প্রবা প্রতিবেদক
প্রকাশ : ২৪ নভেম্বর ২০২৫ ১৪:৫৭ পিএম
ফর্টিফাইড খাদ্য উৎপাদন, প্রক্রিয়াকরণ, আমদানি ও রপ্তানির সঙ্গে জড়িত খাদ্য ব্যবসায়ীদের বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে ফর্টিফিকেশন সনদ নিতে হবে। আর সনদের মেয়াদ হবে তিন বছর। সনদ বাতিল করতে হলে ১৫ দিন সময় দিয়ে কারণ দর্শানোর নোটিশ জারি করতে হবে। খসড়া নিরাপদ খাদ্য ফর্টিফিকেশন প্রবিধানমলা, ২০২৫ এ এসব শর্ত প্রকাশ করা হয়েছে। প্রবিধানমালাটি গেজেট আকারে প্রকাশের ছয় মাস পার হওয়ার পর থেকে এটি কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।
সোমবার (২৪ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর শাহবাগে নিজস্ব কার্যালয়ে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের (বিএফএসএ) রেস্তোরাঁর জন্য নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিধি বিষয়ক নির্দেশিকা শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং হারমোনাইজকৃত খসড়া নিরাপদ খাদ্য (পোর্টিফিকেশন) প্রবিধানমালা-২০২৪ এর উপর অংশীজন কর্মশালায় এসব কথা জানানো হয়।
বিএফএসএর চেয়ারম্যান জাকারিয়ার সভাপতিত্বে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যসচিব মো. মাহমুদুল হাসান, বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. শামীমুল হক, গেইনের কান্ট্রি ডিরেক্টর ডা. রুদাবা খন্দকার, স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিএফএসএর সদস্য অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ শোয়েব, নিরাপদ খাদ্য (পোর্টিফিকেশন) প্রবিধানমালা (২০২৪) খসড়া উপস্থাপন করেন প্রতিষ্ঠানটির বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আসিফ মোহাম্মদ ফুয়াদ হাসান আকাশ, বক্তব্য রাখেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুলতান আলম প্রমুখ।
কর্মশালার শুরুতে জাকারিয়া বলেন, আমাদের দেশে রেস্তোরাঁর জন্য নিরাপদ খাদ্য ও স্বাস্থ্যবিষয়ক বইপত্র বলতে গেলে নেই। সে বিষয়টি সামনে রেখে প্রাথমিকভাবে বইটি করা হয়েছে। বইটি সম্পর্কে বিশিষ্টজনদের পরামর্শ আমাদের অনুপ্রাণিত করবে।
আটা-ময়দা ও চালে ফর্টিফিকেশন হচ্ছে কিন্তু কোন আইনে হচ্ছে তা নির্দিষ্ট নেই বলে জানান জাকারিয়া।
জাকারিয়া বলেন, খাদ্যে লবণ ও তেলে ফর্টিফিকেশন অনেক আগে শুরু হয়েছে। এ দুটি চাড়া অন্যকোনটিতে নেই। এ আইন বাধ্যতামূলক না হলেও করতে গেলে সনদ নিতে হবে। যথাযথ আইন না মানলে শাস্তির মুখে পড়তে পারে।
তিনি বলেন, আমরা রেস্তোরাঁর জন্য নির্দেশিকা তৈরি করেছি। এটি সকলের উপকার হবে।
বোতলজাত তেলেও যথাযথ মাত্রায় পুষ্টি পাওয়া যাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন সুলতান আলম। তিনি বলেন, অনেক কোম্পানি সয়াবিন তেলে ভিটামিন এ ফর্টিফাইট করার কথা থাকলেও বাজারজাত তেল থেকে তা পাওয়া যাচ্ছে না।
ডা. রুদাবা খন্দকার বলেন, আমরা যেসব কাজ করছি তা ডেটাবেইসে। এভিডেন্স ছাড়া কাজ করা সম্ভব নয়।
তিনি বলেন, প্রান্তিক ক্রেতা ও উৎপাদক থেকে শুরু করে সবাইকে খাদ্য নিরাপত্তার জন্য পড়তে হবে। কেননা স্বাস্থ্য নিঃসন্দেহে বড় সম্পদ। তা ছাড়া যে প্রবিধিটির খসড়া করা হয়েছে তাতে সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা ও পরামর্শ দরকার।