বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার গঠন করা সেলের দ্বিতীয় সভায় কথা বলেন সংশ্লিষ্ট সেলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। ছবি: পিআইডি
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নে জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সেলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা ও সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার অনুযায়ী, আগামী ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারমূলক উদ্যোগ।
বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সোমবার গঠন করা সেলের দ্বিতীয় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। সচিবালয়ে নজরুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সরকারের নির্বাচনি অঙ্গীকার অনুযায়ী আগামী সভায় বৃক্ষরোপণ কার্যক্রম সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য চারা সংগ্রহ, উপযুক্ত প্রজাতির গাছ নির্বাচন, অঞ্চলভিত্তিক মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী বৃক্ষ নির্ধারণ, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও সংস্থার কার্যক্রমের সমন্বয় এবং সার্বিক মনিটরিং বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, ২০২৬ সালের মধ্যে প্রথম ধাপে ৫ কোটি বৃক্ষরোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। তিনি মাটির ধরন অনুযায়ী উপযুক্ত প্রজাতির গাছ লাগানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন এবং টেকনিক্যাল কমিটির সুপারিশ বাস্তবায়নে বন অধিদপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম বলেন, শুধু বৃক্ষরোপণ করলেই হবে না, একই সঙ্গে বন উজাড় রোধেও কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।
তিনি বলেন, সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বন অধিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী দেশব্যাপী বনজ, ফলজ ও ঔষধি গাছ রোপণ করা হবে।
সভায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী (সচিব পদমর্যাদা) ও টেকনিক্যাল এক্সপার্ট ড. মো. সাইমুম পারভেজ, ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. মো. নুরুল ইসলাম এবং টেকনিক্যাল এক্সপার্ট জামাইল বশীর জেবি উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়াও ভূমি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব, স্থানীয় সরকার বিভাগে অতিরিক্ত সচিব, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এবং বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক উপস্থিত ছিলেন।