প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৬:৫৯ পিএম
আপডেট : ০৫ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:০৪ পিএম
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের পাশে ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিনার, বাংলাদেশে ইউএনডিপি'র ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ইউএনডিপি-বাংলাদেশ এর রুল অফ ল, জাস্টিস এন্ড সিকিউরিটি বিষয়ক অ্যাডভাইজর রোমানা শোয়াইগার। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
পুলিশ সংস্কারে কাজ করা হচ্ছে, তবে তা রাতারাতি নয় সরকার ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নে বিশ্বাসী বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি স্টিফেন লিনারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রবিবার সৌজন্য সাক্ষাতে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “আমরা পুলিশ সংস্কারে কাজ করছি। তবে তা রাতারাতি নয়, আমরা ধারাবাহিক বা পর্যায়ক্রমিক উন্নয়নে বিশ্বাসী। পুলিশের পুনর্গঠন, সংস্কার, সামর্থ্য ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে ইউএনডিপি বাংলাদেশকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করতে পারে”।
ইউএনডিপির আবাসিক প্রতিনিধি পুলিশ সংস্কারে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দিয়ে বলেন, “জাতীয় মানবাধিকার কমিশন গঠনে ইউএনডিপি'র অবদান অনস্বীকার্য। গত ১৫-১৭ বছর যাবৎ সংস্থাটি জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে কাজ করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, কমিশনের অধ্যাদেশের খসড়া প্রণয়নেও ইউএনডিপি যাবতীয় সহযোগিতা করেছে এবং এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক সর্বোত্তম অনুশীলনগুলো অন্তর্ভুক্ত করার চেষ্টা করা হয়েছে”।
জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশ প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, “মানবাধিকার কমিশন অধ্যাদেশের সঙ্গে স্বাধীন পুলিশ কমিশন গঠনের নিবিড় সম্পর্ক রয়েছে। তাই এর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে প্রয়োজনীয় যাচাই-বাছাই শেষে এ সংক্রান্ত অধ্যাদেশ সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে”।
গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার অধ্যাদেশ সম্পর্কে আবাসিক প্রতিনিধির এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, “এটিও পরবর্তীতে অধিকতর যাচাই-বাছাই শেষে জাতীয় সংসদে বিল আকারে পেশ করা হবে”।
তিনি ব্যাখ্যা করেন, অধ্যাদেশটির দু'একটি সংজ্ঞা এমনভাবে দেয়া হয়েছে যাতে গুমের প্রকৃত নির্দেশদাতা শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে। মন্ত্রী এ সময় তাঁর গুমকালীন অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নকে (এপিবিএন) তদন্তের ক্ষমতা প্রদান প্রসঙ্গে মন্ত্রী স্পষ্ট করেন যে, কেবল তদন্তকারী কর্মকর্তাই তদন্ত করতে পারেন এবং এপিবিএন কোনো তদন্তকারী সংস্থা নয়। তবে তিনি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরো জোরদার করার বিষয়ে প্রতিনিধিদলকে আশ্বস্ত করেন।
বৈঠকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক-১ শাখার যুগ্মসচিব রেবেকা খান, বাংলাদেশে ইউএনডিপি'র ডেপুটি রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ সোনালী দয়ারত্নে, অ্যাসিস্ট্যান্ট রেসিডেন্ট রিপ্রেজেনটেটিভ আনোয়ারুল হক এবং ইউএনডিপি-বাংলাদেশ এর রুল অফ ল, জাস্টিস এন্ড সিকিউরিটি বিষয়ক অ্যাডভাইজর রোমানা শোয়াইগার উপস্থিত ছিলেন।