ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স
প্রবা প্রতিবেদন
প্রকাশ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬ ১২:২৭ পিএম
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাস্কাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
প্রবাসী বাংলাদেশিদের নিরবচ্ছিন্ন যাতায়াত সেবা নিশ্চিত করতে মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন গন্তব্যে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্সের ফ্লাইট চলাচল আবারও স্বাভাবিক হয়েছে।
সাম্প্রতিক যুদ্ধ পরিস্থিতি ও বিভিন্ন নিষেধাজ্ঞার কারণে গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে এসব রুটে ফ্লাইট সূচিতে সাময়িক বিঘ্ন ঘটেছিল। পরিস্থিতির উন্নতির পর এয়ারলাইন্সটি পুনরায় নিয়মিতভাবে ফ্লাইট পরিচালনা শুরু করেছে।
বর্তমানে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স দুবাই, শারজাহ, আবুধাবি, মাস্কাট, দোহা, রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে নিয়মিত ফ্লাইট পরিচালনা করছে।
এসব রুটে প্রবাসী বাংলাদেশিদের যাতায়াত আরও সহজ ও স্বাচ্ছন্দ্যময় হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে আগামী ২৩ এপ্রিল থেকে ঢাকা-দোহা রুটে পুনরায় ফ্লাইট চালু হচ্ছে।
এই রুটে প্রতিদিন সন্ধ্যা ৭টা ৩০ মিনিটে ঢাকা থেকে দোহার উদ্দেশে ফ্লাইট ছেড়ে যাবে এবং একই দিনে স্থানীয় সময় রাত ১১টা ৩০ মিনিটে দোহা থেকে ঢাকার উদ্দেশে ফিরতি ফ্লাইট পরিচালিত হবে।
ঢাকা-মাস্কাট রুটে সরাসরি ফ্লাইট পরিচালিত হলেও মাস্কাট থেকে ফ্লাইটটি চট্টগ্রাম হয়ে ঢাকায় পৌঁছাবে।
একইভাবে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম হয়ে প্রতিদিন দুবাই রুটে ফ্লাইট চলাচল করছে। আবুধাবি রুটে সপ্তাহে ছয় দিন (বৃহস্পতিবার ব্যতীত) এবং শারজাহ রুটে সপ্তাহে চার দিন ফ্লাইট পরিচালনা করছে এয়ারলাইন্সটি।
সৌদি আরবের রিয়াদ রুটে সপ্তাহে পাঁচ দিন এবং জেদ্দা রুটে সপ্তাহে তিন দিন ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যে কর্মরত বাংলাদেশি প্রবাসীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে বড় স্বস্তি নিয়ে এসেছে।
ফ্লাইট পরিচালনায় ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স মধ্যম ও দীর্ঘ দূরত্বের রুটে বিভিন্ন ধরনের উড়োজাহাজ ব্যবহার করছে।
মধ্যপ্রাচ্যের অধিকাংশ রুটে বোয়িং ৭৩৭-৮০০ এবং রিয়াদ ও জেদ্দা রুটে এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ উড়োজাহাজ দিয়ে ফ্লাইট পরিচালনা করা হচ্ছে।
বর্তমানে এয়ারলাইন্সটির বহরে মোট ২৫টি উড়োজাহাজ রয়েছে, যার মধ্যে রয়েছে তিনটি এয়ারবাস ৩৩০-৩০০ এবং নয়টি বোয়িং ৭৩৭-৮০০।
প্রবাসীদের ক্রমবর্ধমান চাহিদা ও যাত্রীসেবার মান উন্নয়নের অংশ হিসেবে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইন্স আগামী দিনে আরও রুট সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নিয়েছে।
এর অংশ হিসেবে খুব শিগগিরই মদিনা ও দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে এয়ারলাইন্সটি।
মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট স্বাভাবিক হওয়ায় প্রবাসী বাংলাদেশিদের ভ্রমণ আরও সহজ হবে এবং যাতায়াতের চাপও কমবে বলে আশা করা হচ্ছে।