রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ মার্চ ২০২৬ ১৯:৪১ পিএম
বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম মঙ্গলবার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবোতে চলমান ‘জামদানি ভিলেজ প্রকল্প এলাকা’ পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
জামদানির অতীত ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম।
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলার তারাবোতে চলমান ‘জামদানি ভিলেজ প্রকল্প এলাকা’ পরিদর্শনের পর মঙ্গলবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বাংলার ঐতিহ্য, ইতিহাসের সাক্ষী ২০০ বছরের পুরোনো মসলিন কাপড় পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার। আমরা জামদানি ভিলেজের প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে পরিদর্শনে এসেছি। আমরা জামদানি শিল্পের ঐতিহ্যকে অন্বেষণ করতে সেই সুদূর ইংল্যান্ড পর্যন্ত গিয়েছি। আমরা সেখান থেকে এই শিল্পের ঐতিহ্য নিয়ে এসেছি।
“পাশাপাশি বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে খোঁজে বেরিয়ে যারা এক্সপার্ট আছেন তাদের দিয়ে কাজ করানো হচ্ছে। সরকারের পক্ষ থেকে এটির ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনতে গবেষণা কার্যক্রম থেকে শুরু করে সকল ধরনের যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।”
পাট শিল্প প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “সরকারের নির্বাচনি ইশতেহারেই রয়েছে, যে বন্ধ পাটকল গুলো আছে তা পুনরায় চালু করা হবে। অনেকগুলো পাটকল চালু হয়েছে আবার অনেকগুলো চালুর প্রক্রিয়ায় রয়েছে। এতে দেশে বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টি হবে। দেশী বিদেশি যারা ব্যবসায়ী রয়েছেন আমরা তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এ পাট শিল্পকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সকল ধরনের কার্যক্রম চালাচ্ছি”।
পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী জামদানি ভিলেজ প্রকল্পের অগ্রগতির খোঁজখবর নেন এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। পরে তিনি স্থানীয় তাঁতিদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাদের সমস্যার কথা শোনেন। প্রতিমন্ত্রী ‘আব-ই-রওয়ান’ প্রদর্শনী কেন্দ্রে মসলিন কাপড় তৈরির বিভিন্ন ধাপ, চরকা দিয়ে তুলা থেকে সুতা তৈরি এবং সেই সুতা দিয়ে কাপড় বোনার প্রক্রিয়াটি সরাসরি পর্যবেক্ষণ করেন।
পরিদর্শনকালে উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব বিলকিস জাহান রিমি, বাংলাদেশ তাঁত বোর্ডের সদস্য মো. মিজানুর রহমান ও দেবাশীষ নাগ, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব মো. জাহিদ হাসান, প্রকল্প পরিচালক আইয়ুব আলী, নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. রায়হান কবির, জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মিজানুর রহমান মুন্সী, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উপপরিচালক মো. কুতুব উদ্দিন এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সাইফুল ইসলাম প্রমুখ।