প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:১০ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের প্রতিনিধি দল। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছে ঢাকাস্থ ব্রিটিশ হাইকমিশনের একটি প্রতিনিধি দল।
সচিবালয়ে উপদেষ্টার অফিস কক্ষে মঙ্গলবার এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মো. মানসুর হোসেন স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
বৈঠকে মার্টিন ডওসন এর নেতৃত্বে ব্রিটিশ প্রতিনিধিদলের সদস্য নেইল গান্ধী ও বিশ্বজিত দেব উপস্থিত ছিলেন।
সাক্ষাতের শুরুতেই উপদেষ্টা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহত্তম উন্নয়ন সহযোগী দেশ হিসেবে যুক্তরাজ্য সরকার ও জনগণকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান ।
বৈঠকে ব্রিটিশ প্রতিনিধি দলের সদস্য নেইল গান্ধী বর্তমান আমলাতন্ত্রের অবস্থা, কার্যক্ষমতা এবং পূর্বের সরকারের সময়ে নিয়োগে কোনো অনিয়ম হয়েছে কি না এবং এ বিষয়ে নির্বাচিত সরকার কিভাবে চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবিলা করবে সে বিষয়ে জানতে চান।
বর্তমান প্রশাসনের চ্যালেঞ্জসমূহ উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রশাসনে রাজনীতিকীকরণ ও দুর্নীতি ব্যাপক বিস্তার লাভ করে। ফলশ্রুতিতে প্রশাসন তার গৌরব ও জৌলুস অনেকাংশে হারিয়ে ফেলে।
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার মেরিটোক্রেসির বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রশাসনে যোগ্যতা ও সততার ভিত্তিতে নিয়োগ, পদায়ন ও পদোন্নতি প্রদান করছে এবং হৃত গৌরব ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
বর্তমান সরকারের নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে এবং পর্যবেক্ষণ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মাধ্যমে তাদের কারিগরি সহায়তা প্রদানের আগ্রহ প্রকাশ করলে উপদেষ্টা বলেন, কারিগরি সহায়তা প্রদানের আনুষ্ঠানিক প্রস্তাব পেলে আলোচনার মাধ্যমে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।
উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশের প্রশাসন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্তরাজ্যের প্রশাসনের একটি লিগ্যাসি আছে। তাই কর্মকর্তাদের দক্ষতা বৃদ্ধিসহ বাংলাদেশের প্রশাসনিক উন্নয়নে দুই দেশ একত্রে কাজ করতে পারে।