প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৫:৫২ পিএম
আপডেট : ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৮:১৪ পিএম
জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে ওসমান হাদিকে দাফন করা হয়। ছবি : সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে সমাহিত হলেন ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদি। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) বিকাল সোয়া ৩টার দিকে তার দাফন সম্পন্ন হয়।
এর আগে শনিবার দুপুর আড়াইটাই জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজা ঘিরে লাখো মানুষের উপস্থিতিতে শরিফ ওসমান হাদির জানাজা হয়। সেখানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্যরা, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের জ্যেষ্ঠ নেতৃবৃন্দ, ইনকিলাব মঞ্চের নেতা-কর্মী ও পরিবারের সদস্যরা অংশ নেন। পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসা লাখো শোকাহত মানুষ জানাজায় শরিক হন।
জানাজা শেষে তার মরদেহ দাফনের জন্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধির পাশে নেওয়া হয়।
সকাল ৯টা ৪০ মিনিটের দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ওসমান হাদির মরদেহ জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের হিমঘর থেকে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে নেওয়া হয়। এসময় সেনাবাহিনী, বিজিবি, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে হাদির মরদেহ আনা হয় মর্গে। হাদির স্বজন, সহযোদ্ধা, সহকর্মীরাও সঙ্গে ছিলেন। ময়নাতদন্ত শেষে তাকে জানাজার জন্য সংসদ ভবন দক্ষিণ প্লাজায় নেওয়া হয়।
এর আগে শুক্রবার (১৯ ডিসেম্বর) সন্ধ্যা ৫টা ৪৯ মিনিটে সিঙ্গাপুর থেকে ওসমান হাদির মরদেহ বহনকারী বিমান ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে। সেখান থেকে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়।
গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে নির্বাচনী প্রচারণা শেষে ফেরার পথে সন্ত্রাসীদের গুলিতে গুরুতর আহত হন ওসমান হাদি। এরপর প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়, পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য এভারকেয়ার হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) বাংলাদেশ সময় রাত পৌনে ১০টায় মারা যান ওসমান হাদি।