× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পুলিশের ছয় দফা দাবি

কোনোটিতে আশ্বাস, কোনোটিতে না

তোফাজ্জল হোসেন কামাল

প্রকাশ : ১২ মে ২০২৬ ০৯:২৬ এএম

আপডেট : ১২ মে ২০২৬ ১০:২৬ এএম

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সোমবার সকালে শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সোমবার সকালে শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

ছয় দফা দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সামনে হাজির হয়েছিলেন পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। প্রধানমন্ত্রী এক-এক করে তাদের প্রতিটি দাবিই শুনেছেন, শুনিয়েছেন আশ্বাসের বাণীও। পুলিশ সুপার (এসপি) পদমর্যাদার কর্মকর্তা থেকে শুরু করে অ্যাডিশনাল আইজিপি পদমর্যাদার ছয়জন মনোনীত পুলিশ কর্মকর্তা তার কাছে এই ছয় দফা দাবি উপস্থাপন করেন। এ সময় দাবিগুলোর পক্ষে যৌক্তিকতাও তুলে ধরা হয়। এ দাবিগুলোর মধ্যে বিদেশে বাংলাদেশ মিশন-দূতাবাসে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার প্রেষণে নিয়োগসহ ৬টি গুরুত্বপূর্ণ সংস্থায় পুলিশ অফিসারদের নিয়োগ, সাইবার ক্রাইম ইউনিট স্থাপন ও এভিয়েশন পুলিশ প্রতিষ্ঠা করা অন্যতম।

তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সোমবার সকালে শাপলা হলে পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পুলিশ কর্মকর্তারা তাদের বিভিন্ন দাবিদাওয়া প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরেন। পাশাপাশি দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশ সব সময় সরকারকে সহায়তা করতে প্রস্তুত বলেও জানান তারা। এরপর পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মঞ্জুর মোর্শেদ চৌধুরী, পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির ও অতিরিক্ত আইজিপি একেএম আওলাদ হোসেন। এ সময় পুলিশের সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

গত রবিবার রাজারবাগ পুলিশ লাইনস মাঠে বর্ণাঢ্য আয়োজনের মধ্য দিয়ে চার দিনব্যাপী পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এবারের পুলিশ সপ্তাহের প্রতিপাদ্য হলো, ‘আমার পুলিশ, আমার দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।

প্রধানমন্ত্রীর কাছে পেশ করা পুলিশের ৬ দফা দাবির মধ্যে রয়েছে

প্রথমত. দেশের সর্বত্র সাইবার সুরক্ষা জোরদার করা এবং সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে পুলিশে সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠা
দ্বিতীয়ত. কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতালসহ বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের বিদ্যমান পুলিশ হাসপাতালগুলোকে শক্তিশালী করতে একটি পুলিশ মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠা
তৃতীয়ত. পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সিলেট এবং বরিশাল বিভাগে দুটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপন; চতুর্থত. পুলিশ সদস্যদের সুস্থ দেহ, শারীরিক সক্ষমতা, মানসিক স্বাস্থ্য ও মনোবল বৃদ্ধির পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়াঙ্গনে তাদের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা এবং ক্রীড়া সক্ষমতার মান আরও বাড়াতে স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ; পঞ্চমত. প্রবাসী শ্রমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, বিদেশে মানব পাচার, নির্যাতন ও বিভিন্ন অপরাধ প্রতিরোধ করতে, একই সঙ্গে দেশে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর ব্যবস্থাপনা আরও উন্নীতকরণসহ সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ মিশন-দূতাবাসে পুলিশ লিয়াজোঁ অফিসার নিয়োগসহ দুদক, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর, বিআরটিএ, ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তর, বিআইডব্লিউটিএ ইত্যাদিতে পুলিশ অফিসারদের পদায়ন
ষষ্ঠত. সাধারণ পুলিশিংয়ের পাশাপাশি দেশে উগ্রবাদ, মাদক ও অস্ত্র পাচার, মানব পাচার ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে দুর্গম ও ঝুঁকিপূর্ণ এলাকায় দ্রুত গমনাগমনের জন্য বিশেষায়িত প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত একটি এভিয়েশন পুলিশ ইউনিট প্রতিষ্ঠা করা।

অনুষ্ঠানে পুলিশে একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠার দাবি তুলে ধরে বক্তব্য দেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) উপ-পুলিশ কমিশনার হাসান মো. রিকাবদার। এরপর পুলিশের মেডিকেল সার্ভিস প্রতিষ্ঠার দাবি তোলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অ্যাডিশনাল ডিআইজি আহম্মদ মুঈদ। এ দাবির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, ঢাকায় পুলিশ হাসপাতালসহ অন্যান্য পুলিশ হাসপাতালকে আধুনিকায়নসহ প্রয়োজনীয় ডাক্তার-নার্স নিয়োগ দিয়ে উন্নত সেবা নিশ্চিত করা হবে।

পুলিশ সদস্যদের প্রশিক্ষণ সক্ষমতা বাড়াতে, আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করতে সিলেট এবং বরিশাল বিভাগে দুটি পুলিশ ট্রেনিং সেন্টার (পিটিসি) এবং চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে একটি বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান স্থাপনের দাবি তোলেন ঢাকা রেঞ্জের ডিআইজি রেজাউল করিম। এ সময় তিনি ময়মনসিংহ, বগুড়া, কুমিল্লা ও নারায়ণগঞ্জে চারটি মেট্রোপলিটন পুলিশ গঠনের দাবিও তুলে ধরেন।

পুলিশের স্পোর্টস কমপ্লেক্স প্রতিষ্ঠার দাবি জানান ঢাকা জেলার প্রথম নারী এসপি শামীমা পারভীন শিল্পী। এ দাবির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হয় যে, ঢাকায় জায়গা পাওয়া দুরূহ। ঢাকার বাইরে কোনো খাস জমি পেলে সেখানে এটা স্থাপন করা সম্ভব।

বিভিন্ন সংস্থায় প্রেষণে পদায়নের দাবি তোলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অ্যাডিশনাল ডিআইজি রায়হান উদ্দিন খান। এ দাবির পক্ষে যুক্তি তুলে ধরা হলেও সরকারের তরফে বলা হয়, এসব সংস্থায় পদায়নের বিষয়টি নানা সংস্থা ও মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

অ্যাভিয়েশন পুলিশ নিয়ে দাবি জানান সিআইডির অ্যাডিশনাল ডিআইজি মোসলেহ উদ্দিন। এ ছাড়া তিনি এ সময় প্রতিবছর পুলিশের যানবাহন কেনাকাটার জন্য তিনশ কোটি টাকা বরাদ্দের দাবি জানান।

‘উন্নয়ন প্রকল্পের নামে লুটপাট হয়েছে’

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণে বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের নামে লুটপাটের কিছু চিত্র তুলে ধরে পুলিশ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, “রূপপুর প্রকল্পে বিদেশিদের জন্য তৈরি করা ভবনে প্রতিটি বালিশের দাম ধরা হয়েছে ৮০ হাজার টাকা। ড্রেসিং টেবিলের দাম ধরা হয়েছে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকা। প্রতিবেশী দেশে একই মানের একটি প্রকল্প করতে ব্যয় হয়েছে ১৪ হাজার কোটি টাকা। অথচ রূপপুরে লেগেছে ১ লাখ ১৪ হাজার কোটি টাকা”।

পিরোজপুরের একটি উন্নয়ন কার্যক্রমের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “কেবল কাগজ দেখিয়ে কোনো কাজ না করেই এলজিআরডির ৩৫০০ কোটি টাকা গায়েব করা হয়েছে। জেলার কয়েকটি দপ্তর মিলিয়ে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা লোপাটের তথ্য মিলেছে”।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এ রকম আরও অনেক ঘটনা আছে, ঘটনাগুলো ঘটেছে। বাস্তবতা বাস্তবতাই; আমরা চাইলেও বাস্তবতাকে পাশ কাটাতে পারব না। এসব কথা বলার কারণ হচ্ছে, আপনারা আপনাদের কতগুলো সমস্যার কথা বলেছেন। আবাসন সমস্যার কথা বলেছেন, ট্রান্সপোর্টেশনের কথা বলেছেন। আপনারা আইটির জন্য কথা বলেছেন। এগুলোর জন্য অর্থ প্রয়োজন। দেখুন, আমি বা মন্ত্রী সাহেব, আমরা যেই দায়িত্বে বসে আছি, আমরা কিন্তু চাই, আপনাদের এই সমস্যাগুলো সমাধান করার জন্য, অন্তত অ্যাড্রেস করতে চাই”।

প্রধানমন্ত্রী তার ভাষণের শেষ পর্যায়ে এসে বাংলাদেশ পুলিশের জন্য একটি সাইবার ক্রাইম ইউনিট প্রতিষ্ঠার কথা জানিয়ে বলেন, “এই ইউনিট স্থাপনের জন্য সাপোর্ট দেবে সরকার। বর্তমানে যে জনবল ও ইকুইপমেন্ট আছে, তাতে আমরা এই ইউনিটের কাজ শুরু করতে পারব”। তিনি সাইবার ক্রাইম ইউনিট চালু করার নির্দেশ দেন।

‘আলাদা এভিয়েশন ইউনিট এই মুহূর্তে বাস্তবসম্মত নয়’

এর আগে দাবিগুলো তুলে ধরার পর বিশেষ অতিথির বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “আধুনিক তথ্য-প্রযুক্তির যুগে অপরাধের ধরন ও মাত্রায় পরিবর্তন এসেছে। সেজন্য সাইবার ক্রাইম, সোশ্যাল মিডিয়ায় গুজব এবং অপপ্রচার প্রতিরোধে একটি বিশেষায়িত সাইবার পুলিশ ইউনিট গঠন করা হবে”।

এ সময় পুলিশের পেশাদারত্ব বাড়াতে চট্টগ্রামের জঙ্গল সলিমপুরে দুটি নতুন পুলিশ প্রশিক্ষণ একাডেমি স্থাপনের সিদ্ধান্তের কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, “এর মধ্যে একটি হবে এলিট ফোর্সের জন্য, আরেকটি সাধারণ বাহিনীর জন্য”।

কেন্দ্রীয় ও বিভাগীয় পুলিশ হাসপাতালগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “জমি পাওয়া সাপেক্ষে একটি পূর্ণাঙ্গ পুলিশ স্পোর্টস কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে।’ তবে পুলিশের জন্য এই মুহূর্তে আলাদা এভিয়েশন ইউনিট বা এভিয়েশন সার্ভিস গঠনকে বাস্তবসম্মত মনে করছেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ‘নতুন ইউনিট গঠনের আগে বিদ্যমান সক্ষমতা ও রক্ষণাবেক্ষণ ব্যবস্থার উন্নয়ন জরুরি”।

‘রাশিয়ার হেলিকপ্টার দুটি শিগগিরই আসবে’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, “আগের সরকারের সময় বাংলাদেশ পুলিশের জন্য রাশিয়া থেকে দুটি এম আই-১৭ হেলিকপ্টার কেনা হলেও আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা ও অর্থ লেনদেন জটিলতায় সেগুলো এখনও দেশে পৌঁছায়নি। তবে সংশ্লিষ্ট দেশের ক্লিয়ারেন্স পাওয়া গেছে এবং শিগগিরই হেলিকপ্টার দুটি সরবরাহ করা হবে বলে আশা করা হচ্ছে। তবে শুধু হেলিকপ্টার পেলে হবে না, পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের সক্ষমতাও থাকতে হবে। এমআই-১৭ পুলিশ এখন মেইনটেইন করতে পারবে কি না, সেটিও বড় প্রশ্ন”।

হেলিকপ্টারগুলো দেশে এলে সেনাবাহিনীর সহায়তায় রক্ষণাবেক্ষণ কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “প্রয়োজনে বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে প্রয়োজন অনুযায়ী হেলিকপ্টার সমন্বয়ের ব্যবস্থাও করা হতে পারে। বর্তমানে র‍্যাবের একটি হেলিকপ্টার থাকলেও সেটির রক্ষণাবেক্ষণ সন্তোষজনক নয়”।

রাজশাহী সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি জানান, ওই হেলিকপ্টারে উঠতে তিনি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেননি।

তিনি আরও বলেন, “বিজিবির দুটি হেলিকপ্টারের মধ্যে একটি প্রায়ই রক্ষণাবেক্ষণে থাকে, আর অন্যটি অচল অবস্থায় রয়েছে। এ বাস্তবতায় নতুন করে আলাদা এভিয়েশন ইউনিট গঠনের চেয়ে বিদ্যমান সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেওয়া উচিত”।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “শুধু মর্যাদার জন্য কোনো সংস্থার হেলিকপ্টার দরকার হলে সেটা আলাদা বিষয়। কিন্তু আমাদের আগে বাস্তব সক্ষমতা নিশ্চিত করতে হবে। তবে ভবিষ্যতে পুলিশের দক্ষতা ও সক্ষমতা সন্তোষজনক পর্যায়ে পৌঁছালে এভিয়েশন ইউনিট গঠনের বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে”।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা