বাসস
প্রকাশ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬ ২১:০৮ পিএম
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের জাহাজ। ফাইল ফটো
বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও যথাযোগ্য মর্যাদায় আগামীকাল মঙ্গলবার উদযাপিত হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী।
ঢাকার আগারগাঁওয়ের কোস্ট গার্ড সদর দপ্তরে দিনটি পালনে বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।
বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার সাব্বির আলম সুজন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সোমবার এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এছাড়াও অনুষ্ঠানে উচ্চপদস্থ সামরিক ও অসামরিক ব্যক্তিবর্গ এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা অংশ নেবেন।
অনুষ্ঠানে কোস্ট গার্ডের কর্মকর্তা, নাবিক ও অসামরিক ব্যক্তিবর্গের বীরত্ব ও সাহসিকতাপূর্ণ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ মোট ১৪ জনকে পদক প্রদান করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মধ্যে ৪ জনকে কোস্ট গার্ড পদক, ৪ জনকে কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক, ৩ জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড পদক এবং ৩ জনকে প্রেসিডেন্ট কোস্ট গার্ড (সেবা) পদক দেওয়া হবে।
দেশের বিশাল উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও সমুদ্র সম্পদের সুরক্ষায় ১৯৯৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার উদ্যোগে এই বাহিনীর আইনি ভিত্তি রচিত হয়। তার দূরদর্শী নেতৃত্বে ১৯৯৫ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি এই বাহিনীর গোড়াপত্তন হয় এবং একই বছরের ১৯ ডিসেম্বর তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাহিনীটির শুভ উদ্বোধন করেন।
বিগত তিন দশকে উপকূলীয় মানুষের নিরাপত্তা ও আস্থার প্রতীকে পরিণত হয়েছে বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড। বর্তমানে এই বাহিনী চারটি জোনে বিভক্ত হয়ে ৬৩টি স্টেশন ও আউটপোস্ট, ২৮টি জাহাজ এবং ১৩৮টি দ্রুতগামী বোটের মাধ্যমে দেশের সমুদ্রসীমা ও ২১টি উপকূলীয় জেলার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছে।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সংরক্ষণ, বন্দরসমূহের নিরাপত্তা, সুন্দরবনসহ ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রক্ষা, মাদক ও চোরাচালান প্রতিরোধ, মানবপাচার রোধ, জলদস্যু দমন এবং দুর্যোগকালীন উদ্ধার অভিযানে এই বাহিনী গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে।