প্রতিদিনের বাংলাদেশ
প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬ ১০:০৬ এএম
প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর প্রতিনিধি সভায় হাজির হয়েছিলেন সারা দেশের তিন শতাধিক সাংবাদিক। একই রঙের টি-শার্ট পরে তারা রাঙিয়ে তুলেছিলেন পুরো অনুষ্ঠানস্থল। শনিবার রংধনু গ্রুপের করপোরেট অফিসের নিচতলায় দিনব্যাপী এই বর্ণাঢ্য আয়োজন ছিল প্রাণচ্ছ্বাসে ভরপুর। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
গণতন্ত্রের নবযাত্রায় প্রতিদিনের বাংলাদেশকে আরও উদার, উদ্ভাসিত ও প্রাণোজ্জ্বল প্রতিজ্ঞায় সুবাসিত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন প্রতিনিধিরা। তারা দেশে গণ-যঞ্ঝাবিক্ষুব্ধ এই গণতান্ত্রিক যাত্রায় পত্রিকাটিকে দেশের আপামর জনতার কাছে আরও গ্রহণযোগ্য ও প্রশংসাতুল্য করে তুলবেন। মানুষের সমস্যা ও সম্ভাবনাকে পত্রিকার পাতায় তুলে ধরবেন। তাদের এই প্রতিজ্ঞা ও প্রত্যাশা গ্রীষ্মের এই তাপপ্রবাহেও বসন্তের আমেজ এনেছে। গতকাল শনিবার প্রতিদিনের বাংলাদেশের প্রতিনিধি সভায় দেশের বিভাগীয় ব্যুরো, আঞ্চলিক, জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি সভায় অংশ নিয়ে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
তারা প্রত্যয় ব্যক্ত করেন, প্রতিদিনের বাংলাদেশকে দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকায় পরিণত করতে নিজেদের সর্বোচ্চ মেধা-মনন দিয়ে চেষ্টা করবেন। তা ছাড়া পত্রিকাটির প্রচার-প্রসারে মুদ্রণ সংস্করণের পাশাপাশি ডিজিটাল প্লাটফর্মকে আরও শক্তিশালী করতে সব ক্ষেত্রে কাজ করবেন।
গতকাল রাজধানীর বিশ্বরোডস্থ কুড়িলে প্রতিদিনের বাংলাদেশের নিজস্ব কার্যালয়ে দুই পর্বে প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় তিন শতাধিক প্রতিনিধি অংশ নেন। বেলা সাড়ে ১১টায় উদ্বোধনী পর্বে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন রংধনু গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার প্রকাশক কাউসার আহমেদ অপু। বিশেষ অতিথি ছিলেন, রংধনু গ্রুপের ভাইস চেয়ারম্যান মেহেদী হাসান দিপু। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন পত্রিকার ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোরছালীন বাবলা, রংধনু গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড মিডিয়া সাইফুল ইসলাম, গ্রিন টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হাসান মাহবুব প্রমুখ।
প্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ কাজ পত্রিকার সবচেয়ে ভালো অর্জন : কাউসার আহমেদ অপু বলেন, প্রতিনিধিদের সর্বোচ্চ কাজ পত্রিকার সবচেয়ে ভালো অর্জন। বাংলাদেশে অনেক পত্রিকা রয়েছে। তারা প্রত্যেকেই নিজেদের (বেস্ট) সর্বোচ্চটা দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরাও চাই আপনাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ কাজটা। কেননা আপনাদের সর্বোচ্চটা আমাদের জন্য সবচেয়ে ভালো অর্জন।
তিনি বলেন, পত্রিকাটি আপনাদের (প্রতিনিধি) নিরলস পরিশ্রমের মাধ্যমে তিন বছর অতিক্রম করেছে। আমরা আপনাদের বেস্টটা চাই, আর আপনাদেরও আমাদের বেস্টটা দেব। তিনি রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম ও নিজের জন্য সবার দোয়া কামনা করেন।
প্রতিনিধিদের উদ্দেশে তিনি বলেন, পত্রিকা হচ্ছে সমাজের আয়না। আপনারা যে নিউজটা পাঠান তা যেন সত্য হয়, সেটার দিকে খেয়াল রাখবেন। আমরা চাই নিউজে যেন কোনো ধরনের ভুলভ্রান্তি না থাকে। এ বিষয়ে সবসময় চেষ্টা করবেন।
কাউসার আহমেদ অপু বলেন, আমাদের সম্পাদক, ব্যবস্থাপনা সম্পাদকসহ যারা পত্রিকা নিয়ে কাজ করেন, তারা আপনাদের জন্য নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। এ ছাড়াও গ্রিন টেলিভিশনসহ যারা প্রতিনিধি সভার জন্য কাজ করছেন সবাইকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
তিনি আরও বলেন, জার্নালিজমের পারপাস থেকে বলি আর বিজনেস পারপাস থেকে বলি আর নিজস্ব পক্ষ থেকেই বলি না কেন, আমরা আসলে ভালো নেই। আমাদের দেশ ভালো নেই, সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করতে হবে।
সাংবাদিকরা জনগণের বার্তাবাহক : সাংবাদিকরা মানবিক পয়গম্বর বলে অভিহিত করে প্রতিদিনের বাংলাদেশের সম্পাদক মারুফ কামাল খান বলেন, সাংবাদিকরা জনগণের বার্তাবাহক। কেননা সাংবাদিকরা মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, স্বপ্ন-প্রত্যাশা, সমস্যা-সংকট, ঘটনা-রটনা, কালি-কলম-সেলফোন-ল্যাপটপ-ক্যামেরার মাধ্যমে তুলে ধরেন। এ কাজে প্রতিটি অঞ্চলে আপনারাই (প্রতিনিধি) আমাদের দূত বা মেসেঞ্জার।
প্রতিনিধিদের উদ্দেশে মারুফ কামাল খান বলেন, মেসেঞ্জার শব্দটি উচ্চারণের সঙ্গে সঙ্গে আমার অন্তর দুলে উঠল। মূলত আল্লাহ্র নবীদের মেসেঞ্জার বলা হয়। তারা মেসেঞ্জার অব গড, ঈশ্বরের দূত। নবুয়তের দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর আখেরি জমানায় আর কারও নবী হওয়ার সুযোগ নেই। ফার্সি ভাষায় নবীকে পয়গাম্বর বলা হয়। পয়গাম মানে বার্তা, আর পয়গাম্বর মানে বার্তাবাহক, ইংরেজিতে মেসেঞ্জার। সাংবাদিকেরা আল্লাহ্র বার্তাবাহক নন, কিন্তু মানুষের বার্তাবাহক, মানবিক পয়গাম্বর। নিজেকে ছোট ভাববেন না। আপনারা এক পরম পবিত্র দায়িত্ব পালন করছেন। এ দায়িত্বকে আমি ইবাদতের শামিল মনে করি। নিষ্ঠার সঙ্গে, আন্তরিকতা, সততা, দক্ষতা, যোগ্যতা ও নৈপুণ্যের সঙ্গে এ পুণ্য কর্তব্য পালন করলে যে অশেষ সওয়াব হাসিল হবে, তাতে আমার কোনো সন্দেহ ও সংশয় নেই।
সারা দেশের সাংবাদিকদের মিলনকে বসন্তের সঙ্গে তুলনা করে সম্পাদক বলেন, অনেক আগেই আমি যৌবনের সিংহদরজা পেরিয়ে জীবনের সায়াহ্নকালে পৌঁছেছি। অনেক বসন্ত পেরিয়ে আসা মানুষ আমি। আমাদের প্রকৃতিও এখন নিদাঘ গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ছে। বসন্তকাল বিদায় নিয়েছে বেশ আগেই। তবুও আজ আপনাদের সবাইকে নিয়ে এই অনুষ্ঠানে মিলিত হয়ে আমার মনে হচ্ছে, এ যেন এক বসন্তের জলসা। ফুল ফুটুক আর না ফুটুক আজ বসন্ত।
তিনি বলেন, আজকের এই আয়োজনে আমি উদ্ভাসিত হচ্ছি প্রমত্ত আনন্দে। রুংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ মো. রফিকুল ইসলাম এ আয়োজনে বিপুল ব্যয়ের বদান্যতা দেখানোয় তাকে অভিনন্দন ও ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছা বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোরছালীন বাবলা বলেন, দেশের শীর্ষস্থানীয় পত্রিকাগুলোর তালিকায় প্রতিদিনের বাংলাদেশ ইতোমধ্যে গুরুত্বপূর্ণ অবস্থান তৈরি করেছে।
তিনি জানান, রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলামের নেতৃত্ব ও নিরলস প্রচেষ্টায় পত্রিকাটি তিন বছর অতিক্রম করেছে।
তবে প্রতিদিনের বাংলাদেশ-এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয় ২০২২ সালের ২৫ ডিসেম্বর। এরপর ২০২৩ সালের ৮ জানুয়ারি পত্রিকাটি ব্যাপক কলেবরে সারা দেশের পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।
তিনি আরও বলেন, আমরা সবসময় সংবাদকে প্রাধান্য দিয়েছি। মাঠপর্যায়ে প্রতিনিধিরাই আমাদের মূল শক্তি। তাদের পরিশ্রমেই পত্রিকা এগিয়ে যাচ্ছে। সাংবাদিকতার পেশাগত চ্যালেঞ্জের কথাও তুলে ধরে তিনি বলেন, আর্থিক নিরাপত্তা ও সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে এই শিল্প আরও এগিয়ে যেতে পারত।
দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিদিনের বাংলাদেশ বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রংধনু গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড মিডিয়া সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, দেশের গণ্ডি পেরিয়ে একদিন বিশ্বব্যাপী পরিচিতি পাবে পত্রিকাটি।
অত্যন্ত নিষ্ঠা ও সফলতার সঙ্গে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকা টিকিয়ে রাখায় রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান আলহাজ রফিকুল ইসলামের প্রশংসা করে সাইফুল ইসলাম বলেন, রংধনু গ্রুপের চেয়ারম্যান অত্যন্ত প্রতিকূলতার মধ্যেও পত্রিকাটি টিকিয়ে রেখেছেন। তার অক্লান্ত পরিশ্রম ও নিষ্ঠার ফলেই পত্রিকাটি আজকের অবস্থানে পৌঁছেছে।
প্রতিনিধিরা পত্রিকাটিকে ধারণ ও লালন করে সভায় উপস্থিত হওয়ায় তিনি কৃতজ্ঞতা জানান। বলেন, রংধনু গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান প্রতিদিনের বাংলাদেশ বিগত তিন বছর ধরে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে আগামীতে তা অব্যাহত থাকবে। আমরা প্রত্যাশা করি আগামীতে বাংলাদেশসহ বিশ্বে পত্রিকাটি একনামে পরিচিতি পাবে।
তিনি বলেন, বুক তার বাংলাদেশের হৃদয় শুধু এটা নয় বরং আমাদের এখন স্লোগান হবে প্রতিটি বুকে প্রতিদিনের বাংলাদেশ যেন একটি স্বপ্ন ও ছায়া হিসেবে বেঁচে থাকে। সাইফুল ইসলাম বলেন, সকল সেক্টরে পত্রিকাটি যথাযথভাবে পৌঁছে দেওয়া অব্যাহত রাখবেন।
প্রতিনিধিদের উদ্দেশে সাইফুল ইসলাম বলেন, তাদের শ্রম ও আন্তরিক প্রচেষ্টার ফলেই পত্রিকাটি দ্রুত জনপ্রিয়তা পেয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রতিটি প্রান্তে সংবাদ পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।
গ্রিন টেলিভিশনের হেড অব নিউজ হাসান মাহবুব সম্মেলনের সফলতা ও সার্থকতা প্রত্যাশা করেন।
ব্যুরো ও জেলা প্রতিনিধিদের বক্তব্যে চট্টগ্রাম ব্যুরো প্রধান সুবল বড়ুয়া বলেন, আমি পাহাড়-সমুদ্রে ঘেরা চট্টগ্রামের সন্তান। আমাদের প্রতিনিধিদের পরিশ্রমের কারণে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পাঠক মহলে জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে।
তিনি বিজ্ঞাপনের বাজার নিয়ে বলেন, এখন বিজ্ঞাপনের বাজার কঠিন হয়ে গেছে। আমাদের এ বিষয়টি মাথায় রেখেই কাজ করতে হবে।
মধ্যাঞ্চলীয় ব্যুরো প্রধান সাইফুল হক মোল্লা দুলু বলেন, ৫ আগস্ট ২০২৪-এর পর কয়েকটি পত্রিকাটি কোমর বেঁধে বিজ্ঞাপন নিয়েছে। আমরা সেখানে কাজ করতে গেলে কিছুটা সমস্যায়ও পড়েছিলাম। তবে অনেকেই পত্রিকার মালিক পক্ষের সুনাম করে বিজ্ঞাপন অব্যাহত রেখেছে। তিনি বলেন, কিশোরগঞ্জে প্রতিদিনের বাংলাদেশ একটি শীর্ষস্থান দখল করতে সক্ষম হয়েছে।
রংপুর ব্যুরো প্রধান মেরিনা লাভলী বলেন, আমরা তৃণমূল থেকে সংবাদ তুলে নিয়ে আসি। তিন বছরে পত্রিকাটি যে পর্যায়ে রয়েছে সেখানে রংপুরে তার অবস্থান শীর্ষে। আমরা সবাই মিলে প্রতিদিনের বাংলাদেশকে শ্রেষ্ঠ স্থানে নিতে চাই। আর এজন্য আমাদের প্রতিও আপনাদের মূল্যায়ন অব্যাহত রাখতে হবে।
রাজশাহীর ব্যুরো প্রধান রাজু আহমেদ প্রতিনিধি সম্মেলন আয়োজনের জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। পটুয়াখালীর প্রতিবেদক এনায়েতুর রহমান বলেন, আমার ৩৮ বছরের সাংবাদিকতার জীবনে এটিকে পেশার চেয়ে নেশায় পরিণত হয়েছে। পটুয়াখালীতে প্রতিদিনের বাংলাদেশ নিজের স্থান করে নিয়েছে। আমার অঞ্চলের কোন সমস্যাটি সবচেয়ে বেশি সেই খবরটি তুলে ধরছি। তিনি বলেন, আমাদের পত্রিকার কর্তৃপক্ষ অনেক সক্ষম ও মানবিক।
দিনাজপুর প্রতিবেদক শাহ আলম শাহী বলেন, ১৯৮৬ সাল থেকে সাংবাদিকতা করছি। তিনি পত্রিকার প্রচার প্রসারের জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেন।
উদ্বোধনী অধিবেশন দুপুর ১টায় শেষ হয়। মধ্যাহ্ন বিরতির পর বেলা ৩টায় দ্বিতীয় অধিবেশন শুরু হয়ে চলে সাড়ে ৫টা পর্যন্ত। প্রতিদিনের বাংলাদেশের উপসম্পাদক হোসেন শহীদ মজনুর উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোরছালীন বাবলা, সিটি এডিটর আবু কাউসার, রংধনু গ্রুপের হেড অব ব্র্যান্ড মিডিয়া সাইফুল ইসলাম, প্রতিদিনের বাংলাদেশের সহযোগী সম্পাদক ইমতিয়ার শামীম, হেড অব নিউজ কামরুল হাসান খান, সিটি এডিটর ও চিফ রিপোর্টার আবু কাওসার, ডিজিটাল ইনচার্জ আজহারুল ইসলাম, জিএম সার্কুলেশন মো. আব্দুল হক, বিজ্ঞাপন ইনচার্জ মুহাম্মদ জাকির হোসন কনক জিএম প্রশাসন জাকির হোসাইন, ফিচার বিভাগের আরফাতুন নাবিলা, ন্যাশনাল ডেস্ক ইনচার্জ শামসুল আলম সেতু প্রমুখ।
এ পর্বে প্রতিনিধিরা নিজেদের কাজের ক্ষেত্রে কী ধরনের সমস্যার মুখোমুখি হন সে বিষয়ে আলোচনা করেন। তারা এসব সমস্যা সমাধানে অফিসের সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। জবাবে ব্যবস্থাপনা সম্পাদক মোরছালীন বাবলা যাবতীয় সমস্যা সমাধান করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করে সবার সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।