প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৮ মে ২০২৬ ২০:২২ পিএম
গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক উপলক্ষে শুক্রবার সকালে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউ ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ ধর্মঘট পালন করেন ৩০টি যুব সংগঠন ও ৮টি গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম ইয়ুথ হাবের শতাধিক তরুণ। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জীবাশ্ম জ্বালানি বন্ধের পাশাপাশি নবায়নযোগ্য রূপান্তরের দাবিতে তরুণরা ধর্মঘট করেছেন ।
গ্লোবাল ক্লাইমেট স্ট্রাইক উপলক্ষে শুক্রবার সকালে ঢাকার মানিক মিয়া এভিনিউ ও জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ ধর্মঘট পালন করা হয়।
‘প্রকৃতি ছাড়া ভবিষ্যৎ নেই’- এই স্লোগানকে
সামনে রেখে একশনএইড বাংলাদেশসহ দেশের ৩০টি যুব সংগঠন এবং ৮টি গ্লোবাল প্ল্যাটফর্ম ইয়ুথ
হাবের শতাধিক তরুণ প্রতিনিধিরা এই কর্মসূচিতে অংশ নেন।
এ সময় অবিলম্বে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার বন্ধ করে নবায়নযোগ্য জ্বালানির
দিকে পদ্ধতিগত পরিবর্তনের (জাস্ট ট্রানজিশন) ডাক দেন তরুণ জলবায়ু কর্মীরা।
এসময় তরুণ বক্তারা জানান, উন্নত দেশগুলোর অপরিকল্পতিভাবে জীবাশ্ম
জ্বালানী ব্যবহারের কারণে বিশ্বের তাপমাত্রা, পরিবেশ দূষণ বাড়ছে।
এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য প্রয়োজন নবায়নযোগ্য জ্বালানীতে গুরুত্বারোপ
করা। তাহলেই একটি উন্নত দেশ ও পৃথিবী গড়া সম্ভব বলে দাবি করেছেন তারা।
সমাবেশে প্রতীকী প্রতিবাদ হিসেবে তারা পরিত্যক্ত প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি
একটি বিশালাকৃতির ‘দানব’ প্রদর্শন
করেন, যা পরিবেশের ওপর প্লাস্টিক ও জীবাশ্ম জ্বালানির ভয়াবহ প্রভাবকে ফুটিয়ে তোলে।
এ সময় জলবায়ু কর্মীরা বলেন, সারা বিশ্ব যখন নবায়নযোগ্য জ্বালানীর
দিকে যাচ্ছে তখন বাংলাদেশ তেল ও কয়লা ভিত্তিক জ্বালানীর দিকে ঝুকছে। কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্র
থাকলেও কয়লা সংকটে শতভাগ বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হয় না।
তাদের দাবি বতমান ও নতুন প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর পৃথিবী দিতে
চাইলে এখনই জীবাশ্ম জ্বালানী থেকে সরে আসা দরকার।
ধরিত্রী রক্ষায় আমরা ও রাইটার্সসহ বিভিন্ন সংগঠনের উদ্যোগে জাতীয়
প্রেসক্লাবের সামনে অনুষ্ঠিত সমাবেশে তরুণরা বলেন, বাংলাদেশের জ্বালানি ফসিল ফুয়েল,
কয়লা নির্ভর হওয়ায় বছরে ৪২ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করতে হয়।
এতে দেশে ঋণের পরিমাণ বাড়ছে। আমরা তরুণ প্রজন্ম ঋণের এসব বোঝা সারা জীবন টানতে চাই না। তারা বলেন,
সরকার ১০ হাজার কিলোওয়াট সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বললেও তা বাস্তবায়নে কার্যকর ভূমিকা
দেখা যাচ্ছে না। সরকার তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে বাস্তবায়নে গড়িমসি করছে।