বাসস
প্রকাশ : ০১ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৩:৩০ পিএম
নির্বাচন ভবন। ছবি: প্রতিদিনের বাংলাদেশ
আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সারা দেশে প্রার্থীদের প্রচার কার্যক্রম চলছে। নির্বাচন কমিশনের আচরণ বিধিমালা অনুযায়ী, প্রচার শুরু হয়েছে ২২ জানুয়ারি এবং ভোট গ্রহণ শুরুর ৪৮ ঘণ্টা আগে শেষ করতে হবে।
সে অনুযায়ী ১০ ফেব্রুয়ারি রাত ১২টার মধ্যে সব ধরনের নির্বাচনি প্রচার সম্পূর্ণ বন্ধের নির্দেশ রয়েছে।
রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০২৫’-এর ৭ (ক) ধারায় নির্বাচনি প্রচারে পোস্টার ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এ বিধান লঙ্ঘন শাস্তিযোগ্য অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে।
বিধিমালার ৭ (খ) ধারায় পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর অপচনশীল দ্রব্য—যেমন রেক্সিন, পলিথিন বা প্লাস্টিক দিয়ে তৈরি প্রচারপত্র, লিফলেট ও ব্যানার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।
আরেকটি ধারা ৭ (ঙ) অনুযাযী, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মাধ্যম ছাড়া অন্যান্য প্রচার সামগ্রী সাদা–কালো হতে হবে। ব্যানারের সর্বোচ্চ মাপ ১০ ফুট বাই ৪ ফুট, লিফলেট বা হ্যান্ডবিল এ–ফোর সাইজে এবং ফেস্টুনের আয়তন সর্বোচ্চ ১৮ ইঞ্চি বাই ২৪ ইঞ্চি নির্ধারণ করা হয়েছে।
এসব সামগ্রীতে প্রার্থীর নিজের ছবি ও প্রতীক ছাড়া অন্য কারও ছবি বা প্রতীক ব্যবহার করা যাবে না। ব্যানারের মাপ আনুভূমিক বা উলম্ব—যেভাবেই হোক—নির্ধারিত সীমার মধ্যে থাকতে হবে বলে স্পষ্ট করেছে ইসি।
ইসি সচিবালয়ের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ স্বাক্ষরিত নির্দেশনায় রিটার্নিং কর্মকর্তাদের বিষয়টি নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। সম্প্রতি কিছু এলাকায় পোস্টার ব্যবহারের ঘটনা নজরে আসায় এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
ইসি সচিবালয়ের পরিচালক (জনসংযোগ) মো. রুহুল আমিন মল্লিক স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে মুদ্রণালয় ও ছাপাখানাকে পোস্টার মুদ্রণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। নিবন্ধিত দল, মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থীসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আচরণ বিধিমালা কঠোরভাবে মেনে চলার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।