প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:২৪ পিএম
আপডেট : ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৩২ পিএম
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশে নতুন বাড়ি নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।
‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ সদস্য মাসুদ রানার নেতৃত্বে এবং সংগঠনটির সদস্য সচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুনের উপস্থিতিতে মঙ্গলবার বিকালে উপজেলার মাসকরা গ্রামে এসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বাড়ি নির্মাণের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করা হয়।
‘ধানের শীষে ভোট দেওয়াকে কেন্দ্র করে বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ, ভুক্তভোগী মায়ের কান্না’ শীর্ষক একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি বিএনপির চেয়ারম্যান ও আমরা বিএনপি পরিবার’-এর প্রধান পৃষ্ঠপোষক প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দৃষ্টিগোচর হয়। মানবিক বিবেচনায় তাৎক্ষণিক তিনি তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমনকে পরিবারটির পাশে দাঁড়ানোর নির্দেশ প্রদান করেন।
ক্ষতিগ্রস্ত এই পরিবারের প্রতি বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সহমর্মিতার বার্তা পৌঁছে দেন কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন। পাশাপাশি অপরাধীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এছাড়া হামলার সময় গুরুতর আহত ইউনিয়ন যুবদলের সাংগঠনিক জাহিদুল হাসান মাসুমকে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়।
এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন– ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-১১ (চৌদ্দগ্রাম) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মোঃ কামরুল হুদা-সহ ‘আমরা বিএনপি পরিবার’-এর সদস্য মোস্তাকিম বিল্লাহ, ফরহাদ আলী সজীব, রুবেল আমিন, বুয়েট ছাত্রদলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ, ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতা আব্দুল্লাহ আল মিসবাহসহ স্থানীয় বিএনপি নেতৃবৃন্দ।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে কামরুল হুদা বলেন, ‘‘নির্যাতিত ও ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি নৈতিক দায়িত্ব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান-এর নির্দেশে ‘আমরা বিএনপি পরিবার’ সেই দায়িত্ববোধ থেকেই সবসময় অসহায় ও বিপদগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে মানবিক সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে।’’
উল্লেখ্য, গত ৪ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে সন্ধ্যা আনুমানিক সাড়ে ৬টার দিকে কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলার বাতিশা ইউনিয়নের সোনাপুর গ্রামে একদল দুর্বৃত্ত অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটায়। এতে কৃষক মিলন-সহ অন্তত পাঁচটি পরিবারের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে যায় এবং তারা সর্বস্ব হারিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হন।