প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ১৯:৩৫ পিএম
আপডেট : ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০:৪৯ পিএম
‘সচিবালয় ভাতা’র দাবিতে সরকারি নিয়ম উপেক্ষা করে আন্দোলন করায় সচিবালয়ের ১৪ কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাদের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ৪, স্বাস্থ্য শিক্ষা ও পরিবার কল্যাণ বিভাগের ৭ এবং অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের ৩ জন রয়েছেন। গত সোমবার (১৫ ডিসেম্বর) আলাদা প্রজ্ঞাপনে তাদের বিষয়ে এই অফিস আদেশ দেওয়া হয়।
জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বরখাস্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন— বাংলাদেশ
সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের একাংশের সভাপতি মো. বাদীউল কবির, অফিস
সহায়ক মো. কামাল হোসেন, মো. আলিমুজ্জামান ও মো. নজরুল ইসলাম।
স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দুই বিভাগ মিলিয়ে বরখাস্ত হওয়া ৭ কর্মকর্তা-কর্মচারী
হলেন— প্রশাসনিক কর্মকর্তা রোমান গাজী, শাহীন গোলাম রব্বানী, অফিস সহায়ক মো. আবু বেলাল,
ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. তায়েফুল ইসলাম, প্রশাসনিক কর্মকর্তা বিকাশ চন্দ্র রায়, ব্যক্তিগত
কর্মকর্তা ইসলামুল হক ও ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মো. মহসীন আলী।
এ ছাড়া তথ্য মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক মো. মিজানুর রহমান, মন্ত্রিপরিষদ
বিভাগের অফিস সহায়ক মো. নাসিমুল হক এবং অর্থ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক বিপুল রানা বিপ্লবকে
সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।
আদেশে বলা হয়েছে, যেহেতু তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে, সেহেতু সরকারি
চাকরি আইন অনুযায়ী তাদের সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। সাময়িক বরখাস্তকালীন তারা খোরপোষ
ভাতা পাবেন।
এ ঘটনায় সচিবালয়ে কর্মচারীদের মধ্যে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। আন্দোলনে অংশ
নেওয়া কর্মচারীদের বরখাস্ত করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ে চিঠি
দেওয়া হয়েছে বলে বেশ কয়েকটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।
গত ১০ ডিসেম্বর ‘সচিবালয় ভাতা’র দাবিতে সচিবালয়ে অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন
আহমেদকে প্রায় সাত ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখেন সরকারি কর্মচারীরা। পরে পুলিশের সহায়তায়
রাত সোয়া ৮টার দিকে তিনি বাসায় ফেরেন। এর পরদিনও তারা সচিবালয়ে রাস্তা অবরোধ করে আন্দোলন
করায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী পর্যায়ক্রমে তাদের গ্রেপ্তার করে।