প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫৮ পিএম
আপডেট : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৬:০২ পিএম
জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে বুধবার প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে সেনা হত্যাযজ্ঞে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন । ছবি: সংগৃহীত
সশস্ত্র বাহিনী একটি স্বাধীন দেশের সম্মান, বীরত্ব ও গৌরবের প্রতীক—এমন মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। জাতীয় শহিদ সেনা দিবস উপলক্ষে বুধবার দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।
বাণীতে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যেন আর কেউ সশস্ত্র বাহিনীর বিরুদ্ধে কোনো ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হতে না পারে—সে লক্ষ্যে সবাইকে পুনরায় শপথ নিতে হবে।
তিনি শহিদ সেনাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানিয়ে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন।
এদিন সকালে প্রধানমন্ত্রী ঢাকার বনানী সামরিক কবরস্থানে বিডিআর সদর দপ্তর পিলখানায় সংঘটিত সেনা হত্যাযজ্ঞে নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।
তিনি সেখানে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন এবং শহিদদের স্মরণে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। পরে তাদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন।
পিলখানায় ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি ভয়াবহ সেনা হত্যাযজ্ঞ সংঘটিত হয়। ওই ঘটনায় ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ৭৪ জন প্রাণ হারান।
দীর্ঘ সময় দিনটি যথাযথভাবে পালিত না হলেও ২০২৪ সালে দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হওয়ার পর থেকে দিনটি ‘শহিদ সেনা দিবস’ হিসেবে পালন করা হচ্ছে।
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের বিষয়টি নাগরিক হিসেবে সবার উপলব্ধিতে থাকা জরুরি বলেন প্রধানমন্ত্রী।
তিনি জানান, এ হত্যাকাণ্ডের বিচার প্রক্রিয়া চলমান থাকায় বিচারাধীন বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্যের সুযোগ নেই। তবে তিনি দাবি করেন, ঘটনার নেপথ্যে দেশ ও জনগণের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ববিরোধী তৎপরতা বিদ্যমান ছিল।
হত্যাকাণ্ডের পর নানাভাবে মিথ্যা ও অপতথ্য ছড়িয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করার চেষ্টা হয়েছিল উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এখন পিলখানা হত্যাকাণ্ডের পেছনের কারণ জনগণের কাছে স্পষ্ট।
তিনি আরও বলেন, দেশ ও জনগণের স্বার্থবিরোধী যে কোনো ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়ানোই হোক শহিদ সেনা দিবসের অঙ্গীকার।