প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫২ পিএম
আপডেট : ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:৫৫ পিএম
রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বুধবার দিনব্যাপী 'ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০' শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি সচিব ড. মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ান।
কৃষকরাই জাতির মেরুদণ্ড, আমরা এ কথা মুখে বললেও কার্যক্ষেত্রে কোন প্রয়োগ নেই। আবার কৃষকরা তাদের ফসলের ন্যায্যমূল্য পায় না।
দাম না পেয়ে কৃষকরা তাদের ফসল ফেলে দেয়। আমরা কয়েকদিন হাহুতাশ করি। ক্ষতি পুষিয়ে নিতে তাদের প্রণোদনা দিতে গেলে বাধার মুখে পড়তে হয়। এ ধরনের অবস্থা হলে কৃষকরা বাঁচবে না। আর কৃষকদের উন্নতি না হলে দেশের উন্নতি হবে না। তাই কৃষির উন্নয়ন করতে হলে কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসর) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী।
রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বুধবার দিনব্যাপী কর্মশালাটির আয়োজন করে কৃষি মন্ত্রণালয়।
সকালে 'ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০' শীর্ষক জাতীয় কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কৃষি সচিব ড. মুহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়ানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অবসর)
মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন জাতিসংঘের কৃষি ও খাদ্য সংস্থার
ঢাকাস্থ প্রতিনিধি ড. জিকুইন শি, বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) ড. মো.
মুস্তাফিজুর রহমান ও সাধারণ অর্থনীতি বিভাগের সদস্য (সচিব) ড. মঞ্জুর হোসেন, মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. মো. মাহমুদুর রহমান, শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব কামরুল হাসান প্রমুখ।
কৃষি উপদেষ্টা বলেন, স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে জনসংখ্যা ছিল সাড়ে সাত কোটি। তখন
জমি বেশি ছিল কিন্তু ফসল উৎপাদন কম ছিল। বর্তমানে জনসংখ্যা ১৭ কোটি অর্থাৎ বেশি কিন্তু কৃষি জমি কমছে তবে বেশি পরিমাণ উৎপাদন হচ্ছে।
তিনি বলেন, কৃষকরা তাদের ফসলের দাম পায় না। দাম না পেয়ে কৃষকরা তাদের ফসল ফেলে দেয়। তা দেখে গণমাধ্যম কিছু প্রতিবেদন করে, আমরা সাধারণ মানুষ কিছু হাহুতাশ করি।
কৃষি উপদেষ্টা বলেন, শিল্প-কারখানার মালিকরা ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে ফেরত দেয় না। কৃষকরা ঋণ নিতে গেলে পায় না। আবার শিল্প-কারখানার মালিকদেন ব্যাংক ঋণ দুই শতাংশ ইন্টারেস্ট দিয়ে মাফ পেয়ে যায়। তারা নানা ধরনের প্রণোদনা পায়। কিন্তু কৃষকদের প্রণোদনা দিতে গেলে নানা ধরনের বাধা আসে।
তিনি বলেন, আমরা হয়ত ভাবছি কৃষকরা উৎপাদন না করলে বিদেশ
থেকে আমদানি করবো। কিন্তু টাকা থাকলেই সবসময় পণ্য পাওয়া যায় না। তাই আমাদেরই উৎপাদন করতে হবে।
আউটলুক সম্পর্কে
লে. জে. মোঃ জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেন, এটি আমাদের জন্য একটি ঐতিহাসিক মুহুর্ত, আমরা আমাদের দেশের কৃষি খাতের ভবিষ্যৎ গঠনের জন্য এই পরিকল্পনাটি প্রণয়ন করছি। আগামী ২৫ বছরে বাংলাদেশের কৃষির রূপান্তর আমাদের জীবনের মানোন্নয়ন, খাদ্য নিরাপত্তা, এবং গ্রামীণ উন্নয়নে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
তিনি আরও বলেন, এই পরিকল্পনার সফল বাস্তবায়ন শুধু কৃষি খাতের জন্য নয়, বরং দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ হবে।
কী আছে বাংলাদেশের কৃষির রূপান্তর: দৃষ্টিপথ ২০৫০ প্রণয়নের কারণ
আউটলুক বলা হয়েছে,
বাংলাদেশের অর্থনীতির একটি প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কৃষি দীর্ঘদিন ধরে খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, কর্মসংস্থান সৃষ্টি, দারিদ্র্য হ্রাস এবং গ্রামীণ জীবিকাকে টিকিয়ে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। গত পাঁচ দশকে দেশটি উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে—দীর্ঘদিনের খাদ্য ঘাটতির অবস্থা থেকে বেরিয়ে এসে প্রধান খাদ্যশস্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধি বিশেষত গ্রামীণ এলাকায় আয় সৃষ্টি ও জীবিকাগত স্থিতিশীলতায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছে। যদিও বাংলাদেশ বর্তমানে কাঠামোগত অর্থনৈতিক রূপান্তরের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে এবং জিডিপি ও কর্মসংস্থানে কৃষির অংশ ধীরে ধীরে কমছে, তবুও জাতীয় স্থিতিশীলতা ও অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য এই খাত এখনো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তন, সম্পদ সংকট, জনমিতিক চাপ, খাদ্য চাহিদার পরিবর্তন এবং বাজারের অস্থিরতা কৃষিখাতে নতুন ও ক্রমবর্ধমান চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে। এসব জটিল বাস্তবতা দীর্ঘমেয়াদি, সমন্বিত ও ভবিষ্যতমুখী কৃষি উন্নয়ন কৌশলের প্রয়োজনীয়তাকে স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে।
এই প্রেক্ষাপটে কৃষি মন্ত্রণালয় ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০ প্রণয়নের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।
২৫ বছরে কৃষিখাতের রূপান্তরকে দিকনির্দেশনা
এটি আগামী ২৫ বছরে কৃষিখাতের রূপান্তরকে দিকনির্দেশনা দেওয়ার জন্য একটি সমন্বিত দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত কাঠামো। এই আউটলুক একটি দূরদর্শী কিন্তু বাস্তবসম্মত রোডম্যাপ হিসেবে পরিকল্পিত, যার লক্ষ্য বাংলাদেশের কৃষিকে টেকসই, সহনশীল, লাভজনক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পথে পুনর্গঠন করা। এটি শুধু উৎপাদন বৃদ্ধির সীমিত দৃষ্টিভঙ্গিতে আটকে না থেকে একটি সমন্বিত ব্যবস্থাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ করেছে, যেখানে উৎপাদনশীলতা, পুষ্টি, জলবায়ু সহনশীলতা, ভ্যালু চেইন, বাজার, প্রযুক্তি, প্রতিষ্ঠান এবং পরিবেশগত স্থায়িত্বকে একসূত্রে যুক্ত করা হয়েছে।
আউটলুক–২০৫০ এর মূল ধারণা হলো কাঠামোগত রূপান্তর। এতে আত্মনির্ভরশীলতা নির্ভর, অধিক উপকরণনির্ভর ও জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ কৃষি ব্যবস্থা থেকে একটি আধুনিক, বাজারমুখী, প্রযুক্তিনির্ভর এবং জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি-খাদ্য ব্যবস্থায় রূপান্তরের কল্পনা করা হয়েছে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এখানে কেন্দ্রীয় বিষয় হলেও তা সম্পদ দক্ষতা, লাভজনকতা, খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি অর্জনের সঙ্গে সমন্বিতভাবে অনুসরণ করা হয়েছে। এই আউটলুক মানব ও অমানব উভয় ভোগের চাহিদার মধ্যে ভারসাম্য রক্ষা, কৃষিতে বৈচিত্র্য আনা এবং মূল্য সংযোজন ও কৃষিভিত্তিক প্রক্রিয়াজাতকরণ জোরদারের মাধ্যমে কৃষকের আয় বৃদ্ধি ও জাতীয় প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব দিয়েছে।
আউটলুক ২০৫০–এর প্রধান উদ্দেশ্য
আউটলুক ২০৫০–এর প্রধান উদ্দেশ্য হলো দীর্ঘমেয়াদি জনমিতিক, অর্থনৈতিক, জলবায়ু ও সম্পদসংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নীতিনির্ধারক, প্রতিষ্ঠান এবং অংশীজনদের জন্য একটি সুসংহত ও প্রমাণভিত্তিক কাঠামো প্রদান করা। এর লক্ষ্য উৎপাদনশীলতা-নির্ভর ও মুনাফাভিত্তিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে টেকসই খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, একই সঙ্গে প্রাকৃতিক সম্পদ ও পরিবেশগত ভারসাম্য সংরক্ষণ করা। সীমিত সম্পদের মধ্যে জমি, পানি, মাটি ও জীববৈচিত্র্যের সর্বোত্তম ব্যবহার নিশ্চিত করা, প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় জোরদার করা এবং দীর্ঘমেয়াদি অগ্রাধিকারের সঙ্গে সরকারি ও বেসরকারি বিনিয়োগকে সামঞ্জস্য করাও এর লক্ষ্য। এছাড়া, স্বল্পমেয়াদি প্রকল্পচক্রের বাইরে গিয়ে দক্ষ সম্পদ সংগ্রহ, নীতির ধারাবাহিকতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতেও এটি সহায়ক হিসেবে পরিকল্পিত।
আউটলুক ২০৫০ প্রণয়ন একটি কাঠামোবদ্ধ, অংশগ্রহণমূলক ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয়েছে। বিশ্লেষণী কঠোরতার পাশাপাশি ব্যাপক অংশীজন সম্পৃক্ততার মাধ্যমে জাতীয় মালিকানা ও মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রক্রিয়ার শুরুতে বিদ্যমান নীতি, পরিকল্পনা ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়িত্বসমূহের একটি বিস্তৃত পর্যালোচনা করা হয়, যাতে জাতীয় উন্নয়ন কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় থাকে। মোট ১৩টি বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্রকে আউটলুকের বিশ্লেষণী ভিত্তি হিসেবে চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে রয়েছে জলবায়ু-স্মার্ট কৃষি, সম্পদ পরিকল্পনা, গবেষণা–সম্প্রসারণ–বাজার সংযোগ, যান্ত্রিকীকরণ ও স্মার্ট কৃষি, ফসল পরবর্তী ব্যবস্থাপনা, ভ্যালু চেইন, অর্থায়ন, মানবসম্পদ উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলকতা এবং ঝুঁকিপূর্ণ ও বিশেষ অঞ্চলের কৃষি।
প্রতিটি বিষয়ভিত্তিক ক্ষেত্রের জন্য পটভূমি গবেষণা পরিচালিত হয়, যেখানে তথ্য বিশ্লেষণ, প্রবণতা মূল্যায়ন এবং ২০৫০ সাল পর্যন্ত চাহিদা–সরবরাহ পূর্বাভাস অন্তর্ভুক্ত ছিল। এই প্রক্রিয়ার একটি স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য হলো কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতাধীন দেশের সব ১৪টি কৃষি অঞ্চলে বিস্তৃত আঞ্চলিক পরামর্শ সভা আয়োজন, যাতে বিভিন্ন কৃষি-প্রাকৃতিক অঞ্চল, চাষাবাদ পদ্ধতি ও বাজার বাস্তবতার প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা যায়। এসব বহুপক্ষীয় পরামর্শে কৃষক, গবেষক, শিক্ষাবিদ, বেসরকারি খাত, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সহযোগী, সিভিল সোসাইটি সংগঠন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন। এর মাধ্যমে আঞ্চলিক অগ্রাধিকার, বাস্তবায়নগত বাধা এবং বিনিয়োগ সম্ভাবনা আউটলুকে প্রতিফলিত হয়েছে।
আউটলুক সাত অধ্যায়ে বিন্যস্ত
আউটলুক ২০৫০টি মোট সাতটি অধ্যায়ে বিন্যস্ত। প্রথম অধ্যায়ে প্রেক্ষাপট, যুক্তি, উদ্দেশ্য ও প্রণয়ন প্রক্রিয়া তুলে ধরা হয়েছে। দ্বিতীয় অধ্যায়ে কৃষি খাতের কর্মক্ষমতা, সম্ভাবনা ও উদীয়মান চ্যালেঞ্জ বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যেখানে ফসল উপখাতের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তৃতীয় অধ্যায়ে সহায়ক পরিকল্পনা, নীতি ও নিয়ন্ত্রক কাঠামো এবং দীর্ঘমেয়াদি রূপান্তরে সেগুলোর প্রভাব বিশ্লেষণ করা হয়েছে।
চতুর্থ অধ্যায়ে ১৩টি বিষয়ভিত্তিক গবেষণার সমন্বিত ফলাফল উপস্থাপন করা হয়েছে, যেখানে প্রমাণভিত্তিক বিশ্লেষণ ও কৌশলগত সুপারিশ রয়েছে।
পঞ্চম অধ্যায়ে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি ধাপে বিভক্ত একটি বাস্তবায়ন কাঠামো তুলে ধরা হয়েছে।
ষষ্ঠ অধ্যায়ে জাতীয় পরিকল্পনা কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে একটি ইঙ্গিতমূলক বিনিয়োগ কাঠামো উপস্থাপন করা হয়েছে।
সপ্তম অধ্যায়ে অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ ও অভিযোজনমূলক ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার জন্য মনিটরিং ও মূল্যায়ন ব্যবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দেওয়া হয়েছে।
জীবন্ত দলিল আউটলুক ২০৫০
সবশেষে, আউটলুক ২০৫০–কে একটি জীবন্ত দলিল হিসেবে পরিকল্পনা করা হয়েছে। এটি দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করলেও বাংলাদেশের পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনা চক্র ও পরিবর্তিত বাস্তবতার আলোকে পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনা ও হালনাগাদের সুযোগ রাখে। উৎপাদনশীলতা, সহনশীলতা, অন্তর্ভুক্তিমূলকতা ও টেকসই উন্নয়নকে একীভূত করে ট্রান্সফরমিং বাংলাদেশ এগ্রিকালচার: আউটলুক ২০৫০ বাংলাদেশকে একটি খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপদ, জলবায়ু সহনশীল এবং সমৃদ্ধ কৃষিভিত্তিক ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য একটি ঐক্যবদ্ধ দৃষ্টিভঙ্গি ও কৌশলগত দিকনির্দেশনা প্রদান করে।