বাসস
প্রকাশ : ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:২৬ পিএম
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। ছবি: বাসস
সরকারের কূটনীতি ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ নীতির দ্বারা পরিচালিত হবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি বলেন, যেখানে সব ধরনের বৈদেশিক সম্পৃক্ততার কেন্দ্রে থাকবে জাতীয় স্বার্থ ও নাগরিকদের কল্যাণ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন।
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে নতুন জনমত (ম্যান্ডেট) নিয়ে মর্যাদা ও পারস্পরিক শ্রদ্ধা বজায় রেখে বিশ্বের সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব ও যোগাযোগ রক্ষা করবে। “অনেকদিন আমাদের মেরুদণ্ড সোজা ছিল না। এখন আমরা জনগণের ম্যান্ডেট নিয়ে এসেছি এবং আমরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে এগিয়ে যাব” বলেন তিনি।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে নবগঠিত সরকার সমন্বিত কূটনৈতিক প্রচেষ্টার মাধ্যমে নির্বাচনি ইশতেহার বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ, যেখানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে”।
পররাষ্ট্রমন্ত্রীর অভিজ্ঞতার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “তার দীর্ঘ পররাষ্ট্র বিষয়ক ক্যারিয়ার এবং জাতীয় নিরাপত্তায় পূর্ববর্তী দায়িত্বপালন মন্ত্রণালয়ের কার্যকর ফলাফল প্রদানের সক্ষমতা বাড়াবে”।
কয়েকটি দেশের আরোপিত ভিসা নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, “মন্ত্রণালয় এসব চ্যালেঞ্জ সম্পর্কে সচেতন এবং কূটনৈতিক চ্যানেলের মাধ্যমে সমাধানে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে।
“আমরা পরীক্ষা করছি কীভাবে এসব সমস্যা সমাধান করা যায় এবং কীভাবে আমরা গঠনমূলকভাবে এগিয়ে যেতে পারি”।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারতে অবস্থান এবং সংশ্লিষ্ট কূটনৈতিক যোগাযোগ বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে এবং মন্ত্রণালয় তা পর্যালোচনা করবে।
“এটি আমাদের দায়িত্বের দ্বিতীয় দিন মাত্র। প্রক্রিয়া চলছে এবং চলতে থাকবে”।
গাজায় বাংলাদেশি সেনা মোতায়েনে অন্তর্বর্তী সরকারের নীতিগত অবস্থানের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “বিষয়টি এখনো রাজনৈতিক পর্যায়ে আলোচনা হয়নি। এ ধরনের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত যথাসময়ে আলোচনা ও গ্রহণ করা হবে”।
ভারত, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে শামা বলেন, “বিভিন্ন দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের অনেক ইস্যু রয়েছে। সেগুলো দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সম্পৃক্ততার মাধ্যমে মোকাবিলা করা হবে।
“আমরা সকল রাষ্ট্র ও সরকারের সঙ্গে সম্পর্ক বজায় রাখব। আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার হলো বাংলাদেশের জনগণ ও দেশের স্বার্থ রক্ষা করা”।