প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২১ মার্চ ২০২৬ ০৭:২৩ এএম
ফাইল ফটো
ঈদুল ফিতরের দিনে ঢাকায় কালবৈশাখী ঝড়সহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। পাশাপাশি দেশের দক্ষিণাঞ্চলসহ বিভিন্ন জেলার নদীবন্দরগুলোতে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত জারি করা হয়েছে।
আবহাওয়া অধিদপ্তর থেকে নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক পূর্বাভাসে শুক্রবার এই সতর্কতা জারি করা হয়।
আবহাওয়া অধিদপ্তর জানায়, শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত ঢাকা, ফরিদপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম বা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টিসহ অস্থায়ীভাবে ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। এ অবস্থায় এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর নৌ-হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।
অন্যদিকে রাজশাহী, পাবনা, বগুড়া ও কুমিল্লা অঞ্চলের ওপর দিয়ে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানা জানান, দক্ষিণাঞ্চলের কিছু জেলার ওপর দিয়ে শক্তিশালী ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির শঙ্কা রয়েছে। এ কারণে নৌযানগুলোকে বিশেষ সতর্কতার সঙ্গে চলাচলের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
এদিকে কানাডার ইউনিভার্সিটি অব সাসকাচোয়ানের পিএইচডি গবেষক ও আবহাওয়াবিদ মোস্তফা কামাল পলাশ শনিবার ভোরে এক ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন , শুক্রবার দুপুর সাড়ে ১২টার পর থেকে বিকেল ৫টার মধ্যে দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন জেলা থেকে ঢাকাগামী এবং ঢাকা থেকে বরিশাল অভিমুখে যাত্রারত নৌযানগুলো শক্তিশালী কালবৈশাখী ঝড়ের কবলে পড়তে পারে।
তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, এ সময় ঘণ্টায় ৭০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ো হাওয়া বইতে পারে। বিশেষ করে পদ্মা ও মেঘনা নদীতে চলাচলরত নৌযানগুলো বেশি ঝুঁকিতে থাকবে। তিনি আরও বলেন, "সম্ভব হলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত নৌযানগুলোকে নোঙর করে ঝড় শেষ হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা উচিত। ঈদযাত্রার কারণে অধিকাংশ নৌযানে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী রয়েছে, যা ঝুঁকি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে”।