিত হয়। বিশ্বব্যাপী জাদুঘর ও সংস্কৃতির গুরুত্ব সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস (আইসিওএম) ১৯৭৭ সাল থেকে এই দিবসটি সমন্বয় ও পালন করে আসছে।
ইন্টারন্যাশনাল কাউন্সিল অব মিউজিয়ামস (আইসিওএম) এ বছর দিবসটির প্রতিপাদ্য নির্বাচন করেছে ‘বিভক্ত বিশ্বের সেতুবন্ধনে জাদুঘর।’ এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের জাদুঘরসমূহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। এর মধ্যে দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে আজ সোমবার দিনব্যাপী নানা কর্মসূচি পালন করবে। এ ছাড়া সকাল ১০টায় অনুষ্ঠিত হবে বর্ণাঢ্য র্যালি। র্যালিটি রাজধানীর শাহবাগের জাতীয় জাদুঘর প্রাঙ্গণ থেকে টিএসসির সামনে দিয়ে ঘুরে পুনরায় জাদুঘরে এসে শেষ হবে। এর পরে জাদুঘরের নলিনীকান্ত ভট্টশালী প্রদর্শনী গ্যালারিতে বিশেষ প্রদর্শনীর উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক আয়োজন অনুষ্ঠিত হবে। এ আয়োজনে প্রধান অতিথি থাকবেন সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান, সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব কানিজ মওলা এবং বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর পর্ষদের স্থপতি মেরিনা তাবাসসুম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক তানজিম ওয়াহাব। এ ছাড়া এ দিবসটি উপলক্ষে নানা কর্মসূচি পালন করবে মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর।
১৯১৩ সালের ২০ মার্চ তৎকালীন সচিবালয়ে (বর্তমান ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল) জাদুঘরের কার্যক্রম শুরু হয়। তখন এ জাদুঘরের নাম ছিল ঢাকা জাদুঘর। ১৯১৪ সালের ২৫ আগস্ট সর্বসাধারণের জন্য এ জাদুঘর উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। ঢাকা জাদুঘরের প্রথম কিউরেটর নলিনীকান্ত ভট্টশালী। পরে ১৯৮৩ সালের ১৭ নভেম্বর শাহবাগ এলাকায় বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের জন্য একটি অত্যাধুনিক বৃহদায়তন ভবনের উদ্বোধন করা হয়। দেশের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে পৃথিবীর সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়াই জাদুঘরের উদ্দেশ্য।