প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৫:২৫ পিএম
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে র্যাবের নিরাপত্তা প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে শুক্রবার সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন র্যাবের মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারসহ সারাদেশে ব্যাপক ও কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)-এর মহাপরিচালক একেএম শহিদুর রহমান।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে র্যাবের নিরাপত্তা প্রস্তুতি পরিদর্শন শেষে শুক্রবারে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।
তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পালনের লক্ষ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কেন্দ্রীয়ভাবে একটি সমন্বিত নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে।
র্যাব মহাপরিচালক জানান, শহিদ মিনার এলাকায় ইনার পেরিমিটার ও আউটার পেরিমিটার নির্ধারণ করে সদস্য মোতায়ন করা হয়েছে। পুরো এলাকাকে কয়েকটি সেক্টরে ভাগ করে প্রতিটি সেক্টরে ফুট পেট্রোল, গাড়ি টহল এবং স্ট্রাইকিং রিজার্ভ টিম প্রস্তুত রাখা হবে।
নিরাপত্তা জোরদারে বোমা নিষ্ক্রিয়করণ ইউনিট, ডগ স্কোয়াড এবং সাদা পোশাকে গোয়েন্দা সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় শহিদ মিনার এলাকায় তিন শতাধিক র্যাব সদস্য মোতায়েন থাকবে। পাশাপাশি পুরো এলাকাকে সিসিটিভি ক্যামেরার আওতায় আনা হয়েছে, যাতে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করা যায়।
অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার এই কর্মকর্তা বলেন, অতীতে ভঙ্গুর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি থেকে দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় আনতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সফল হয়েছে এবং একটি সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানে সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে। ভবিষ্যতেও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখা হবে।
তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, দাবি আদায় বা আন্দোলনের নামে সাধারণ মানুষকে জিম্মি করা বা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করার কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না। সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা ও জীবনযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে র্যাব মহাপরিচালক বলেন, বর্তমানে কোনো সুনির্দিষ্ট নিরাপত্তা হুমকি নেই। তবে সম্ভাব্য যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পাশাপাশি সারাদেশে যেখানে যেখানে শহীদ বেদীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে, সেসব স্থানেও পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হবে।