× ই-পেপার প্রচ্ছদ সর্বশেষ বাংলাদেশ রাজনীতি দেশজুড়ে বিশ্বজুড়ে বাণিজ্য খেলা বিনোদন মতামত চাকরি শিক্ষা আজকের কার্টুন ফিচার সকল বিভাগ ছবি ভিডিও লেখক আর্কাইভ কনভার্টার

অন্য দেশে বাজেট বাড়লেও বাংলাদেশে কাটছাঁট

কাউসার আহমেদ

প্রকাশ : ০৫ অক্টোবর ২০২৫ ১১:৫৮ এএম

অন্য দেশে বাজেট বাড়লেও বাংলাদেশে কাটছাঁট

জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাতে বিশ্বে ঘনঘন প্রাকৃতিক দুর্যোগ, উষ্ণতা বৃদ্ধি ও পরিবেশগত সংকট বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকে পড়ছে উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলো। কার্বন নিঃসরণ কমিয়ে এনে টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থার জন্য সৌর, বায়ু, জিওথার্মাল ও বায়োগ্যাসভিত্তিক জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে। অথচ বাংলাদেশে ২০২৫-২৬ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বরাদ্দ অত্যন্ত সীমিত।

২০২৩-২৪ অর্থবছরে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ৪৫ কোটি ৮৭ লাখ টাকা, যা ২০২৪-২৫ সালের সংশোধিত বাজেটে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়ায় ৫৯ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। তবে ২০২৫-২৬ সালের জন্য প্রাক্কলিত বাজেটে আবারও বরাদ্দ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৩ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। গত বছরের তুলনায় বরাদ্দ কমেছে ১৬ কোটি ২৫ লাখ টাকা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের এডিপিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানিভিত্তিক প্রকল্পের সংখ্যা ৪ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ৭-এ। তবে সংখ্যা বৃদ্ধি পেলেও প্রকল্প বাস্তবায়নের অগ্রগতি আশানুরূপ নয়। ৭টি প্রকল্পের মধ্যে ৩টি 'সমাপ্তিমূলক' হলেও সেগুলো সম্পন্ন হওয়ার সম্ভাবনা নেই, বরং এগুলো 'ক্যারি-ওভার' প্রকল্পে পরিণত হতে যাচ্ছে। বর্তমানে চলমান প্রকল্পগুলোর বাস্তবায়নের হার যথাক্রমে ৫২.৮ শতাংশ ও ৪৩.৪ শতাংশ, যা প্রকল্প শেষ হওয়ার আগেই অর্থায়ন সমস্যায় পড়ার আশঙ্কা তৈরি করছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরে ক্যারি-ওভার প্রকল্পের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে দুটিতে।

২০২৫ সালের মধ্যে ৪১৯ মেগাওয়াট উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন তিনটি নবায়নযোগ্য জ্বালানি-ভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের কাজ চলছে। এই বিদ্যুৎ গ্রিডে যুক্ত হলে দেশের মোট নবায়নযোগ্য জ্বালানি-ভিত্তিক উৎপাদন সক্ষমতা দাঁড়াবে ১৬৭০ মেগাওয়াটে। তবে বর্তমানে সরকারি বিনিয়োগে পরিচালিত প্রকল্পের সংখ্যা মাত্র তিনটি। যার সম্মিলিত উৎপাদনক্ষমতা ১০৮ মেগাওয়াট এবং পাইপলাইনে থাকা প্রকল্পের মাত্র ২৫ শতাংশ।

২০২৫-২৬ অর্থবছরের জন্য জ্বালানি খাতে বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ২২,৫২০ কোটি টাকা, যা গত বছরের তুলনায় শূন্য দশমিক ৮ শতাংশ কম। এটা মোট জাতীয় বাজেটের ২ দশমিক ৯ শতাংশ, যা ২০২৫ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে ছিল ৩ দশমিক ১ শতাংশ। গত এক দশকে এই খাতের বাজেট বরাদ্দ ক্রমাগত বৃদ্ধি পেলেও এবার ব্যতিক্রম দেখা যাচ্ছে। বিশেষ করে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে ২৩.৯% বাজেট হ্রাস এই খাতে ভবিষ্যৎ বিনিয়োগে প্রভাব ফেলতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। ২০২৬ অর্থবছরের জন্য পরিচালন বাজেট ১৫.৩৮% বৃদ্ধি পেলেও, উন্নয়ন বাজেট কমেছে ০.৯১%। এর ফলে বাজেটের ভারসাম্য উন্নয়ন খাত থেকে পরিচালন খাতে স্থানান্তরের দিকে নির্দেশ করে।

আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ কোথায় দাঁড়িয়ে

ভারতের বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বরাদ্দ করা হয়েছে ২৬ হাজার ৫৪৯ কোটি ভারতীয় রুপি, যা গত অর্থবছরে ছিল ১৭ হাজার ৪৯০ কোটি রুপি। অর্থাৎ ভারত প্রায় ৫২ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধি করেছে। এই বাজেটের বড় অংশই পিএম সুরয়া ঘর মুফত বিজলি ওজানার আওতায় গ্রামীণ ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য ঘরোয়া সৌরবিদ্যুৎ সুবিধা সম্প্রসারণে বরাদ্দ হয়েছে। ভারত ২০৩০ সালের মধ্যে ৫০০ গিগাওয়াট নবায়নযোগ্য শক্তি অর্জনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে।

নেপালেও নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে গত বছরের তুলনায় ২৪.৬ শতাংশ বাজেট বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে যেখানে বরাদ্দ ছিল এনপিআর ১.৮৭ বিলিয়ন, সেখানে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বেড়ে হয়েছে এনপিআর ২.৩৩ বিলিয়ন। সৌর ও বায়ুবিদ্যুৎ প্রকল্পের উন্নয়ন, অফ-গ্রিড সংযোগ এবং পাহাড়ি অঞ্চলে বিকল্প জ্বালানির প্রচারে সরকার কাজ করছে।

২০২৫ সালে চীনের স্টেট গ্রিড করপোরেশন নবায়নযোগ্য শক্তি গ্রিড সংযোগ ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ করেছে ৬৫০ বিলিয়ন ইউয়ান, যা ২০২৪ সালের ৬০০ বিলিয়ন ইউয়ানের তুলনায় ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ বেশি। চীন ইতোমধ্যে বৈশ্বিক নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎপাদনে শীর্ষে রয়েছে এবং তাদের গ্রিন হাইড্রোজেন, অফশোর উইন্ড এবং ব্যাটারি উৎপাদন খাতেও বিশাল বিনিয়োগ অব্যাহত।

জাপানে নবায়নযোগ্য শক্তি খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির হার কম হলেও তাদের বাজেট মূলত গবেষণা ও প্রযুক্তিনির্ভর। ২০২৪ সালে যেখানে বাজেট ছিল ৩৪.৭ বিলিয়ন ইয়েন, সেখানে ২০২৫ সালে তা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ৩৬.২ বিলিয়ন ইয়েন, যা ৪.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি নির্দেশ করে। জাপান ব্যাটারি স্টোরেজ, হাইড্রোজেন জ্বালানি এবং গ্রিন ইনোভেশন ফান্ডের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য শক্তির দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো গড়ে তুলতে কাজ করছে। সার্বিকভাবে অন্য দেশগুলো যেখানে পরিবেশবান্ধব শক্তির ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করতে এগিয়ে যাচ্ছে, সেখানে বাংলাদেশ ধীরগতি, বাজেট হ্রাস ও বাস্তবায়নের দুর্বলতার কারণে স্পষ্টভাবে পিছিয়ে আছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত: হতাশা, চ্যালেঞ্জ ও সুপারিশ

জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শামসুল আলম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ এখন অর্থনৈতিকভাবে সবচেয়ে টেকসই ও সম্ভাবনাময় খাত। তিনি মনে করেন, ছাদবাগান ও সোলার সিস্টেমের মাধ্যমে ঘরোয়া পর্যায়ে বিদ্যুৎ উৎপাদনকে ক্ষুদ্র কুটির শিল্প হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব। ২০৩০-৩২ সালের মধ্যে দেশের বিদ্যুৎ চাহিদার ২০-২৫ শতাংশ পূরণ করা যাবে যদি এখন থেকেই বিভাগীয় শহর, পৌর এলাকা, বাড়ি, স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসায় সৌরবিদ্যুৎ ব্যবস্থার বাস্তবায়ন শুরু হয়।

তিনি অভিযোগ করে বলেন, বর্তমান সরকার এখনও এই খাতে কোনো সুস্পষ্ট রূপরেখা নেয়নি, ফলে বাস্তবায়নের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থায়নও নিশ্চিত হচ্ছে না। বিগত সরকার এ খাতকে ব্যবসায় রূপ দিলেও পরবর্তীতে অনেক বিনিয়োগের বৈধতা ও দায়বদ্ধতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কৃষকদের ১১-১২ টাকায় বিদ্যুৎ কিনতে হলেও উৎপাদন খরচ ছিল মাত্র সাড়ে ৪ টাকা। শামসুল আলম বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ঘিরে উদ্যোক্তা তৈরি, বিনিয়োগের সুযোগ এবং বিদ্যুৎ উৎপাদনের বাজার গড়ে তুলতে না পারলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব হবে না।

নবায়নযোগ্য খাতে হতাশা নিয়ে আন্তর্জাতিক জ্বালানি বিশেষজ্ঞ শফিকুল আলম বলেন, এ বাজেটের সবচেয়ে বড় দুর্বলতা নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসারে কোনো উল্লেখযোগ্য বরাদ্দ বা প্রণোদনার অভাব। গত অর্থবছরে এই খাতে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ ছিল, কিন্তু এবার তেমন কোনো ঘোষণা নেই। ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পে উচ্চশুল্ক এখনও বড় বাধা। বাজেটে এই বিষয়ে কোনো দিকনির্দেশনার অভাব অংশীজনদের হতাশ করেছে।

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) সাবেক অধ্যাপক, জ্বালানি ও টেকসই উন্নয়ন বিশেষজ্ঞ ড. ইজাজ হোসেন বলেন, সব সরকারই নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিষয়ে মুখে অনেক কিছুই বলে। কিন্তু বাস্তবে কিছু করে না। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাত উৎসাহিত করতে হবে। যতটুকু বরাদ্দ দরকার, সেটুকু দিতে হবে। নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে উৎসাহিত করতে হবে। সরকারি জমি সোলার প্রজেক্টের জন্য ব্যবহার করতে হবে। এনার্জি খাতে যদি ভর্তুকি দিতেই হয় তাহলে বলব, নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিতে। এতে দেশের জন্য ভবিষ্যতে ভালো ফল আসবে।

এনজিও চেঞ্জ ইনিশিয়েটিভের প্রধান নির্বাহী এম জাকির হোসেন খান বলেন, বাংলাদেশের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতকে তেমন অগ্রাধিকার দেওয়া হয়নি। বাংলাদেশের উন্নয়ন পরিকল্পনায় 'থ্রি জিরো' তত্ত্ব উচ্চারণে থাকলেও বাস্তবায়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। তার ওপর সরকারের ৩১টি জ্বালানি সংশ্লিষ্ট প্রকল্প মুলতবি করে দেওয়ায় এই খাতের অগ্রযাত্রা আরও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। অবস্থার উন্নয়নে নবায়নযোগ্য খাতে একটি যৌথ ফান্ড গঠনের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন, যাতে সরকারি-বেসরকারি খাতের সমন্বয়ে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায়। বর্তমানে বিদেশি কোম্পানিগুলো দুর্নীতিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় প্রতি ইউনিট বিদ্যুৎ ১৪-১৫ টাকা হারে সরবরাহ করছে, যা একটি মধ্যম আয়ের দেশের জন্য টেকসই নয়। অথচ নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে সঠিক বিনিয়োগ হলে ৬-৮ টাকা ইউনিট মূল্যে বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব।

গত জুলাই মাসে বাংলাদেশ টেকসই ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি সমিতি (বিএসআরইএ) এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ক্ষেত্রে কিছু সুপারিশ করেছে। সরকার ইতোমধ্যে ৫৫টি নতুন সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্পের জন্য দরপত্র আহ্বান করেছে। এটি অবশ্যই ইতিবাচক পদক্ষেপ। তবে লক্ষণীয় যে, এসব প্রকল্পে বিদেশি বিনিয়োগকারীদের অংশগ্রহণ আশানুরূপ নয়। কিছু প্রকল্পে মাত্র একজন দরদাতা অংশ নিয়েছেন, আবার কিছু প্রকল্পে কেউই আগ্রহ দেখাননি। পূর্বে ৩৭টি সৌর প্রকল্প বাতিল হওয়ায় বিনিয়োগকারীদের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এসব বাতিলকৃত প্রকল্পে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। তাই বাতিলকৃত প্রকল্পগুলো পুনর্বিবেচনায় নিয়ে আসতে হবে। ওপেক্স বিনিয়োগের ক্ষেত্রে কর-সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে, যেন বিদ্যুৎ উৎপাদনকারীরা দীর্ঘমেয়াদে সাশ্রয়ী মূল্যে ও কার্যকরভাবে নবায়নযোগ্য জ্বালানির প্রসার ঘটাতে পারে। সোলার ইকুইপমেন্টে উচ্চহারে শুল্ক বিদ্যমান; সেগুলো কমিয়ে একীভূত ও সহায়ক শুল্ক কাঠামো তৈরি করতে হবে। নিট মিটারিং প্রক্রিয়া স্বচ্ছ ও বিনিয়োগবান্ধব করতে হবে। লিথিয়াম আয়ন ব্যাটারির সেল আমদানির ওপর বিদ্যমান করহার কমানো উচিত। হাইকোর্টের নির্দেশনা অনুযায়ী, সব ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন নিশ্চিত করতে মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি পৃথক সেল গঠন করতে হবে।

সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) সোলার খাত নিয়ে সুপারিশ করেছে। তারা বলেছে, ২০৩০ এবং ২০৪০ সালের মধ্যে নবায়নযোগ্য জ্বালানি লক্ষ্য অর্জনের জন্য এডিপিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্পের সংখ্যা ব্যাপকভাবে বৃদ্ধি করা উচিত। বাজেটে নবায়নযোগ্য জ্বালানি উপাদানের শুল্ক হ্রাস করা হোক। যেকোনো নবায়নযোগ্য জ্বালানি-সম্পর্কিত এইচএস কোডের জন্য যেখানে কাস্টমস ডিউটি (সিডি) ৫% ছাড়িয়ে যায়, তা ৫%-এ কমিয়ে আনা উচিত। এ ছাড়া ভ্যাট ১৫% থেকে কমিয়ে ১০% করার সুপারিশ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন-

মন্তব্য করুন

Protidiner Bangladesh

সম্পাদক : মারুফ কামাল খান

প্রকাশক : কাউসার আহমেদ অপু

রংধনু কর্পোরেট, ক- ২৭১ (১০ম তলা) ব্লক-সি, প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড) ঢাকা -১২২৯

যোগাযোগ

প্রধান কার্যালয়: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৬৯৬ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (প্রিন্ট): +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮১০, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০ | ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন (অনলাইন): +৮৮০১৮৮০৭৪৪৫৮০, +৮৮০১৭৯৯৪৪৯৫৫৯ । ই-মেইল: [email protected]

সার্কুলেশন: +৮৮০৯৬১১৬৭৭৮০৭, +৮৮০১৮৮০৭৪৪৩৩২ । ই-মেইল: [email protected]

বিজ্ঞাপন মূল্য তালিকা