× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

নির্বাহীশূন্য দুদকে স্থবিরতা

তোফাজ্জল হোসেন কামাল

প্রকাশ : ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ০৮:৫৩ এএম

আপডেট : ০৬ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৫ এএম

নির্বাহীশূন্য দুদকে স্থবিরতা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

নির্বাহীশূন্য দুদকে স্থবিরতা। গ্রাফিক্স: প্রতিদিনের বাংলাদেশ

নির্বাহীশূন্য অবস্থায় এক মাস পার করেছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবিরোধী একমাত্র সংস্থাÑ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। কমিশনের সদস্য সংখ্যা কতজন হবে, তা সংশোধিত নতুন অধ্যাদেশ অনুযায়ী চূড়ান্ত না হওয়ার আগ পর্যন্ত নতুন নির্বাহীসহ (চেয়ারম্যান) কমিশন পাচ্ছে না দুদক।

জানা গেছে, জাতীয় সংসদে কমিশনের সদস্য সংখ্যার বিষয়টি চূড়ান্ত হবে। দুদক (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫-এর গেজেট অনুসারে কমিশনের সদস্য সংখ্যা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে দুদক সংস্কার কমিশনের প্রতিবেদনে। এই নোট অব ডিসেন্ট রেখেই দুদক (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫ (২০২৫ সালের ৭৯ নং অধ্যাদেশ) এর গেজেট প্রকাশ হয়েছে ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর। অন্তর্বর্তী সরকারের আমলের এই গেজেটটি প্রকাশের দিন থেকেই কার্যকর।

এদিকে কমিশনের অনুপস্থিতিতে মামলা, অনুসন্ধান, তদন্ত, অভিযানসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত কে নেবে, সেটি দুদক আইন বা বিধিতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ না থাকায় বারবার প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি হচ্ছে। ফলে চলমান অনুসন্ধান ও তদন্ত এবং কিছু নিয়মিত রুটিন কার্যক্রম ছাড়া অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত কার্যত থমকে আছে।

কমিশনের বর্তমান কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে চাইলে দুদকের উপ-পরিচালক (জনসংযোগ) মো. আকতারুল ইসলাম রবিবার প্রতিদিনের বাংলাদেশকে বলেন, কার্যক্রম চলছে। কমিশন সচিবের নির্দেশে প্রশাসনিক কাজগুলো নিয়মিত চলছে। তিনি জানান, দৈনন্দিন কাজগুলো চলছে, আগের অনুসন্ধান, তদন্ত যেভাবে চলছিল সেভাবেই চলছে। শুধু কমিশনের সিদ্ধান্তের জন্য যেসব বিষয় রয়েছে, সেগুলো বন্ধ আছে। 

‘কমিশনের কার্যক্রম স্থবির’Ñ এমনটা বলা যাবে, এমন প্রশ্নে এ কর্মকর্তা বলেন, স্থবির বলা যাবে না।

গত ৩ মার্চ দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার মোহাম্মদ আলী আকবর আজিজি ও অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদ পদত্যাগ করেন। এর ফলে কমিশন সম্পূর্ণ শূন্য হয়ে পড়ে। মোমেন কমিশনের পদত্যাগের ফলে দুদকে চতুর্থবারের মতো এমন জটিল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে।

দুদকের শীর্ষ কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে যদি দুদকের চেয়ারম্যান ও কমিশনারদের পরিবর্তন ঘটে বা মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পদত্যাগ করতে বাধ্য হন, তাহলে কমিশন কখনোই স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারবে না।

দুদক প্রতিষ্ঠার ২১ বছরে সাতটি কমিশন দায়িত্ব পালন করেছে। এর মধ্যে চারটি কমিশনকেই মেয়াদ পূর্ণ হওয়ার আগে বিদায় নিতে হয়েছে। সরকার বদলের সঙ্গে সঙ্গে এই চারটি কমিশনকে পদত্যাগ করতে দেখা যায়। 

পাঁচ বছরের জন্য নিয়োগ পেলেও মাত্র ১৫ মাসের মধ্যে সর্বশেষ গত ৩ মার্চ ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিশনের সবাই পদত্যাগ করেন। 

দুদক কর্মকর্তারা জানান, ২০০৪ সালের দুর্নীতি দমন কমিশন আইন অনুযায়ী কোনো কমিশনার রাষ্ট্রপতির কাছে এক মাসের লিখিত নোটিস দিয়ে পদত্যাগ করতে পারেন। একই আইনে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের বিচারককে যেসব কারণে এবং যে পদ্ধতিতে অপসারণ করা যায়, একই কারণে ও পদ্ধতিতে দুদক কমিশনারদের অপসারণ করা যাবে। এর বাইরে অন্য কোনোভাবে কমিশনারকে অপসারণের সুযোগ নেই।

বাস্তবে দেখা গেছে, বেশিরভাগ কমিশনই নির্ধারিত নোটিস পিরিয়ড পূরণ না করেই পদত্যাগ করেছে। এ ছাড়া নতুন কমিশন নিয়োগ না হওয়া পর্যন্ত কমিশনের অনুপস্থিতিতে কীভাবে সংস্থার কার্যক্রম চলবে, এ বিষয়েও আইনে স্পষ্ট নির্দেশনা নেই।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট গণআন্দোলনের মুখে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। এরপর ৮ আগস্ট ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকার গঠন করা হয়। এরপর সর্বোচ্চ আদালত, নির্বাচন কমিশন, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ পদে রদবদল ঘটে। ওই সময় রদবদলের আলোচনার মধ্যে দেড় বছর বাকি থাকতেই ২৯ অক্টোবর মোহাম্মদ মঈনউদ্দীন আবদুল্লাহর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের কমিশনের সবাই পদত্যাগ করেন। অপর দুই কমিশনার ছিলেন মো. জহুরুল হক ও মোছা. আছিয়া খাতুন। এরপর টানা ৪২ দিন দুদকে কোনো কমিশন ছিল না। এ নিয়ে নানামুখী আলোচনা-সমালোচনা ও স্থবিরতার মুখে ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব নেন আবদুল মোমেন। অন্য দুই কমিশনার যথাক্রমে ১১ ও ১৫ ডিসেম্বর দায়িত্ব নেন। 

কমিশন নিয়োগে কী বলছে সংশোধিত আইন

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন ও দুই কমিশনার পদত্যাগ করার পর এ সংস্থার নেতৃত্বে কারা আসবেন, সেই প্রশ্ন এখন আলোচনায়। এই প্রেক্ষাপটে দুদক চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগের আইনি প্রক্রিয়া এবং সাম্প্রতিক আইন সংশোধনে কী পরিবর্তন এসেছে, তা নিয়ে আলোচনা চলছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৫ সালে অধ্যাদেশের মাধ্যমে দুদক আইন সংশোধনের ফলে কমিশন গঠনের নিয়মে বড় ধরনের পরিবর্তন এসেছে। নতুন বিধানে কমিশনের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর সুযোগ, নারী ও তথ্যপ্রযুক্তিÑ দক্ষ কমিশনার রাখার বাধ্যবাধকতা এবং বাছাই কমিটির কাঠামো পুনর্গঠন করা হয়েছে।

সবশেষ ২০২৫ সালের ২৩ ডিসেম্বর জারি হওয়া ‘দুর্নীতি দমন কমিশন (সংশোধন) অধ্যাদেশ, ২০২৫’ অনুযায়ী, এখন অন্যূন একজন নারী এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তিতে দক্ষ ও অভিজ্ঞ একজন কমিশনারসহ অনধিক পাঁচজন কমিশনারকে নিয়ে কমিশন গঠন করা যাবে। তাদের মধ্যে থেকে রাষ্ট্রপতি একজনকে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেবেন।

বাছাই কমিটি

সংশোধিত আইনে কমিশনার নিয়োগের জন্য সাত সদস্যের একটি বাছাই কমিটি করার কথা বলা হয়েছে। এর সভাপতি হবেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের একজন জ্যেষ্ঠ বিচারক। এ ছাড়া কমিটিতে থাকবেন প্রধান বিচারপতির মনোনীত হাইকোর্ট বিভাগের একজন বিচারক, মহাহিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান, জাতীয় সংসদের স্পিকারের মনোনীত সরকার ও বিরোধী দলের একজন করে দুজন সংসদ সদস্য এবং সুশাসন, দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রম বা দুর্নীতিসংক্রান্ত বিচার পরিচালনায় অন্তত ১৫ বছরের অভিজ্ঞ একজন নাগরিক, যাকে কমিটির সভাপতি মনোনীত করবেন।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ না থাকা অবস্থায় বাছাই কমিটি গঠনের প্রয়োজন হলে দুইজন সংসদ সদস্য ছাড়া কমিটি গঠন করা যাবে।

আইন অনুযায়ী বাছাই কমিটি গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দরখাস্ত ও মনোনয়ন আহ্বান করবে। আবেদনকারীদের জীবনবৃত্তান্ত ও সম্পদের হিসাব বিবরণী জমা দিতে হবে। কমিটি নিজ উদ্যোগেও প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করতে পারবে। যাচাই-বাছাই শেষে যোগ্য প্রার্থীদের একটি সংক্ষিপ্ত তালিকা তৈরি করা হবে। এরপর তাদের সাক্ষাৎকার নেওয়া হবে। সাক্ষাৎকার নেওয়ার প্রয়োজনে কমিটি সর্বোচ্চ দুজন বিশেষজ্ঞকে যুক্ত করতে পারবে। তবে তারা সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে পারবেন না। সবশেষে কমিশনারের প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুজন করে প্রার্থীর নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ আকারে পাঠাবে বাছাই কমিটি।

সিদ্ধান্ত কীভাবে হবে

অধ্যাদেশ অনুযায়ী, বাছাই কমিটি সাধারণত সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর চেষ্টা করবে। তা সম্ভব না হলে উপস্থিত সংখ্যাগরিষ্ঠ সদস্যের মতামতই কমিটির সিদ্ধান্ত হিসেবে গণ্য হবে। ভোট সমান হলে কমিটির সভাপতি বা সভায় সভাপতিত্বকারী ব্যক্তি নির্ণায়ক ভোট দিতে পারবেন। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বাছাই কমিটির কার্যক্রমে সাচিবিক সহায়তা দেবে।

শেষ সিদ্ধান্ত কীভাবে

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, বাছাই কমিটি প্রতিটি শূন্য পদের বিপরীতে দুজনের নাম রাষ্ট্রপতির কাছে সুপারিশ করবে। রাষ্ট্রপতি সেখান থেকে চেয়ারম্যান ও কমিশনার নিয়োগ দেবেন। তবে সংসদীয় সরকার ব্যবস্থায় রাষ্ট্রপতির সিদ্ধান্ত কার্যত প্রধানমন্ত্রীর লিখিত পরামর্শসাপেক্ষ হয়ে থাকে।

কমিশনার হওয়ার যোগ্যতা

সংশোধিত আইনে কমিশনার হওয়ার যোগ্যতাও নতুন করে নির্ধারণ করা হয়েছে। আইন, আইন প্রণয়ন, শিক্ষা, প্রশাসন, বিচার, হিসাব বা নিরীক্ষা, শৃঙ্খলা বাহিনী, আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা দুর্নীতিবিরোধী কার্যক্রমে যথাযথ পর্যায়ে অন্তত ২০ বছরের অভিজ্ঞতা থাকলে কাউকে কমিশনার হিসেবে বিবেচনা করা যাবে।

অধ্যাদেশে বলা হয়েছে, অন্য কোনো রাষ্ট্রে স্থায়ীভাবে বসবাসের অনুমতি নেওয়া, বিদেশি নাগরিকত্ব গ্রহণ বা যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমোদন ছাড়া বিদেশে বিনিয়োগ করাও অযোগ্যতার কারণ হতে পারে।

নতুন আইনে আর কী বদল

সংশোধিত আইনে দুদকের কাঠামো ও কার্যপদ্ধতিতে আরও কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। কমিশনের কার্যালয় যেসব স্থানে থাকবে, সেখানে এক বা একাধিক স্পেশাল জজ আদালত প্রতিষ্ঠার কথা বলা হয়েছে। ‘গোপনীয় অনুসন্ধান’, ‘জ্ঞাত আয়’, ‘এজাহার’ ও ‘আদালত’-এর নতুন সংজ্ঞা যুক্ত করা হয়েছে।

কিছু ক্ষেত্রে তদন্তপূর্ব অনুসন্ধান ছাড়াই সরাসরি এজাহার দায়েরের সুযোগ রাখা হয়েছে। তদন্তের সময়সীমা বিশেষ ক্ষেত্রে আরও ৬০ কর্মদিবস বাড়ানোর সুযোগও যুক্ত হয়েছে। 

কার নির্দেশে চলবে দুদক

প্রায় দুই দশক ধরে স্বাধীনভাবে কাজ করতে না পারায় সমালোচনার কেন্দ্রে রয়েছে দুদক। সংবিধান অনুযায়ী স্বাধীন প্রতিষ্ঠান হলেও বিভিন্ন সময় সরকারের বিভিন্ন সংস্থার হয়ে কাজ করার অভিযোগ উঠেছে কমিশনের বিরুদ্ধে। ফলে বিরোধীদলীয় রাজনীতিক, ভিন্নমতের ব্যবসায়ী ও প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাকে হয়রানির মুখে পড়তে হয়েছেÑ এমন দাবি সংশ্লিষ্ট মহলের। 

বিশেষ করে, গত এক দশকে দুদকের নিরপেক্ষতা নিয়ে নানা সময়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিভিন্ন সময়ে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের নাম আলোচনায় এসেছে। দুদকে ক্ষমতার অপব্যবহারের বিষয়ে নাম আসে নাফিজ সরাফাত ও সালমান এফ রহমানের বিরুদ্ধে। যদিও এসব অভিযোগের দালিলিক কোনো প্রমাণ না থাকলেও রাজনৈতিক পরিসরে তা নিয়ে বিতর্ক থামেনি। অভিযোগ রয়েছে নাফিজ সরাফাত ও সালমান এফ রহমান দুদক নিয়ন্ত্রণ করতেন। তাদের কথাতেই দুদক বিগত দিনে বিরোধীদলীয় রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদেরকে হয়রানি করেছে বলে অভিযোগ আছে। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী সরকারের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় পুলিশ, প্রশাসন, দুদকসহ ব্যবসা খাতের ব্যাংক, পুঁজিবাজার, বিদ্যুৎসহ আরও কিছু খাতে রহস্যজনক, কিন্তু অপ্রতিরোধ্য ব্যক্তি হিসেবে ছিলেন নাফিজ সরাফাত ও সালমান এফ রহমান।

বর্তমান প্রেক্ষাপটে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে দুদককে নিয়ন্ত্রণ করবে কে, কমিশন সত্যিকার অর্থেই কি স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ পাবে? নতুন কমিশন গঠন ও তাদের কার্যক্রমই এ প্রশ্নের উত্তর নির্ধারণ করবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। 

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা